BDpress

ঋণের বিপরীতে সবচেয়ে বেশি সুদ নিচ্ছে ব্র্যাক ব্যাংক

নিজস্ব প্রতিবেদক

অ+ অ-
ঋণের বিপরীতে সবচেয়ে বেশি সুদ নিচ্ছে ব্র্যাক ব্যাংক
আমানত ও ঋণের সুদের হারের ব্যবধান (স্প্রেড) কমিয়ে ৫ শতাংশীয় পয়েন্টের মধ্যে রাখতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক দেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে নির্দেশনা দিয়েছিল। কিন্তু অনেক ব্যাংকই এ নির্দেশনার তোয়াক্কা না করে নিজেদের নির্ধারিত হারে সুদ আদায় করছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে অর্থসূচক-এর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ১৩ টি ব্যাংক স্প্রেড সীমা অতিক্রম করেছে। এদের মধ্যে  ঋণের বিপরীতে সবচেয়ে বেশি সুদ নিচ্ছে বেসরকারি খাতের ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড। ঋণের বিপরীতে ব্যাংকটি ১২ দশমিক ৩৮ শতাংশ সুদ আদায় করেছে। অন্যদিকে আমানতের বিপরীতে মাত্র ৩ দশমিক ৪৫ শতাংশ সুদ দিচ্ছে। ব্যাংকটির স্প্রেড ৮ দশমিক ৯৩ শতাংশ। এর পরেই রয়েছে বিদেশি স্ট্যান্ডার্ড চার্টাড ব্যাংক। ব্যাংকটির স্প্রেড ৮ দশমিক ১৭ শতাংশ।

মে মাস শেষে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে দেখা গেছে, রাষ্ট্রীয় মালিকানার সবগুলো বাণিজ্যিক ব্যাংক ও বিশেষায়িত ব্যাংকের স্প্রেড নির্ধারিত সীমার মধ্যে রয়েছে।

প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, মে শেষে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলো ঋণের ক্ষেত্রে ৮ দশমিক ৭১ শতাংশ হারে সুদ আদায় করেছে। আমানতের বিপরীতে দিয়েছে ৪ দশমিক ৬৯ শতাংশ সুদ। স্প্রেড দাঁড়িয়েছে ৪ দশমিক ০২ শতাংশীয় পয়েন্ট। বিশেষায়িত ব্যাংকের স্প্রেড সবচেয়ে কম। যা মাত্র ৩ দশমিক ১০ শতাংশ। বিশেষায়িত ব্যাংকগুলো আমানতের বিপরীতে দিয়েছে  ৫ দশমিক ৯৭ শতাংশ সুদ। ঋণের ক্ষেত্রে নিয়েছে ৯ দশমিক ০৭ শতাংশ সুদ।

বেসরকারি খাতের ৮ ব্যাংকের স্প্রেড ৫ শতাংশীয় পয়েন্টের ওপরে অবস্থান করছে। গত মে মাসে বেসরকারি ব্যাংকগুলো ঋণের ক্ষেত্রে গড়ে ১০ দশমিক ০৩ শতাংশ হারে সুদ আদায় করেছে। আমানতের বিপরীতে দিয়েছে ৫ দশমিক ২১ শতাংশ সুদ। গড় স্প্রেড দাঁড়িয়েছে ৪ দশমিক ৮২ শতাংশীয় পয়েন্ট।

বিদেশি ব্যাংকগুলোর স্প্রেড এখনও ৫ শতাংশীয় পয়েন্টের উপরে রয়েছে। বিদেশি ব্যাংকগুলো আমানতের বিপরীতে ১ দশমিক ৫৯ শতাংশ সুদ দিয়েছে। অন্যদিকে ঋণের বিপরীতে আদায় করছে ৭ দশমিক ৮৫ শতাংশ সুদ। এ খাতের ব্যাংকগুলোর স্প্রেড সবচেয়ে বেশি। যা ৬ দশমিক ২৬ শতাংশ।

স্প্রেড ৫ শতাংশীয় পয়েন্ট অতিক্রম করা অন্য ব্যাংকগুলোর মধ্যে রয়েছে বিদেশি স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া, সিটি ব্যাংক এনএ, ওয়ারী ব্যাংক এবং এইচএসবিসি ব্যাংক। এছাড়া অন্য বেসরকারি ব্যাংকগুলো হলো- দ্য সিটি ব্যাংক লিমিটেড, আইএফআইসি ব্যাংক লিমিটেড, উত্তরা ব্যাংক লিেিম্টড, ইস্টার্ণ ব্যাংক লিমিটেড, ডাচ-বাংলা ব্যাংক লিমিটেড, প্রিমিয়ার ব্যাংক লিমিটেড এবং দ্য ফারমার্স ব্যাংক লিমিটেড।

বিডিপ্রেস/মিঠু

এ সম্পর্কিত অন্যান্য খবর

BDpress

ঋণের বিপরীতে সবচেয়ে বেশি সুদ নিচ্ছে ব্র্যাক ব্যাংক


ঋণের বিপরীতে সবচেয়ে বেশি সুদ নিচ্ছে ব্র্যাক ব্যাংক

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ১৩ টি ব্যাংক স্প্রেড সীমা অতিক্রম করেছে। এদের মধ্যে  ঋণের বিপরীতে সবচেয়ে বেশি সুদ নিচ্ছে বেসরকারি খাতের ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড। ঋণের বিপরীতে ব্যাংকটি ১২ দশমিক ৩৮ শতাংশ সুদ আদায় করেছে। অন্যদিকে আমানতের বিপরীতে মাত্র ৩ দশমিক ৪৫ শতাংশ সুদ দিচ্ছে। ব্যাংকটির স্প্রেড ৮ দশমিক ৯৩ শতাংশ। এর পরেই রয়েছে বিদেশি স্ট্যান্ডার্ড চার্টাড ব্যাংক। ব্যাংকটির স্প্রেড ৮ দশমিক ১৭ শতাংশ।

মে মাস শেষে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে দেখা গেছে, রাষ্ট্রীয় মালিকানার সবগুলো বাণিজ্যিক ব্যাংক ও বিশেষায়িত ব্যাংকের স্প্রেড নির্ধারিত সীমার মধ্যে রয়েছে।

প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, মে শেষে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলো ঋণের ক্ষেত্রে ৮ দশমিক ৭১ শতাংশ হারে সুদ আদায় করেছে। আমানতের বিপরীতে দিয়েছে ৪ দশমিক ৬৯ শতাংশ সুদ। স্প্রেড দাঁড়িয়েছে ৪ দশমিক ০২ শতাংশীয় পয়েন্ট। বিশেষায়িত ব্যাংকের স্প্রেড সবচেয়ে কম। যা মাত্র ৩ দশমিক ১০ শতাংশ। বিশেষায়িত ব্যাংকগুলো আমানতের বিপরীতে দিয়েছে  ৫ দশমিক ৯৭ শতাংশ সুদ। ঋণের ক্ষেত্রে নিয়েছে ৯ দশমিক ০৭ শতাংশ সুদ।

বেসরকারি খাতের ৮ ব্যাংকের স্প্রেড ৫ শতাংশীয় পয়েন্টের ওপরে অবস্থান করছে। গত মে মাসে বেসরকারি ব্যাংকগুলো ঋণের ক্ষেত্রে গড়ে ১০ দশমিক ০৩ শতাংশ হারে সুদ আদায় করেছে। আমানতের বিপরীতে দিয়েছে ৫ দশমিক ২১ শতাংশ সুদ। গড় স্প্রেড দাঁড়িয়েছে ৪ দশমিক ৮২ শতাংশীয় পয়েন্ট।

বিদেশি ব্যাংকগুলোর স্প্রেড এখনও ৫ শতাংশীয় পয়েন্টের উপরে রয়েছে। বিদেশি ব্যাংকগুলো আমানতের বিপরীতে ১ দশমিক ৫৯ শতাংশ সুদ দিয়েছে। অন্যদিকে ঋণের বিপরীতে আদায় করছে ৭ দশমিক ৮৫ শতাংশ সুদ। এ খাতের ব্যাংকগুলোর স্প্রেড সবচেয়ে বেশি। যা ৬ দশমিক ২৬ শতাংশ।

স্প্রেড ৫ শতাংশীয় পয়েন্ট অতিক্রম করা অন্য ব্যাংকগুলোর মধ্যে রয়েছে বিদেশি স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া, সিটি ব্যাংক এনএ, ওয়ারী ব্যাংক এবং এইচএসবিসি ব্যাংক। এছাড়া অন্য বেসরকারি ব্যাংকগুলো হলো- দ্য সিটি ব্যাংক লিমিটেড, আইএফআইসি ব্যাংক লিমিটেড, উত্তরা ব্যাংক লিেিম্টড, ইস্টার্ণ ব্যাংক লিমিটেড, ডাচ-বাংলা ব্যাংক লিমিটেড, প্রিমিয়ার ব্যাংক লিমিটেড এবং দ্য ফারমার্স ব্যাংক লিমিটেড।

বিডিপ্রেস/মিঠু

স্পটলাইট