BDpress

সর্বোচ্চ অবস্থানে ডিএসইর বাজারমূলধন

নিজস্ব প্রতিবেদক

অ+ অ-
সর্বোচ্চ অবস্থানে ডিএসইর বাজারমূলধন
সপ্তাহের শেষ দিনে ইতিবাচক ছিল শেয়ারবাজার। বৃহস্পতিবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারের দাম বেড়েছে। ফলে মূল্যসূচক ও বাজারমূলধনে এর ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে। এর মধ্যে ডিএসইর সূচক বেড়েছে ৪৪ পয়েন্ট। আর বাজারমূলধন ৪ হাজার কোটি টাকা বেড়ে ৩ লাখ ৯১ হাজার কোটি টাকায় উন্নীত হয়েছে। ডিএসইর বাজারমূলধনের এ অবস্থান এ যাবৎকালের সর্বোচ্চ।এর আগে গত ১১ জুলাই ৩ লাখ ৮৯ হাজার কোটি টাকায় উঠেছিল বাজারমূলধন। তবে পরে আবার পতন হয়।

বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ডিএসইতে বৃহস্পতিবার ৩৩০টি প্রতিষ্ঠানের ৩১ কোটি ৬১ লাখ শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যার মোট মূল্য ১ হাজার ৯ কোটি ৩২ লাখ টাকা।

এর মধ্যে দাম বেড়েছে ২১০টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের, কমেছে ৭০টি এবং অপরিবর্তিত ছিল ৫০টি কোম্পানির শেয়ারের দাম। ডিএসইর ব্রডসূচক আগের দিনের চেয়ে ৪৪ দশমিক ৮ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ৮৩৪ দশমিক ৮৭ পয়েন্টে উন্নীত হয়েছে।

ডিএসই-৩০ মূল্যসূচক ১৪ দশমিক ৮৫ পয়েন্ট বেড়ে ২ হাজার ১৩১ দশমিক ১৬ পয়েন্টে উন্নীত হয়েছে। ডিএসইএস শরিয়াহ সূচক ১০ দশমিক ৩০ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৩২৭ পয়েন্টে উন্নীত হয়েছে। ডিএসইর বাজারমূলধন আগের দিনের চেয়ে বেড়ে ৩ লাখ ৯১ হাজার কোটি টাকায় উন্নীত হয়েছে। জানা গেছে, ডিএসইর বাজারমূলধন হল স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত সব কোম্পানির ওইদিনের বাজারমূলধন।

কোম্পানির শেয়ারের দাম বাড়লে বাজারমূলধন বাড়ে। আর শেয়ারের দাম কমলে মূলধন কমে। এ ছাড়া নতুন কোম্পানি তালিকাভুক্ত হলেও বাজারমূলধন বাড়ে। ২০১০ সালের ৮ ডিসেম্বর ডিএসইর বাজারমূলধন ছিল ৩ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকা।

যা ওইদিন পর্যন্ত সর্বোচ্চ রেকর্ড। এরপর বাজারে ভয়াবহ শুরু হয়। ফলে পরবর্তী ৪ বছরেও বাজার আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি। ২০১৪ সালে কিছুটা ইতিবাচক হয় বাজার। এরপর কয়েক দফা উত্থান-পতনের পর চলতি মাসের শুরুতে আবার বাড়তে থাকে বাজারমূলধন। এর ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার বাজারমূলধন স্মরণকালের সর্বোচ্চ রেকর্ড ছাড়িয়েছে।

বিডিপ্রেস/মিঠু

এ সম্পর্কিত অন্যান্য খবর

BDpress

সর্বোচ্চ অবস্থানে ডিএসইর বাজারমূলধন


সর্বোচ্চ অবস্থানে ডিএসইর বাজারমূলধন

বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ডিএসইতে বৃহস্পতিবার ৩৩০টি প্রতিষ্ঠানের ৩১ কোটি ৬১ লাখ শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যার মোট মূল্য ১ হাজার ৯ কোটি ৩২ লাখ টাকা।

এর মধ্যে দাম বেড়েছে ২১০টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের, কমেছে ৭০টি এবং অপরিবর্তিত ছিল ৫০টি কোম্পানির শেয়ারের দাম। ডিএসইর ব্রডসূচক আগের দিনের চেয়ে ৪৪ দশমিক ৮ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ৮৩৪ দশমিক ৮৭ পয়েন্টে উন্নীত হয়েছে।

ডিএসই-৩০ মূল্যসূচক ১৪ দশমিক ৮৫ পয়েন্ট বেড়ে ২ হাজার ১৩১ দশমিক ১৬ পয়েন্টে উন্নীত হয়েছে। ডিএসইএস শরিয়াহ সূচক ১০ দশমিক ৩০ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৩২৭ পয়েন্টে উন্নীত হয়েছে। ডিএসইর বাজারমূলধন আগের দিনের চেয়ে বেড়ে ৩ লাখ ৯১ হাজার কোটি টাকায় উন্নীত হয়েছে। জানা গেছে, ডিএসইর বাজারমূলধন হল স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত সব কোম্পানির ওইদিনের বাজারমূলধন।

কোম্পানির শেয়ারের দাম বাড়লে বাজারমূলধন বাড়ে। আর শেয়ারের দাম কমলে মূলধন কমে। এ ছাড়া নতুন কোম্পানি তালিকাভুক্ত হলেও বাজারমূলধন বাড়ে। ২০১০ সালের ৮ ডিসেম্বর ডিএসইর বাজারমূলধন ছিল ৩ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকা।

যা ওইদিন পর্যন্ত সর্বোচ্চ রেকর্ড। এরপর বাজারে ভয়াবহ শুরু হয়। ফলে পরবর্তী ৪ বছরেও বাজার আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি। ২০১৪ সালে কিছুটা ইতিবাচক হয় বাজার। এরপর কয়েক দফা উত্থান-পতনের পর চলতি মাসের শুরুতে আবার বাড়তে থাকে বাজারমূলধন। এর ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার বাজারমূলধন স্মরণকালের সর্বোচ্চ রেকর্ড ছাড়িয়েছে।

বিডিপ্রেস/মিঠু

স্পটলাইট