BDpress

ক্রিকেট না খেললে ড্রাগসে ডুবে যেতে পারতেন মঈন!

ক্রীড়া ডেস্ক

অ+ অ-
ক্রিকেট না খেললে ড্রাগসে ডুবে যেতে পারতেন মঈন!
ক্যারিয়ার জুড়েই দ্বিতীয় স্পিনারের তকমা। ব্যাটিং পজিশনে সব্যসাচী। এই 'দোষে' আসলে তাঁর নির্দিষ্ট কোন ব্যাটিং অর্ডার নাই। কখনো টপ অর্ডারে তো কখনো লোয়ার অর্ডারে। তারপরও ইংল্যান্ডের টেস্ট দলে বরাবর কাজের ভূমিকা রাখা মঈন আলি এবার আলো ছড়িয়েছেন হাত ঘুরিয়ে। রীতিমতো হ্যাটট্রিক করে ধসিয়ে দিয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকানদের। তার মুন্সিয়ানাতেই ওভাল টেস্টে ইংল্যান্ড জিতেছে ২৩৯ রানের বিশাল ব্যবধানে। ৪ ম্যাচের সিরিজের ৩ টেস্ট শেষে স্বাগতিকদের লিড এখন ২-১। মঈন ইতিহাসের চতুর্থ বোলার হ্যাটট্রিক করে যিনি দলকে ম্যাচ জিতেয়েছেন। ওভালে মাঠের ইতিহাসে ১০০ টেস্টে হ্যাটট্রিক করা একমাত্র বোলারও তিনি।

বার্মিংহামের মোসলে অ্যাশফিল্ড ক্লাব দিয়ে ক্রিকেট শুরু করা মঈন এমন নৈপুণ্যে বেজায় উচ্ছ্বসিত। 'এটা অসাধারণ অনুভূতি, মোসলে অ্যাশফিল্ডের হয়েও কোনোদিন হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনা তৈরি করতে পারিনি।' এই কথা বলে মঈন আরো জানালেন, বাড়ি ফিরতে মুখিয়ে আছেন। সেখানে সবার সঙ্গে ভাগ করে নিতে চান এই সাফল্য।

এতো যে সাফল্য ক্রিকেটের হাত ধরে, একটু এদিক সেদিক হলে ক্রিকেটেই আসা হতো না তার। দক্ষিণ এশিয়ান অভিবাসী পরিবারের সন্তান মঈনরা বেড়ে উঠেছেন বার্মিংহামে। কৈশরে ছিলো নানা অপরাধে জড়িয়ে পড়ার হাতছানি। তার বয়সী বন্ধুদের অনেকেই ড্রাগসেই যেখানে ডুবে ছিলেন মঈন ডুবেছিলেন ক্রিকেটে। এতে অবশ্য বড় অবদান তার বাবার। বাড়ির লনে ক্রিকেট খেলার পিচ বানিয়ে দিয়েছিলেন বাবা। ভাইদের সঙ্গে ক্রিকেটে মজে থাকায় এড়াতে পেরেছিলেন অন্ধকার জগত। বললেন, 'আমি জানি না ক্রিকেট না খেললে আমি কি হতাম। হয়তো কিছুই করতাম না।'

ক্রিকেটের বাইরে ব্যক্তিজীবনে তিনি ভীষণ ধর্মপ্রাণ মুসলিম। ক্যারিয়ার শেষে স্থানীয় মসজিদের শৌচাগার পরিচ্ছন্নতার কাজে জড়াতে চান। 'এমন কাজ করতে আমি কখনো দ্বিধাগ্রস্থ হবো না, বরং শান্তি পাব-' মন থেকে বলেন মঈন। ওভাল টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে এই অফ স্পিনার হ্যাটট্রিকসহ পেয়েছেন ৪ উইকেট। ১৮ উইকেট নিয়ে সিরিজে মঈনই সবচেয়ে বেশি উইকেট পাওয়া বোলার। ৪০ টেস্টে ২০৯০ রান করার পাশাপাশি শিকার করেছেন ১১৬ উইকেট।

বিডিপ্রেস/মিঠু

এ সম্পর্কিত অন্যান্য খবর

BDpress

ক্রিকেট না খেললে ড্রাগসে ডুবে যেতে পারতেন মঈন!


ক্রিকেট না খেললে ড্রাগসে ডুবে যেতে পারতেন মঈন!

বার্মিংহামের মোসলে অ্যাশফিল্ড ক্লাব দিয়ে ক্রিকেট শুরু করা মঈন এমন নৈপুণ্যে বেজায় উচ্ছ্বসিত। 'এটা অসাধারণ অনুভূতি, মোসলে অ্যাশফিল্ডের হয়েও কোনোদিন হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনা তৈরি করতে পারিনি।' এই কথা বলে মঈন আরো জানালেন, বাড়ি ফিরতে মুখিয়ে আছেন। সেখানে সবার সঙ্গে ভাগ করে নিতে চান এই সাফল্য।

এতো যে সাফল্য ক্রিকেটের হাত ধরে, একটু এদিক সেদিক হলে ক্রিকেটেই আসা হতো না তার। দক্ষিণ এশিয়ান অভিবাসী পরিবারের সন্তান মঈনরা বেড়ে উঠেছেন বার্মিংহামে। কৈশরে ছিলো নানা অপরাধে জড়িয়ে পড়ার হাতছানি। তার বয়সী বন্ধুদের অনেকেই ড্রাগসেই যেখানে ডুবে ছিলেন মঈন ডুবেছিলেন ক্রিকেটে। এতে অবশ্য বড় অবদান তার বাবার। বাড়ির লনে ক্রিকেট খেলার পিচ বানিয়ে দিয়েছিলেন বাবা। ভাইদের সঙ্গে ক্রিকেটে মজে থাকায় এড়াতে পেরেছিলেন অন্ধকার জগত। বললেন, 'আমি জানি না ক্রিকেট না খেললে আমি কি হতাম। হয়তো কিছুই করতাম না।'

ক্রিকেটের বাইরে ব্যক্তিজীবনে তিনি ভীষণ ধর্মপ্রাণ মুসলিম। ক্যারিয়ার শেষে স্থানীয় মসজিদের শৌচাগার পরিচ্ছন্নতার কাজে জড়াতে চান। 'এমন কাজ করতে আমি কখনো দ্বিধাগ্রস্থ হবো না, বরং শান্তি পাব-' মন থেকে বলেন মঈন। ওভাল টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে এই অফ স্পিনার হ্যাটট্রিকসহ পেয়েছেন ৪ উইকেট। ১৮ উইকেট নিয়ে সিরিজে মঈনই সবচেয়ে বেশি উইকেট পাওয়া বোলার। ৪০ টেস্টে ২০৯০ রান করার পাশাপাশি শিকার করেছেন ১১৬ উইকেট।

বিডিপ্রেস/মিঠু

স্পটলাইট