BDpress

রেলওয়ের টিকিটের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মামলা

জেলা প্রতিনিধি

অ+ অ-
রেলওয়ের টিকিটের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মামলা
সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া রেলস্টেশনে রেলওয়ের টিকিট বিক্রির টাকা আত্মসাতের অভিযোগে স্টেশনমাস্টারসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। মঙ্গলবার দুর্নীতি দমন কমিশন সমন্বিত জেলা কার্যালয় পাবনার সহকারী পরিচালক শেখ গোলাম মওলা বাদী হয়ে সিরাজগঞ্জ রেলওয়ে থানায় তিনটি মামলা করেন।

মামলার আসামিরা হলেন উল্লাপাড়ার সাবেক স্টেশনমাস্টার (বর্তমানে নাটোর স্টেশনে কর্মরত) খান মো. মনিরুজ্জামান, বুকিং সহকারী (বর্তমানে চাকরিচ্যুত) মো. রোকনুজ্জামান, বুকিং সহকারী (বর্তমানে কুষ্টিয়া জেলার পোড়াদহ রেলস্টেশনে কর্মরত) শেখ আশরাফুজ্জামান, বুকিং সহকারী (বর্তমানে সিরাজগঞ্জ শহীদ এম মনসুর আলী রেলস্টেশনে কর্মরত) মো. হাফিজুর রহমান ও সিএনএস লিমিটেডের সাবেক ফিল্ড ইঞ্জিনিয়ার মো. রেজওয়ান আহমেদ।

মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ২০১০ সাল থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত উল্লাপাড়া রেলস্টেশনে বিভিন্ন ট্রেনের টিকিট বিক্রয়ের ২৮লাখ ৩৬ হাজার ২০৭ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা না দিয়ে আত্মসাৎ করেছেন।

মামলার বাদী শেখ গোলাম মওলা জানান, বিএনপির অসহযোগ আন্দোলনের সময় হরতাল চলাকালে ট্রেনের শিডিউল বিপর্যয় দেখা দেয়। এ সময় আসামিরা বিক্রি করা টিকিট যাত্রীদের কাছ থেকে ফেরত নেওয়ার পর সেই টিকিট কর্তৃপক্ষের কাছে ফেরত দেখায়, এরপর তাদের নিজ নিজ আইডি ব্যবহার করে পুনরায় সেই টিকিট বিক্রি করেন। এ ছাড়া তাঁরা অগ্রিম বিক্রীত টিকিট কম্পিউটারের সার্ভারে ইস্যু না দেখিয়ে টাকা আত্মসাৎ করেন। সব মিলিয়ে তাঁরা ২৮ লাখের বেশি টাকা আত্মসাৎ করেছেন। অভিযোগ পাওয়ার পর প্রাথমিক তদন্তে বিষয়টি প্রমাণিত হয়। পরে আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা করার অনুমতি চেয়ে দুদক প্রধান কার্যালয়ে চিঠি দেওয়া হয়। অনুমোদন পাওয়ার পর আজ মামলাগুলো করা হলো।

এ বিষয়ে সিরাজগঞ্জ রেলওয়ে থানা (জিআরপি) ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাঈদ ইকবাল জানান, মামলাটি দুদক আইনভুক্ত। যে কারণে মামলাটি গ্রহণ করার পর নথিপত্র পাবনায় দুদক জেলা কার্যালয়ে পাঠানো হবে। কার্যালয়ের উপপরিচালক আবুবকর সিদ্দিক মামলাটি তদন্ত করবেন।

বিডিপ্রেস/মিঠু

এ সম্পর্কিত অন্যান্য খবর

BDpress

রেলওয়ের টিকিটের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মামলা


রেলওয়ের টিকিটের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মামলা

মামলার আসামিরা হলেন উল্লাপাড়ার সাবেক স্টেশনমাস্টার (বর্তমানে নাটোর স্টেশনে কর্মরত) খান মো. মনিরুজ্জামান, বুকিং সহকারী (বর্তমানে চাকরিচ্যুত) মো. রোকনুজ্জামান, বুকিং সহকারী (বর্তমানে কুষ্টিয়া জেলার পোড়াদহ রেলস্টেশনে কর্মরত) শেখ আশরাফুজ্জামান, বুকিং সহকারী (বর্তমানে সিরাজগঞ্জ শহীদ এম মনসুর আলী রেলস্টেশনে কর্মরত) মো. হাফিজুর রহমান ও সিএনএস লিমিটেডের সাবেক ফিল্ড ইঞ্জিনিয়ার মো. রেজওয়ান আহমেদ।

মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ২০১০ সাল থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত উল্লাপাড়া রেলস্টেশনে বিভিন্ন ট্রেনের টিকিট বিক্রয়ের ২৮লাখ ৩৬ হাজার ২০৭ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা না দিয়ে আত্মসাৎ করেছেন।

মামলার বাদী শেখ গোলাম মওলা জানান, বিএনপির অসহযোগ আন্দোলনের সময় হরতাল চলাকালে ট্রেনের শিডিউল বিপর্যয় দেখা দেয়। এ সময় আসামিরা বিক্রি করা টিকিট যাত্রীদের কাছ থেকে ফেরত নেওয়ার পর সেই টিকিট কর্তৃপক্ষের কাছে ফেরত দেখায়, এরপর তাদের নিজ নিজ আইডি ব্যবহার করে পুনরায় সেই টিকিট বিক্রি করেন। এ ছাড়া তাঁরা অগ্রিম বিক্রীত টিকিট কম্পিউটারের সার্ভারে ইস্যু না দেখিয়ে টাকা আত্মসাৎ করেন। সব মিলিয়ে তাঁরা ২৮ লাখের বেশি টাকা আত্মসাৎ করেছেন। অভিযোগ পাওয়ার পর প্রাথমিক তদন্তে বিষয়টি প্রমাণিত হয়। পরে আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা করার অনুমতি চেয়ে দুদক প্রধান কার্যালয়ে চিঠি দেওয়া হয়। অনুমোদন পাওয়ার পর আজ মামলাগুলো করা হলো।

এ বিষয়ে সিরাজগঞ্জ রেলওয়ে থানা (জিআরপি) ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাঈদ ইকবাল জানান, মামলাটি দুদক আইনভুক্ত। যে কারণে মামলাটি গ্রহণ করার পর নথিপত্র পাবনায় দুদক জেলা কার্যালয়ে পাঠানো হবে। কার্যালয়ের উপপরিচালক আবুবকর সিদ্দিক মামলাটি তদন্ত করবেন।

বিডিপ্রেস/মিঠু

স্পটলাইট