BDpress

নুর নিলুফার হিজাব ফ্যাশন

বিডিপ্রেস ডেস্ক

অ+ অ-
নুর নিলুফার হিজাব ফ্যাশন
মালয়েশিয়ার জনপ্রিয় অভিনেত্রী এবং টিভি উপস্থাপিকা নুর নিলুফার, যিনি দেশে নিলুফা নামে পরিচিত। তার প্রধান ফ্যাশন হেডস্কার্ফ। পোশাকের ক্ষেত্রেও ভক্তরা অনুসরণ করে তাকে। টুইটারে ১৪ লাখ এবং ফেসবুকে ২২ লাখ ফলোয়ার (অনুসারী) আছে মালয়েশিয়ার ২৬ বছর বয়সী এই বিউটি কুইনের। ‘

নিলুফার হিজাব’ নামে পারিবারিক একটি হেডস্কার্ফের প্রতিষ্ঠান আছে তাদের। মালয়েশিয়ার সবচেয়ে বড় হেডস্কার্ফের প্রতিষ্ঠান এটি। দেশে হিজাবের চাহিদা পূরণ করে তারা এখন বিদেশেও রপ্তানি করছে ফ্যাশন পণ্যটি।

হিজাব ফ্যাশন-শো

নিলুফার হিজাবের কোনো স্কার্ফের মূল্যই ১০০ রিংগিতের (২৪ ডলার) বেশি না। চলতি বছর তাদের বিক্রয়ের পরিমাণ ৫ কোটি রিংগিত। সারা দেশে ৭০০ পরিবেশকের মাধ্যমে বিপণন করছেন তারা। অনলাইনেও হিজাব বিক্রি করে থাকে এ প্রতিষ্ঠান। সিঙ্গাপুর, ব্রুনাই, লন্ডন, অস্ট্রেলিয়া, নেদারল্যান্ডস এবং যুক্তরাষ্ট্রে পরিবেশক আছে নিলুফার হিজাবের।

নিলুফারের বোন ও কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক নুর নাবিলা (৩০) বলেন, ‘আমরা অবাক এবং বিস্মিত হয়েছি। আমরা যখন শুরু করি তখন ভাবতেই পারিনি এতোটা সাড়া পাবো।’ গত ৩০ বছরে মধ্যপ্রাচ্য এবং দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে বেড়েছে হিজাবের ব্যবহার। 

ইসলামি ফ্যাশন ডিজাইন কাউন্সিলের আলিয়া খান বিশ্বাস করেন, এটা হচ্ছে মূল্যবোধের দিকে ফিরে আসা। তিনি জানান, ৪০টি দেশে তাদের কাউন্সিলের ৫ হাজার ডিজাইনার আছে। চাহিদা দিন দিন বেড়েই চলেছে। হিজাবের সবচেয়ে বড় বাজার তুরস্ক। ইন্দোনেশিয়াতেও বাড়ছে চাহিদা। যুক্তরাজ্যের বাণিজ্যভিত্তিক ম্যাগাজিন ‘বিজনেস অব ফ্যাশন’ বিশ্বের ৫০০ প্রভাবশালী ফ্যাশন ডিজাইনারের তালিকায় রেখেছে দেশটির প্রধান হিজাব ডিজাইনার দিয়ান পেলাঙ্গিকে। 

মুসলিম সংখ্যালঘু পশ্চিমা দেশগুলোতেও এখন আগের চেয়ে বেশি দেখা যায় হিজাবপরা নারীদের। বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম পোশাক প্রতিষ্ঠান যুক্তরাজ্যের এইচ অ্যান্ড এম’র মডেল মারিয়া ইদ্রিসি দেশটির প্রথম হিজাবপরা তারকা। চলতি বছর লন্ডন ফ্যাশন উইকে তার থেকে অনুপ্রাণিত হয়েছে অনেক পশ্চিমা ডিজাইনার। 

বিশ্বব্যাপী আধুনিক মুসলিম তরুণীদের একটি নিত্যদিনের ফ্যাশনে পরিণত হয়েছে হেডস্কার্ফ বা হিজাব। বিশেষ করে মুসলিমপ্রধান দেশগুলোতেই দিন দিন বেড়ে চলেছে এর ব্যবহার। কোরআনে মুসলিম পুরুষ এবং নারী উভয়কেই পর্দা করার জন্য বলা হয়েছে। এ কারণেই মুসলিম দেশগুলোর বেশিরভাগ নারী হিজাব বা হেডস্কার্ফ ব্যবহার করে থাকেন। 

তবে হিজাব এখন রীতিমতো ফ্যাশন এবং একইসঙ্গে রমরমা একটি বাণিজ্যে পরিণত হচ্ছে এই পোশাক। ক্রমবর্ধমান চাহিদার কারণে এটি এখন অনেক দেশেই একটি উদীয়মান শিল্প। বিবিসির এক প্রতিবেদন অনুসারে, ২০১৪ সালে বিশ্বব্যাপী হেডস্কার্ফের ব্যবসা হয়েছে প্রায় ২৩ হাজার কোটি মার্কিন ডলার। ধারণা করা হচ্ছে, ২০২০ সাল নাগাদ এর বাণিজ্য ৩২ হাজার ৭০০ কোটি ডলার ছাড়িয়ে যাবে। 

তথ্য ও ছবি : ইন্টারনেট 

বিডিপ্রেস/আরজে

এ সম্পর্কিত অন্যান্য খবর

BDpress

নুর নিলুফার হিজাব ফ্যাশন


নুর নিলুফার হিজাব ফ্যাশন

নিলুফার হিজাব’ নামে পারিবারিক একটি হেডস্কার্ফের প্রতিষ্ঠান আছে তাদের। মালয়েশিয়ার সবচেয়ে বড় হেডস্কার্ফের প্রতিষ্ঠান এটি। দেশে হিজাবের চাহিদা পূরণ করে তারা এখন বিদেশেও রপ্তানি করছে ফ্যাশন পণ্যটি।

হিজাব ফ্যাশন-শো

নিলুফার হিজাবের কোনো স্কার্ফের মূল্যই ১০০ রিংগিতের (২৪ ডলার) বেশি না। চলতি বছর তাদের বিক্রয়ের পরিমাণ ৫ কোটি রিংগিত। সারা দেশে ৭০০ পরিবেশকের মাধ্যমে বিপণন করছেন তারা। অনলাইনেও হিজাব বিক্রি করে থাকে এ প্রতিষ্ঠান। সিঙ্গাপুর, ব্রুনাই, লন্ডন, অস্ট্রেলিয়া, নেদারল্যান্ডস এবং যুক্তরাষ্ট্রে পরিবেশক আছে নিলুফার হিজাবের।

নিলুফারের বোন ও কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক নুর নাবিলা (৩০) বলেন, ‘আমরা অবাক এবং বিস্মিত হয়েছি। আমরা যখন শুরু করি তখন ভাবতেই পারিনি এতোটা সাড়া পাবো।’ গত ৩০ বছরে মধ্যপ্রাচ্য এবং দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে বেড়েছে হিজাবের ব্যবহার। 

ইসলামি ফ্যাশন ডিজাইন কাউন্সিলের আলিয়া খান বিশ্বাস করেন, এটা হচ্ছে মূল্যবোধের দিকে ফিরে আসা। তিনি জানান, ৪০টি দেশে তাদের কাউন্সিলের ৫ হাজার ডিজাইনার আছে। চাহিদা দিন দিন বেড়েই চলেছে। হিজাবের সবচেয়ে বড় বাজার তুরস্ক। ইন্দোনেশিয়াতেও বাড়ছে চাহিদা। যুক্তরাজ্যের বাণিজ্যভিত্তিক ম্যাগাজিন ‘বিজনেস অব ফ্যাশন’ বিশ্বের ৫০০ প্রভাবশালী ফ্যাশন ডিজাইনারের তালিকায় রেখেছে দেশটির প্রধান হিজাব ডিজাইনার দিয়ান পেলাঙ্গিকে। 

মুসলিম সংখ্যালঘু পশ্চিমা দেশগুলোতেও এখন আগের চেয়ে বেশি দেখা যায় হিজাবপরা নারীদের। বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম পোশাক প্রতিষ্ঠান যুক্তরাজ্যের এইচ অ্যান্ড এম’র মডেল মারিয়া ইদ্রিসি দেশটির প্রথম হিজাবপরা তারকা। চলতি বছর লন্ডন ফ্যাশন উইকে তার থেকে অনুপ্রাণিত হয়েছে অনেক পশ্চিমা ডিজাইনার। 

বিশ্বব্যাপী আধুনিক মুসলিম তরুণীদের একটি নিত্যদিনের ফ্যাশনে পরিণত হয়েছে হেডস্কার্ফ বা হিজাব। বিশেষ করে মুসলিমপ্রধান দেশগুলোতেই দিন দিন বেড়ে চলেছে এর ব্যবহার। কোরআনে মুসলিম পুরুষ এবং নারী উভয়কেই পর্দা করার জন্য বলা হয়েছে। এ কারণেই মুসলিম দেশগুলোর বেশিরভাগ নারী হিজাব বা হেডস্কার্ফ ব্যবহার করে থাকেন। 

তবে হিজাব এখন রীতিমতো ফ্যাশন এবং একইসঙ্গে রমরমা একটি বাণিজ্যে পরিণত হচ্ছে এই পোশাক। ক্রমবর্ধমান চাহিদার কারণে এটি এখন অনেক দেশেই একটি উদীয়মান শিল্প। বিবিসির এক প্রতিবেদন অনুসারে, ২০১৪ সালে বিশ্বব্যাপী হেডস্কার্ফের ব্যবসা হয়েছে প্রায় ২৩ হাজার কোটি মার্কিন ডলার। ধারণা করা হচ্ছে, ২০২০ সাল নাগাদ এর বাণিজ্য ৩২ হাজার ৭০০ কোটি ডলার ছাড়িয়ে যাবে। 

তথ্য ও ছবি : ইন্টারনেট 

বিডিপ্রেস/আরজে

স্পটলাইট