BDpress

রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে ড. ইউনূসের সাত প্রস্তাব

নিজস্ব প্রতিবেদক

অ+ অ-
রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে ড. ইউনূসের সাত প্রস্তাব
বাংলাদেশি অর্থনীতিবিদ ও ২০০৬ সালে শান্তিতে নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস শান্তির পথ বেছে নিতে শান্তিতে আরেক নোবেল বিজয়ী অং সান সুচির প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ‘দ্য ন্যাশনাল’-এ লেখা এক নিবন্ধে তিনি মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সিলরের প্রতি এ আহ্বান জানান।

সেখানে তিনি আরও লিখেছেন, সুচির উচিত রোহিঙ্গাদের বলা যে, মিয়ানমার যেমন তার দেশ তেমনি এতে রোহিঙ্গাদেরও সমান অধিকার আছে।

রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে মিয়ানমারের সরকারকে ৭টি পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বানও জানিয়েছেন  ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এগুলো হলো -এগুলো  হচ্ছে- কফি আনান কমিশন হিসেবে পরিচিত অ্যাডভাইজার কমিশন অব রাখাইন স্টেট (এসিআরএস) এর সুপারিশকৃত পরামর্শগুলো বাস্তবায়ন হচ্ছে কি না তা নজরদারি করা, মিয়ানমারে সহিংসতা নিরসনে অবিলম্বে কার্যকর পদক্ষেপ ও রোহিঙ্গাদের দেশত্যাগ থেকে বিরত রাখা, মিয়ানমারের বিভিন্ন স্পর্শকাতর অঞ্চলে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের নিয়মিত প্রবেশগম্যতা নিশ্চিত করা, মিয়ানমার ত্যাগকারী রোহিঙ্গাদের দেশে ফিরে যাওয়ার পরিবেশ তৈরি করা, মিয়ানমারের ভেতরে শরণার্থী শিবির তৈরি করা এবং জাতিসংঘের অর্থায়নে ও তত্ত্বাবধানে তাদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা, এসিআরএসের প্রতিবেদনের সুপারিশ অনুযায়ী রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারের নাগরিকত্ব দেয়া, মিয়ানমারের সব নাগরিককে রাজনৈতিক ও চলাফেরার মুক্তির নিশ্চয়তা দেয়া।

বিডিপ্রেস/আরজে

এ সম্পর্কিত অন্যান্য খবর

BDpress

রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে ড. ইউনূসের সাত প্রস্তাব


রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে ড. ইউনূসের সাত প্রস্তাব

সেখানে তিনি আরও লিখেছেন, সুচির উচিত রোহিঙ্গাদের বলা যে, মিয়ানমার যেমন তার দেশ তেমনি এতে রোহিঙ্গাদেরও সমান অধিকার আছে।

রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে মিয়ানমারের সরকারকে ৭টি পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বানও জানিয়েছেন  ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এগুলো হলো -এগুলো  হচ্ছে- কফি আনান কমিশন হিসেবে পরিচিত অ্যাডভাইজার কমিশন অব রাখাইন স্টেট (এসিআরএস) এর সুপারিশকৃত পরামর্শগুলো বাস্তবায়ন হচ্ছে কি না তা নজরদারি করা, মিয়ানমারে সহিংসতা নিরসনে অবিলম্বে কার্যকর পদক্ষেপ ও রোহিঙ্গাদের দেশত্যাগ থেকে বিরত রাখা, মিয়ানমারের বিভিন্ন স্পর্শকাতর অঞ্চলে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের নিয়মিত প্রবেশগম্যতা নিশ্চিত করা, মিয়ানমার ত্যাগকারী রোহিঙ্গাদের দেশে ফিরে যাওয়ার পরিবেশ তৈরি করা, মিয়ানমারের ভেতরে শরণার্থী শিবির তৈরি করা এবং জাতিসংঘের অর্থায়নে ও তত্ত্বাবধানে তাদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা, এসিআরএসের প্রতিবেদনের সুপারিশ অনুযায়ী রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারের নাগরিকত্ব দেয়া, মিয়ানমারের সব নাগরিককে রাজনৈতিক ও চলাফেরার মুক্তির নিশ্চয়তা দেয়া।

বিডিপ্রেস/আরজে

স্পটলাইট