BDpress

কীটনাশক ছাড়াই ক্ষেতের পোকা দমন

জেলা প্রতিনিধি

অ+ অ-
কীটনাশক ছাড়াই ক্ষেতের পোকা দমন
দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার কৃষকেরা এবার ধানক্ষেতে দুটি পাচিং পদ্ধতির মাধ্যমে ক্ষতিকারক পোকামাকড় দমনে কাজ করছেন বলে জানা গেছে। কেননা পাচিং পদ্ধতিতে ধানক্ষেতের পোকামাকড় দমনে একদিকে ফসলের উৎপাদন খরচ কম হয়, অন্যদিকে ফলনও বাড়ে। প্রায় দিন দিন এই বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি এলাকার কৃষকের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।

কৃষিবিভাগ জানায়, ধানের জমিতে ডেথ পাচিং অর্থাৎ বাঁশ বা ডাল-পালা পুঁতে এবং লাইফ পাচিং অর্থাৎ জমিতে বিশেষ দূরত্বে ধইঞ্চা গাছ লাগিয়ে পাখি বসার ব্যবস্থা করলে কীটনাশক ছাড়ায় ফসলের পোকামাকড় দমন করা যায়। এবার উপজেলায় ৭০ ভাগ জমিতে কৃষকেরা এই বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির মাধ্যমে পোকামাকড় দমন করছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. শামীম বলেন, ধানক্ষেতে ডেথ বা লাইফ পাচিং পদ্ধতিতে পাখি বসার ব্যবস্থা করা হলে পাখিরা সহজেই ধানের মাজরা ফুতি সহ ক্ষতিকারক পোকাগুলো খেয়ে পোকার বংশবিস্তার রোধ করবে। এটি জৈবিক বালাই দমন পদ্ধতি হওয়ায় কীটনাশক ব্যবহারের প্রয়োজন হয় না। তাছাড়া বৈজ্ঞানিক এই পদ্ধতি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে।

অন্যান্য বারের তুলনায় আবাদ হয়েছে অনেক ভাল আর এই কারণে এবার কৃষকেরা বাম্পার ফলনের স্বপ্ন দেখছে। উপজেলার ডুডিয়া গ্রামের হরিশ চন্দ্র রায় বলেন, এবারে আমি অন্যান্যদের দেখাদেখি আমন ধানের ক্ষেতে কীটনাশকের পরিবর্তে লাইফ পাচিং পদ্ধতি ব্যবহার করায় কম খরচে ধানের বাম্পার ফলন পাবো বলে আশা করছি।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, উপজেলায় এবার ৬টি ইউনিয়নে ১৩ হাজার ৭৫৪ হেক্টর জমিতে আমন ধানের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। বর্তমানে তা অতিক্রম করে ১৪ হাজার ২৫০ হেক্টর জমিতে আমন চাষ করা হয়েছে। কৃষকেরা জানান, এবার আমন ধান চাষাবাদের তারা কীটনাশকের পরিবর্তে ডেথ ও লাইফ পাচিং এর মাধ্যমে পাখি বসার ব্যবস্থা করেছে। এছাড়া বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি প্রয়োগ করে উৎপাদন খরচ কমিয়ে আনতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। বর্তমানে ধানক্ষেতে রোগ বালাই কম।

বিডিপ্রেস/মিঠু

এ সম্পর্কিত অন্যান্য খবর

BDpress

কীটনাশক ছাড়াই ক্ষেতের পোকা দমন


কীটনাশক ছাড়াই ক্ষেতের পোকা দমন

কৃষিবিভাগ জানায়, ধানের জমিতে ডেথ পাচিং অর্থাৎ বাঁশ বা ডাল-পালা পুঁতে এবং লাইফ পাচিং অর্থাৎ জমিতে বিশেষ দূরত্বে ধইঞ্চা গাছ লাগিয়ে পাখি বসার ব্যবস্থা করলে কীটনাশক ছাড়ায় ফসলের পোকামাকড় দমন করা যায়। এবার উপজেলায় ৭০ ভাগ জমিতে কৃষকেরা এই বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির মাধ্যমে পোকামাকড় দমন করছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. শামীম বলেন, ধানক্ষেতে ডেথ বা লাইফ পাচিং পদ্ধতিতে পাখি বসার ব্যবস্থা করা হলে পাখিরা সহজেই ধানের মাজরা ফুতি সহ ক্ষতিকারক পোকাগুলো খেয়ে পোকার বংশবিস্তার রোধ করবে। এটি জৈবিক বালাই দমন পদ্ধতি হওয়ায় কীটনাশক ব্যবহারের প্রয়োজন হয় না। তাছাড়া বৈজ্ঞানিক এই পদ্ধতি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে।

অন্যান্য বারের তুলনায় আবাদ হয়েছে অনেক ভাল আর এই কারণে এবার কৃষকেরা বাম্পার ফলনের স্বপ্ন দেখছে। উপজেলার ডুডিয়া গ্রামের হরিশ চন্দ্র রায় বলেন, এবারে আমি অন্যান্যদের দেখাদেখি আমন ধানের ক্ষেতে কীটনাশকের পরিবর্তে লাইফ পাচিং পদ্ধতি ব্যবহার করায় কম খরচে ধানের বাম্পার ফলন পাবো বলে আশা করছি।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, উপজেলায় এবার ৬টি ইউনিয়নে ১৩ হাজার ৭৫৪ হেক্টর জমিতে আমন ধানের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। বর্তমানে তা অতিক্রম করে ১৪ হাজার ২৫০ হেক্টর জমিতে আমন চাষ করা হয়েছে। কৃষকেরা জানান, এবার আমন ধান চাষাবাদের তারা কীটনাশকের পরিবর্তে ডেথ ও লাইফ পাচিং এর মাধ্যমে পাখি বসার ব্যবস্থা করেছে। এছাড়া বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি প্রয়োগ করে উৎপাদন খরচ কমিয়ে আনতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। বর্তমানে ধানক্ষেতে রোগ বালাই কম।

বিডিপ্রেস/মিঠু

স্পটলাইট