BDpress

‘সুপার–সাবে’ অ্যাটলেটিকো–জয় চেলসির

ক্রীড়া ডেস্ক

অ+ অ-
‘সুপার–সাবে’ অ্যাটলেটিকো–জয় চেলসির
মিচি বাতশুয়াইকে বেঞ্চেই বসিয়ে রেখেছিলেন চেলসি কোচ অ্যান্তোনীয় কন্তে। শেষ পর্যন্ত সেই বেঞ্চ গরম করা বাতশুয়াইই ‘হিরো’ অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের বিপক্ষে। ম্যাচের একেবারে শেষ মুহূর্তে তাঁর পা থেকে আসা গোলেই যে অ্যাটলেটিকোকে ২-১ গোলে হারিয়েছে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।

ম্যাচের ৪০ মিনিটে আঁতোয়া গ্রিজমানের পেনাল্টি গোলে নিজেদের নতুন মাঠ ওয়ান্ডা মেট্রোপলিতানোকে আনন্দে ভাসিয়েছিল অ্যাটলেটিকো। কিন্তু ৬০ মিনিটে এডেন হ্যাজার্ডের ক্রসে মাথা ছুঁইয়ে চেলসিকে সমতায় ফেরান সাবেক রিয়াল মাদ্রিদ তারকা আলভারো মোরাতা। মোরাতা অবশ্য খেলোয়াড়ি জীবনের শুরুর দিকে অ্যাটলেটিকোর যুব-প্রকল্পের অংশ ছিলেন।
মোরাতার বদলি হিসেবেই মাঠে নেমেছিলেন বাতশুয়াই। খেলার শেষ বাঁশি বাজার তখন আরও ৭ মিনিট বাকি। খেলার শেষ লগ্নে তিনিই ওয়ান্ডা মেট্রোপলিতানোতে চ্যাম্পিয়নস লিগের অভিষেকটা মাটি করে দিলেন মারকুস আলোনসোর একটি কাট ব্যাক থেকে গোল করে।

ম্যাচ শেষে কোচ কন্তের মুখে ছিল কেবলই বাতশুয়াই। এই বেলজিয়ান ফুটবলার গত মৌসুমে বদলি হিসেবে মাঠে নেমে ওয়েস্ট ব্রমউইচের বিপক্ষে জিতিয়েছিলেন স্টামফোর্ড ব্রিজের সৈনিকদের। সেই ম্যাচ জিতেই ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের শিরোপাটা নিশ্চিত করেছিল তারা। ২০১৬ সালে অলিম্পিক মার্শেই থেকে চেলসিতে এসে অবধি খুব যে আনন্দে আছেন, সেটি বলা যাবে না। ইংলিশ ক্লাবটিতে এই বেলজিয়ান ঠিকমতো মানিয়ে নিতে পারেননি বলেই অভিযোগ।

আজ সেই বাতশুয়াইকে নিয়ে রীতিমতো উচ্ছ্বসিত কোচ কন্তে, ‘একজন স্ট্রাইকারের জন্য গোল করাটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। ভুলে গেলে চলবে না, মিচি তরুণ প্রতিভা। গত মৌসুমে সে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের শক্ত জগতে ঠিকমতো নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে লড়াই করে যাচ্ছিল। আমার মতে, সে আগের চেয়ে অনেক উন্নতি করেছে। সে প্রচণ্ড পরিশ্রম করছে নিজেকে উত্তরণের জন্য। তবে যখনই সুযোগ আসবে, সেটা কাজে লাগানোটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।’

সূত্র: রয়টার্স

বিডিপ্রেস/মিঠু

এ সম্পর্কিত অন্যান্য খবর

BDpress

‘সুপার–সাবে’ অ্যাটলেটিকো–জয় চেলসির


‘সুপার–সাবে’ অ্যাটলেটিকো–জয় চেলসির

ম্যাচের ৪০ মিনিটে আঁতোয়া গ্রিজমানের পেনাল্টি গোলে নিজেদের নতুন মাঠ ওয়ান্ডা মেট্রোপলিতানোকে আনন্দে ভাসিয়েছিল অ্যাটলেটিকো। কিন্তু ৬০ মিনিটে এডেন হ্যাজার্ডের ক্রসে মাথা ছুঁইয়ে চেলসিকে সমতায় ফেরান সাবেক রিয়াল মাদ্রিদ তারকা আলভারো মোরাতা। মোরাতা অবশ্য খেলোয়াড়ি জীবনের শুরুর দিকে অ্যাটলেটিকোর যুব-প্রকল্পের অংশ ছিলেন।
মোরাতার বদলি হিসেবেই মাঠে নেমেছিলেন বাতশুয়াই। খেলার শেষ বাঁশি বাজার তখন আরও ৭ মিনিট বাকি। খেলার শেষ লগ্নে তিনিই ওয়ান্ডা মেট্রোপলিতানোতে চ্যাম্পিয়নস লিগের অভিষেকটা মাটি করে দিলেন মারকুস আলোনসোর একটি কাট ব্যাক থেকে গোল করে।

ম্যাচ শেষে কোচ কন্তের মুখে ছিল কেবলই বাতশুয়াই। এই বেলজিয়ান ফুটবলার গত মৌসুমে বদলি হিসেবে মাঠে নেমে ওয়েস্ট ব্রমউইচের বিপক্ষে জিতিয়েছিলেন স্টামফোর্ড ব্রিজের সৈনিকদের। সেই ম্যাচ জিতেই ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের শিরোপাটা নিশ্চিত করেছিল তারা। ২০১৬ সালে অলিম্পিক মার্শেই থেকে চেলসিতে এসে অবধি খুব যে আনন্দে আছেন, সেটি বলা যাবে না। ইংলিশ ক্লাবটিতে এই বেলজিয়ান ঠিকমতো মানিয়ে নিতে পারেননি বলেই অভিযোগ।

আজ সেই বাতশুয়াইকে নিয়ে রীতিমতো উচ্ছ্বসিত কোচ কন্তে, ‘একজন স্ট্রাইকারের জন্য গোল করাটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। ভুলে গেলে চলবে না, মিচি তরুণ প্রতিভা। গত মৌসুমে সে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের শক্ত জগতে ঠিকমতো নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে লড়াই করে যাচ্ছিল। আমার মতে, সে আগের চেয়ে অনেক উন্নতি করেছে। সে প্রচণ্ড পরিশ্রম করছে নিজেকে উত্তরণের জন্য। তবে যখনই সুযোগ আসবে, সেটা কাজে লাগানোটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।’

সূত্র: রয়টার্স

বিডিপ্রেস/মিঠু

স্পটলাইট