BDpress

অ্যালার্জির লক্ষণ ও বাঁচার উপায়

বিডিপ্রেস ডেস্ক

অ+ অ-
অ্যালার্জির লক্ষণ ও বাঁচার উপায়
বর্তমানে এলার্জি একটি কমন রোগ। একটানা হাঁচি, নাকে সুড়সুড়ি, শ্বাসকষ্ট এসবই অ্যালার্জির লক্ষ্মণ। অ্যালার্জি থাকলে ঘর পরিষ্কার করতে গেলে হাঁচি আসবে, হতে পরে শ্বাসকষ্ট। এছাড়া যাদের অ্যালার্জি আছে তারা চিংড়ি, ইলিশ, বেগুন, গরুর মাংস ও দুধ এবং ডিম খেলেই গা চুলনো শুরু হয়ে যাবে। তাই রোগটির লক্ষণ এবং এর থেকে বাঁচার উপায় জেনে রাখা ভালো।

অ্যালার্জির নানা লক্ষণ- যেমন অ্যালার্জিজনিত সর্দির উপসর্গ হচ্ছে অনবরত হাঁচি, নাক চুলকানো, নাক দিয়ে পানি পড়া, নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া, অনেকের চোখ লাল হয়ে চোখ দিয়েও পানি পড়তে পারে।

অ্যাজমা বা হাঁপানির উপসর্গ হচ্ছে কাশি, ঘন ঘন শ্বাসের সঙ্গে সাঁইসাঁই আওয়াজ, শ্বাস নিতে ও ছাড়তে কষ্ট, ভালো করে দম নিতে না পারা, বুকে অস্বস্তি।

আর্টিকেরিয়া হলে ত্বকে লালচে ফোলা ফোলা দাগ, গা, হাত-পায়ে চুলকানি, ত্বকের গভীরে হলে হাত-পা ফুলে যেতে পারে। এছাড়াও ত্বকে জ্বালা-যন্ত্রণা, চামড়া শুকনো ও খসখসে হয়ে যায়। ত্বকে ছোট ছোট দানা তৈরি হয় চামড়া ফেটে যাওয়া, ত্বকের চামড়া উঠে যাওয়া।

একজিমা হলো বংশগত চর্মরোগ। ত্বক শুষ্ক হয়, চুলকায়, ত্বকে লাল লাল দাগ তৈরি হয়, চামড়া ফেটে যায়।

অ্যালার্জি মোকাবিলায় তাই বেশকিছু প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা প্রয়োজন। যেমন- রক্ত পরীক্ষা, রক্তে ইয়োসিনেফিলের মাত্রা বেশি আছে কিনা তা দেখা।

স্কিন প্রিক টেস্ট যার মাধ্যমে রোগীর চামড়ার ওপর বিভিন্ন এলার্জেন দিয়ে পরীক্ষা করা হয়। প্যাচ টেস্ট পরীক্ষাও রোগীর ত্বকের ওপর করা হয়।

এছাড়া হাঁপানি রোগের চিকিৎসার আগে আগে বুকের এক্স রে করা উচিত।

অ্যালার্জি মোকাবিলার সব থেকে বড় উপায় হল সম্ভাব্য যা যা থেকে অ্যালার্জি হতে পারে সেগুলো এড়িয়ে চলা। তাহলেই সহজে অ্যালার্জির কবল থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। অ্যালার্জি ভেদে ওষুধও প্রয়োগও করা যেতে পারে। ওষুধের পাশাপাশি ভ্যাকসিনও অ্যালার্জিজনিত রোগীদের সুস্থ থাকার অন্যতম উপায়।

বিডিপ্রেস/মিঠু

এ সম্পর্কিত অন্যান্য খবর

BDpress

অ্যালার্জির লক্ষণ ও বাঁচার উপায়


অ্যালার্জির লক্ষণ ও বাঁচার উপায়

অ্যালার্জির নানা লক্ষণ- যেমন অ্যালার্জিজনিত সর্দির উপসর্গ হচ্ছে অনবরত হাঁচি, নাক চুলকানো, নাক দিয়ে পানি পড়া, নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া, অনেকের চোখ লাল হয়ে চোখ দিয়েও পানি পড়তে পারে।

অ্যাজমা বা হাঁপানির উপসর্গ হচ্ছে কাশি, ঘন ঘন শ্বাসের সঙ্গে সাঁইসাঁই আওয়াজ, শ্বাস নিতে ও ছাড়তে কষ্ট, ভালো করে দম নিতে না পারা, বুকে অস্বস্তি।

আর্টিকেরিয়া হলে ত্বকে লালচে ফোলা ফোলা দাগ, গা, হাত-পায়ে চুলকানি, ত্বকের গভীরে হলে হাত-পা ফুলে যেতে পারে। এছাড়াও ত্বকে জ্বালা-যন্ত্রণা, চামড়া শুকনো ও খসখসে হয়ে যায়। ত্বকে ছোট ছোট দানা তৈরি হয় চামড়া ফেটে যাওয়া, ত্বকের চামড়া উঠে যাওয়া।

একজিমা হলো বংশগত চর্মরোগ। ত্বক শুষ্ক হয়, চুলকায়, ত্বকে লাল লাল দাগ তৈরি হয়, চামড়া ফেটে যায়।

অ্যালার্জি মোকাবিলায় তাই বেশকিছু প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা প্রয়োজন। যেমন- রক্ত পরীক্ষা, রক্তে ইয়োসিনেফিলের মাত্রা বেশি আছে কিনা তা দেখা।

স্কিন প্রিক টেস্ট যার মাধ্যমে রোগীর চামড়ার ওপর বিভিন্ন এলার্জেন দিয়ে পরীক্ষা করা হয়। প্যাচ টেস্ট পরীক্ষাও রোগীর ত্বকের ওপর করা হয়।

এছাড়া হাঁপানি রোগের চিকিৎসার আগে আগে বুকের এক্স রে করা উচিত।

অ্যালার্জি মোকাবিলার সব থেকে বড় উপায় হল সম্ভাব্য যা যা থেকে অ্যালার্জি হতে পারে সেগুলো এড়িয়ে চলা। তাহলেই সহজে অ্যালার্জির কবল থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। অ্যালার্জি ভেদে ওষুধও প্রয়োগও করা যেতে পারে। ওষুধের পাশাপাশি ভ্যাকসিনও অ্যালার্জিজনিত রোগীদের সুস্থ থাকার অন্যতম উপায়।

বিডিপ্রেস/মিঠু

স্পটলাইট