BDpress

যৌনাঙ্গের সমস্যা মানেই রোগ নয়

বিডিপ্রেস ডেস্ক

অ+ অ-
যৌনাঙ্গের সমস্যা মানেই রোগ নয়
যৌনাঙ্গে একটু কিছু সমস্যা হলেই অনেকে মনে করেন যে তিনি যৌন রোগে আক্রান্ত। বিভিন্ন ধরনের চর্মরোগ ও অবস্থা যৌনাঞ্চলে বা যৌনাঙ্গে সংগঠিত হলেও সেগুলোর সব যৌন রোগ নয়। সে কারণে এ স্থানে সমস্যা বা রোগ হলে রোগীরা চিকিৎসা গ্রহণের জন্য বেশ তৎপর হয়ে ওঠেন। এই ভয়ে যে, তারা হয়তো যৌন রোগে আক্রান্ত হয়েছেন। এ ধারণা আদৌ ঠিক নয়। কেননা যৌন রোগ সেসব রোগকে বলে, যা যৌন সম্পর্ক স্থাপনের মাধ্যমে সংক্রমিত হয়।

সোরিয়াসিস: এ রোগ শুধুমাত্র যৌনাঞ্চলে দেখা দিতে পারে অথবা সারা শরীরে একত্রেও থাকতে পারে। যৌনাঞ্চলের স্থানগুলো হচ্ছে পুরুষাঙ্গ, অণ্ডকোষ থলি, কুঁচকি, স্ত্রী যৌনাঙ্গ ও মলদ্বারের চারপাশ। আক্রান্ত স্থান লালচে হয় এবং সেই সাথে সাদা মরা কোষের চামড়া ওঠার মতো অবস্থা দেখা যায়।

যৌনাঞ্চলের আর্দ্র স্থানে দেখা দিলে তখন আর সাদা মরা কোষের ছাল ওঠার মতো দেখায় না, বরঞ্চ লাল ও উজ্জ্বল দেখায়। কখনো কখনো সিফিলিস রোগের দ্বিতীয় অবস্থার সাথে সোরিয়াসিসের কিছুটা মিল থাকে। কিন্তু সোরিয়াসিসে আক্রান্ত নখের অবস্থা এবং সোরিয়াসিসের অন্যান্য লক্ষণ যৌনাঙ্গ ছাড়া অন্যান্য স্থানেও থাকার দরুণ সিফিলিস থেকে পার্থক্য নির্ণয় করা সম্ভব। তবে অনেক সময় সোরিয়াসিস ও সিফিলিস রোগ একত্রেও থাকে।

চিকিৎসা: চিকিৎসা ব্যবস্থায় রয়েছে স্টেরয়েড ও টার জাতীয় মলমের ব্যবহার।

লাইকেন প্লানাস: এই চর্মরোগ যৌনাঞ্চল ছাড়া শরীরের অন্যান্য স্থানে হয়। দেখতে বেগুনী ফুসকুড়ি বা প্লাকের রঙের মতো। যৌনাঙ্গে এই রোগ হলে রোগী প্রচণ্ড চুলকানির অভিযোগ করেন। বিশেষ করে পুরুষাঙ্গ ও অণ্ডকোষ থলিতে, মলদ্বারের আশপাশে এবং মেয়েদের যৌনাঙ্গে এই রোগ হয়।

যৌনাঙ্গের আর্দ্র স্থানে হলে আক্রান্ত স্থান ফুসকুড়ির মতো অথবা গোলাকার এবং বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সাদা দেখায়। যৌনাঞ্চল ছাড়াও অন্যান্য স্থানে; যেমন কব্জি, বাহু, পা এবং মুখের ভেতর এ রোগ হয়ে থাকে। এসব স্থানে এই রোগ নিজ থেকেই ভালো হয়, তবে স্টেরয়েড মলম প্রয়োগে নিষ্কৃতি পাওয়া সম্ভব।

যৌনাঙ্গের আঘাত : যৌনাঙ্গের আঘাত উদ্দেশ্যমূলকও হতে পারে, আবার দুর্ঘটনাজনিতও হতে পারে। মানসিক রোগী বা সমস্যাগ্রস্ত অনেকে নিজ থেকে যৌনাঙ্গে ক্ষত সৃষ্টি করে। আক্রান্ত স্থানে আঘাতের চিহ্ন, ধরণ ও পরিধি দেখে চিকিৎসকগণ সহজেই তা শনাক্ত করতে সক্ষম হন। এসব রোগীর মানসিক চিকিৎসার প্রয়োজন। দুর্ঘটনাজনিত আঘাত বিকৃত যৌনক্রিয়া সম্পাদনের মাধ্যমে সংগঠিত হয়। এসব আঘাতজনিত ক্ষত নিজ থেকেই সময়ের ব্যবধানে ভালো হয়ে যায় এবং কদাচিৎ শল্য চিকিৎসার প্রয়োজন পড়ে।

চিকিৎসা: যদি আঘাত দুর্ঘটনাজনিত হয়ে থাকে তাহলেতো এর চিকিৎসা স্বাভাবিকভাবেই হবে। আর যদি আগাত উদ্দেশ্যমূলক বা মানসিক কারোনে হয়ে থাকে তাহলে রোগীর মানসিক চিকিৎসা করানো খুবই জরুরি।

বিডিপ্রেস/মিঠু


এ সম্পর্কিত অন্যান্য খবর

BDpress

যৌনাঙ্গের সমস্যা মানেই রোগ নয়


যৌনাঙ্গের সমস্যা মানেই রোগ নয়

সোরিয়াসিস: এ রোগ শুধুমাত্র যৌনাঞ্চলে দেখা দিতে পারে অথবা সারা শরীরে একত্রেও থাকতে পারে। যৌনাঞ্চলের স্থানগুলো হচ্ছে পুরুষাঙ্গ, অণ্ডকোষ থলি, কুঁচকি, স্ত্রী যৌনাঙ্গ ও মলদ্বারের চারপাশ। আক্রান্ত স্থান লালচে হয় এবং সেই সাথে সাদা মরা কোষের চামড়া ওঠার মতো অবস্থা দেখা যায়।

যৌনাঞ্চলের আর্দ্র স্থানে দেখা দিলে তখন আর সাদা মরা কোষের ছাল ওঠার মতো দেখায় না, বরঞ্চ লাল ও উজ্জ্বল দেখায়। কখনো কখনো সিফিলিস রোগের দ্বিতীয় অবস্থার সাথে সোরিয়াসিসের কিছুটা মিল থাকে। কিন্তু সোরিয়াসিসে আক্রান্ত নখের অবস্থা এবং সোরিয়াসিসের অন্যান্য লক্ষণ যৌনাঙ্গ ছাড়া অন্যান্য স্থানেও থাকার দরুণ সিফিলিস থেকে পার্থক্য নির্ণয় করা সম্ভব। তবে অনেক সময় সোরিয়াসিস ও সিফিলিস রোগ একত্রেও থাকে।

চিকিৎসা: চিকিৎসা ব্যবস্থায় রয়েছে স্টেরয়েড ও টার জাতীয় মলমের ব্যবহার।

লাইকেন প্লানাস: এই চর্মরোগ যৌনাঞ্চল ছাড়া শরীরের অন্যান্য স্থানে হয়। দেখতে বেগুনী ফুসকুড়ি বা প্লাকের রঙের মতো। যৌনাঙ্গে এই রোগ হলে রোগী প্রচণ্ড চুলকানির অভিযোগ করেন। বিশেষ করে পুরুষাঙ্গ ও অণ্ডকোষ থলিতে, মলদ্বারের আশপাশে এবং মেয়েদের যৌনাঙ্গে এই রোগ হয়।

যৌনাঙ্গের আর্দ্র স্থানে হলে আক্রান্ত স্থান ফুসকুড়ির মতো অথবা গোলাকার এবং বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সাদা দেখায়। যৌনাঞ্চল ছাড়াও অন্যান্য স্থানে; যেমন কব্জি, বাহু, পা এবং মুখের ভেতর এ রোগ হয়ে থাকে। এসব স্থানে এই রোগ নিজ থেকেই ভালো হয়, তবে স্টেরয়েড মলম প্রয়োগে নিষ্কৃতি পাওয়া সম্ভব।

যৌনাঙ্গের আঘাত : যৌনাঙ্গের আঘাত উদ্দেশ্যমূলকও হতে পারে, আবার দুর্ঘটনাজনিতও হতে পারে। মানসিক রোগী বা সমস্যাগ্রস্ত অনেকে নিজ থেকে যৌনাঙ্গে ক্ষত সৃষ্টি করে। আক্রান্ত স্থানে আঘাতের চিহ্ন, ধরণ ও পরিধি দেখে চিকিৎসকগণ সহজেই তা শনাক্ত করতে সক্ষম হন। এসব রোগীর মানসিক চিকিৎসার প্রয়োজন। দুর্ঘটনাজনিত আঘাত বিকৃত যৌনক্রিয়া সম্পাদনের মাধ্যমে সংগঠিত হয়। এসব আঘাতজনিত ক্ষত নিজ থেকেই সময়ের ব্যবধানে ভালো হয়ে যায় এবং কদাচিৎ শল্য চিকিৎসার প্রয়োজন পড়ে।

চিকিৎসা: যদি আঘাত দুর্ঘটনাজনিত হয়ে থাকে তাহলেতো এর চিকিৎসা স্বাভাবিকভাবেই হবে। আর যদি আগাত উদ্দেশ্যমূলক বা মানসিক কারোনে হয়ে থাকে তাহলে রোগীর মানসিক চিকিৎসা করানো খুবই জরুরি।

বিডিপ্রেস/মিঠু


স্পটলাইট