BDpress

ঝিনাইদহের আলীর ভাগ্য বদলের গল্প

জেলা প্রতিবেদক

অ+ অ-
ঝিনাইদহের আলীর ভাগ্য বদলের গল্প
মাধ্যমিক পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়ার পর লেখাপড়া এগোয়নি হুজুর আলীর। হতাশায় দিন কাটছিল তার। সংসারের অভাব-অনটনে কৃষি কাজের চেষ্টা করেন। কিন্তু চাষাবাদ ভালো না হওয়ায় কোনো কাজে আসেনি।

উপায় না পেয়ে ব্যক্তি উদ্যোগে ভেড়া পালন শুরু করেন আলী। এতেই তার জীবনের পরিবর্তন ঘটে। ঝিনাইদহ সদরের মধুহাটি ইউনিয়নের চোরকোল গ্রামের বাসিন্দা হুজুর আলী মন্ডল (৪৬) ভেড়া পালন করে ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটিয়েছেন। হুজুর আলী ওই গ্রামের মৃত মফিজ উদ্দিনের ছেলে।

ভেড়া পালনকারী হুজুর আলী বলেন, আমার বাবাও অনেক আগে ভেড়া পালন করতেন। কিন্তু সেই সময় ভেড়ার এতো চাহিদা ছিল না। সেই সময় আমার বাবা ভেড়া ও গরু একসঙ্গেই পালন করতেন। তাতে খুব একটা লাভ হতো না। ফলে গরু-ভেড়া পালন করা ছেড়ে দেন বাবা।

হুজুর আলীর ভাষ্য, আমি একজন গরীব কৃষক। কৃষি কাজ করে কোনো রকমে জীবন ধারণ করতাম। কিন্তু ঠিক মতো সংসার চলত না। এ অবস্থায় ৫ বছর আগে স্থানীয় ডুগডুগি পশুর হাট থেকে ১৫ হাজার ৫০০ টাকায় ৬টি ভেড়া কিনেছিলাম। সেই ৬টি ভেড়া থেকে বর্তমানে আমার খামারে ছোট, বড়, খাসি, মেড়া, ভেড়ি মিলে মোট ৫০টি ভেড়া রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এখন প্রতি বছর প্রায় লক্ষাধিক টাকার ভেড়া বিক্রি করে আমাদের সংসার ভালোই চলছে। ভেড়া পালন করে আমাদের ভাগ্যের পরিবর্তন হয়েছে। আমাকে দেখে গ্রামের ছাব্দার, ওহাদ আলী, আমজাদসহ অনেকেই ভেড়া পালনের দিকে ঝুঁকছেন।

জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. হাফিজুর রহমান বলেন, যে সমস্ত খামারি বা ভেড়া পালনকারী আমাদের অফিসের সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন তাদের আমরা অফিস থেকে খামারে ভ্যাকসিন, কৃমিনাশক ট্যাবলেটসহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা ও পরামর্শ দিয়ে থাকি।

বিডিপ্রেস/আরজে

এ সম্পর্কিত অন্যান্য খবর

BDpress

ঝিনাইদহের আলীর ভাগ্য বদলের গল্প


ঝিনাইদহের আলীর ভাগ্য বদলের গল্প

উপায় না পেয়ে ব্যক্তি উদ্যোগে ভেড়া পালন শুরু করেন আলী। এতেই তার জীবনের পরিবর্তন ঘটে। ঝিনাইদহ সদরের মধুহাটি ইউনিয়নের চোরকোল গ্রামের বাসিন্দা হুজুর আলী মন্ডল (৪৬) ভেড়া পালন করে ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটিয়েছেন। হুজুর আলী ওই গ্রামের মৃত মফিজ উদ্দিনের ছেলে।

ভেড়া পালনকারী হুজুর আলী বলেন, আমার বাবাও অনেক আগে ভেড়া পালন করতেন। কিন্তু সেই সময় ভেড়ার এতো চাহিদা ছিল না। সেই সময় আমার বাবা ভেড়া ও গরু একসঙ্গেই পালন করতেন। তাতে খুব একটা লাভ হতো না। ফলে গরু-ভেড়া পালন করা ছেড়ে দেন বাবা।

হুজুর আলীর ভাষ্য, আমি একজন গরীব কৃষক। কৃষি কাজ করে কোনো রকমে জীবন ধারণ করতাম। কিন্তু ঠিক মতো সংসার চলত না। এ অবস্থায় ৫ বছর আগে স্থানীয় ডুগডুগি পশুর হাট থেকে ১৫ হাজার ৫০০ টাকায় ৬টি ভেড়া কিনেছিলাম। সেই ৬টি ভেড়া থেকে বর্তমানে আমার খামারে ছোট, বড়, খাসি, মেড়া, ভেড়ি মিলে মোট ৫০টি ভেড়া রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এখন প্রতি বছর প্রায় লক্ষাধিক টাকার ভেড়া বিক্রি করে আমাদের সংসার ভালোই চলছে। ভেড়া পালন করে আমাদের ভাগ্যের পরিবর্তন হয়েছে। আমাকে দেখে গ্রামের ছাব্দার, ওহাদ আলী, আমজাদসহ অনেকেই ভেড়া পালনের দিকে ঝুঁকছেন।

জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. হাফিজুর রহমান বলেন, যে সমস্ত খামারি বা ভেড়া পালনকারী আমাদের অফিসের সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন তাদের আমরা অফিস থেকে খামারে ভ্যাকসিন, কৃমিনাশক ট্যাবলেটসহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা ও পরামর্শ দিয়ে থাকি।

বিডিপ্রেস/আরজে

স্পটলাইট