BDpress

রাবিতে ভর্তি পরীক্ষায় জালিয়াতি করে উত্তীর্ণ, ভর্তিচ্ছুকে পুলিশে সোপর্দ

জেলা প্রতিবেদক

অ+ অ-
রাবিতে ভর্তি পরীক্ষায় জালিয়াতি করে উত্তীর্ণ, ভর্তিচ্ছুকে পুলিশে সোপর্দ
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি পরীক্ষায় জালিয়াতি করে উত্তীর্ণ হওয়া এক ভর্তিচ্ছুকে পুলিশে সোপর্দ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। মঙ্গলবার আইন অনুষদের ভাইভা দিতে এসে উত্তরপত্রের লেখার সঙ্গে ভর্তিচ্ছুর হাতের লেখার মিল না থাকায় তাকে আটক করে পুলিশে দেয়া হয়।

আটক ভর্তিচ্ছুর নাম খলিলুর রহমান। তিনি যশোর সদর থানার তোফায়েল আহমদের ছেলে। ভর্তি পরীক্ষার রোল- বি১- ২০০৩২। পরীক্ষার ফলাফলে তিনি ৬১ নম্বর পেয়ে ১৬তম হয়েছিলেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর দফতর সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিনস্ কমপ্লেক্সে আইন অনুষদের ভাইভা পরীক্ষা চলছিল। খলিলুর রহমান নামের ওই শিক্ষার্থী ভাইভা দিতে আসে। এ সময় তার একাডেমিক বিভিন্ন কাগজপত্র দেখে ভাইভা বোর্ডে থাকা শিক্ষকদের মনে সন্দেহ হয়। ভর্তিচ্ছুর উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার নম্বরপত্রে দেখা যায়, তিনি ইংরেজিতে ‘ডি’ গ্রেড পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছেন। অথচ ভর্তি পরীক্ষায় তিনি ইংরেজি বিষয়ের লিখিত অংশে দশের মধ্যে সাত পেয়েছেন।

ভর্তিচ্ছুকে একটি সাদা কাগজে তার নাম লিখতে বলা হয়। ভর্তিচ্ছু তার নাম লিখলে দেখা যায়- ভর্তি পরীক্ষার লিখিত অংশের উত্তরের সঙ্গে তার হাতের লেখার কোনো মিল নেই।

অধ্যাপক লুৎফর রহমান জানান, জালিয়াতি করে ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ভর্তিচ্ছুকে পুলিশে দেয়া হয়েছে।

বিডিপ্রেস/মিঠু 

এ সম্পর্কিত অন্যান্য খবর

BDpress

রাবিতে ভর্তি পরীক্ষায় জালিয়াতি করে উত্তীর্ণ, ভর্তিচ্ছুকে পুলিশে সোপর্দ


রাবিতে ভর্তি পরীক্ষায় জালিয়াতি করে উত্তীর্ণ, ভর্তিচ্ছুকে পুলিশে সোপর্দ

আটক ভর্তিচ্ছুর নাম খলিলুর রহমান। তিনি যশোর সদর থানার তোফায়েল আহমদের ছেলে। ভর্তি পরীক্ষার রোল- বি১- ২০০৩২। পরীক্ষার ফলাফলে তিনি ৬১ নম্বর পেয়ে ১৬তম হয়েছিলেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর দফতর সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিনস্ কমপ্লেক্সে আইন অনুষদের ভাইভা পরীক্ষা চলছিল। খলিলুর রহমান নামের ওই শিক্ষার্থী ভাইভা দিতে আসে। এ সময় তার একাডেমিক বিভিন্ন কাগজপত্র দেখে ভাইভা বোর্ডে থাকা শিক্ষকদের মনে সন্দেহ হয়। ভর্তিচ্ছুর উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার নম্বরপত্রে দেখা যায়, তিনি ইংরেজিতে ‘ডি’ গ্রেড পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছেন। অথচ ভর্তি পরীক্ষায় তিনি ইংরেজি বিষয়ের লিখিত অংশে দশের মধ্যে সাত পেয়েছেন।

ভর্তিচ্ছুকে একটি সাদা কাগজে তার নাম লিখতে বলা হয়। ভর্তিচ্ছু তার নাম লিখলে দেখা যায়- ভর্তি পরীক্ষার লিখিত অংশের উত্তরের সঙ্গে তার হাতের লেখার কোনো মিল নেই।

অধ্যাপক লুৎফর রহমান জানান, জালিয়াতি করে ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ভর্তিচ্ছুকে পুলিশে দেয়া হয়েছে।

বিডিপ্রেস/মিঠু 

স্পটলাইট