BDpress

কুমিল্লায় যুবলীগ নেতার পা কেটে নিল দুর্বৃত্তরা

জেলা প্রতিবেদক

অ+ অ-
কুমিল্লায় যুবলীগ নেতার পা কেটে নিল দুর্বৃত্তরা
কুমিল্লার দাউদকান্দিতে মো. আলম নামে স্থানীয় এক যুবলীগ নেতার একটি পা শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন করে নিয়েছে দুর্বৃত্তরা। শনিবার রাত ৯টার দিকে উপজেলার জিংলাতলী ইউনিয়নের গোপচর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আলম জিংলাতলী ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক এবং দাউদকান্দির সাঈদ-মোহাম্মদ আলী জোড়া খুন মামলার পলাতক আসামি।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ৮ নভেম্বর জেলার তিতাসের জিয়ারকান্দি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মনির হোসেন সরকার দাউদকান্দির গৌরীপুর উত্তর বাজারে সন্ত্রাসীদের হাতে খুন হন। ওই হত্যাকাণ্ডের জের ধরে মামলার এজাহারভুক্ত আসামি দাউদকান্দি উপজেলার দক্ষিণ পেন্নাই গ্রামের আবদুস সামাদের ছেলে সাঈদ ও একই গ্রামের আবদুস সোবহানের ছেলে মোহাম্মদ আলী চলতি বছরের ১ এপ্রিল বিকেলে দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুর উত্তর বাজার এলাকায় প্রতিপক্ষের হাতে খুন হন।

এই জোড়া খুনের মামলায় আসামি হয়ে যুবলীগ নেতা আলম পলাতক ছিলেন। দীর্ঘদিন তিনি পলাতক থাকার পর শনিবার বাড়িতে আসার খবর পেয়ে দুর্বৃত্তরা তার ওপর হামলা চালায়। ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে তার একটি পা শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলে। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে গৌরীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে এবং পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় প্রেরণ করা হয়।

গৌরীপুর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মাহমুদুল হাসান সুজন জানান, পা বিচ্ছিন্ন অবস্থায় আলমকে হাসপাতালে আনা হয়, এছাড়াও তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

দাউদকান্দি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান জানান, ডাক্তাররা জানিয়েছেন আহত আলমকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় পাঠানো হয়েছে, কারা তার ওপর হামলা চালিয়েছে তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। হামলার বিষয়ে পুলিশ মাঠে তদন্ত শুরু করেছে।

বিডিপ্রেস/আরজে


এ সম্পর্কিত অন্যান্য খবর

BDpress

কুমিল্লায় যুবলীগ নেতার পা কেটে নিল দুর্বৃত্তরা


কুমিল্লায় যুবলীগ নেতার পা কেটে নিল দুর্বৃত্তরা

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ৮ নভেম্বর জেলার তিতাসের জিয়ারকান্দি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মনির হোসেন সরকার দাউদকান্দির গৌরীপুর উত্তর বাজারে সন্ত্রাসীদের হাতে খুন হন। ওই হত্যাকাণ্ডের জের ধরে মামলার এজাহারভুক্ত আসামি দাউদকান্দি উপজেলার দক্ষিণ পেন্নাই গ্রামের আবদুস সামাদের ছেলে সাঈদ ও একই গ্রামের আবদুস সোবহানের ছেলে মোহাম্মদ আলী চলতি বছরের ১ এপ্রিল বিকেলে দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুর উত্তর বাজার এলাকায় প্রতিপক্ষের হাতে খুন হন।

এই জোড়া খুনের মামলায় আসামি হয়ে যুবলীগ নেতা আলম পলাতক ছিলেন। দীর্ঘদিন তিনি পলাতক থাকার পর শনিবার বাড়িতে আসার খবর পেয়ে দুর্বৃত্তরা তার ওপর হামলা চালায়। ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে তার একটি পা শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলে। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে গৌরীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে এবং পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় প্রেরণ করা হয়।

গৌরীপুর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মাহমুদুল হাসান সুজন জানান, পা বিচ্ছিন্ন অবস্থায় আলমকে হাসপাতালে আনা হয়, এছাড়াও তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

দাউদকান্দি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান জানান, ডাক্তাররা জানিয়েছেন আহত আলমকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় পাঠানো হয়েছে, কারা তার ওপর হামলা চালিয়েছে তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। হামলার বিষয়ে পুলিশ মাঠে তদন্ত শুরু করেছে।

বিডিপ্রেস/আরজে