BDpress

এশিয়ার মধ্যে দক্ষিণ কোরিয়াই সেরা

ক্রিড়া ডেস্ক

অ+ অ-
এশিয়ার মধ্যে দক্ষিণ কোরিয়াই সেরা
দক্ষিণ কোরিয়াই এ অঞ্চলের ‘একমাত্র’ প্রতিনিধি! কাগজে-কলমে কথাটি হয়তো ভুল। কারণ, ২০১৮ বিশ্বকাপেও এশিয়া থেকে অংশ নেবে পাঁচটি দল। কিন্তু সেই ’৮৬ আসর থেকে আমাদের চোখে বিশ্বকাপে এশিয়ার প্রতিনিধি মানেই দক্ষিণ কোরিয়া। ৩১ বছর আগে সেই যে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপে পা রাখল দক্ষিণ কোরিয়া, তারপর থেকে এখনে পর্যন্ত ছিটকে পড়েনি!

গত সেপ্টেম্বরে এশিয়ান বাছাইপর্বের শেষ দিনে উজবেকিস্তানের মাঠে গোলশূন্য ড্র করে ঠিকই রাশিয়ার টিকিট আদায় করে নেয় শিন তায়ে-ইয়ংয়ের দল। এশিয়ান অঞ্চলের প্রথম দল হিসেবে এ নিয়ে দশমবারের মতো বিশ্বকাপে খেলার টিকিট পেল দক্ষিণ কোরিয়া। ইউরোপ (উয়েফা) ও লাতিন আমেরিকার (কনমেবল) বাইরে দক্ষিণ কোরিয়াই একমাত্র দল, যারা বিশ্বকাপে টানা খেলছে ১৯৮৬ আসর থেকে। এশিয়ার মধ্যে আর কোনো দলই দক্ষিণ কোরিয়ার মতো টানা নয়বার বিশ্বকাপ খেলতে পারেনি। টানা ছয়টি বিশ্বকাপে খেলে দুইয়ে আছে জাপান।

১৯৫৪ সালে বিশ্বকাপ-যাত্রা শুরু হয়েছিল দক্ষিণ কোরিয়ার। এশিয়ান দলটির জন্য সুইজারল্যান্ডে অনুষ্ঠিত সেই আসরকে দুঃস্বপ্ন বলাই যায়। টুর্নামেন্টে সবচেয়ে বেশি গোল হজমের (১৬) রেকর্ড গড়ে গ্রুপ পর্ব থেকেই বাড়ি ফিরেছিল তারা। এর মধ্যে ফেরেঙ্ক পুসকাস-স্যান্ডর ককসিসদের হাঙ্গেরির বিপক্ষে এক ম্যাচেই হজম করেছিল ৯ গোল! গ্রুপ পর্বের দুই ম্যাচে তারা কোনো গোলও করতে পারেনি।

দীর্ঘ ৩২ বছর পর ১৯৮৬ সালে আবারও বিশ্বকাপে ফিরে আসে দক্ষিণ কোরিয়া। ’৯৮ বিশ্বকাপ পর্যন্ত চারটি আসরে তাদের ফিরতে হয়েছে গ্রুপ পর্ব থেকে। কিন্তু ২০০২ সালে স্বাগতিক হিসেবে তারা উঠেছিল সেমিফাইনালে। দক্ষিণ কোরিয়ার ফুটবল ইতিহাসে এটাই সেরা সাফল্য। এরপর জার্মানি বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্ব, দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপে শেষ ষোলো এবং ব্রাজিল বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নিতে হয়েছে এশিয়ান ফুটবলের সবচেয়ে সফল দলটিকে।

রাশিয়া বিশ্বকাপে আরও ভালো করার লক্ষ্য দক্ষিণ কোরিয়ার। দলটির অধিনায়ক কি সুং-ইউয়েং জানালেন, সবার আগে বিশ্বকাপ ড্রয়ে সম্ভাব্য চ্যাম্পিয়নদের এড়ানোর প্রার্থনা করছেন তিনি। আগামী ১ ডিসেম্বর মস্কোয় অনুষ্ঠিত হবে ২০১৮ বিশ্বকাপ গ্রুপ পর্বের ড্র। এ প্রসঙ্গে সোয়ানসি সিটির মিডফিল্ডারের সোজাসাপটা কথা, ‘বিশ্বকাপে সব দলই আমাদের চেয়ে শক্তিশালী। গ্রুপ পর্বের ড্রয়ে স্পেন, জার্মানি ও ব্রাজিলকে এড়ানোর আশা করছি।’

সূত্র: ফিফা, ইএসপিএন

বিডিপ্রেস/মিঠু

এ সম্পর্কিত অন্যান্য খবর

BDpress

এশিয়ার মধ্যে দক্ষিণ কোরিয়াই সেরা


এশিয়ার মধ্যে দক্ষিণ কোরিয়াই সেরা

গত সেপ্টেম্বরে এশিয়ান বাছাইপর্বের শেষ দিনে উজবেকিস্তানের মাঠে গোলশূন্য ড্র করে ঠিকই রাশিয়ার টিকিট আদায় করে নেয় শিন তায়ে-ইয়ংয়ের দল। এশিয়ান অঞ্চলের প্রথম দল হিসেবে এ নিয়ে দশমবারের মতো বিশ্বকাপে খেলার টিকিট পেল দক্ষিণ কোরিয়া। ইউরোপ (উয়েফা) ও লাতিন আমেরিকার (কনমেবল) বাইরে দক্ষিণ কোরিয়াই একমাত্র দল, যারা বিশ্বকাপে টানা খেলছে ১৯৮৬ আসর থেকে। এশিয়ার মধ্যে আর কোনো দলই দক্ষিণ কোরিয়ার মতো টানা নয়বার বিশ্বকাপ খেলতে পারেনি। টানা ছয়টি বিশ্বকাপে খেলে দুইয়ে আছে জাপান।

১৯৫৪ সালে বিশ্বকাপ-যাত্রা শুরু হয়েছিল দক্ষিণ কোরিয়ার। এশিয়ান দলটির জন্য সুইজারল্যান্ডে অনুষ্ঠিত সেই আসরকে দুঃস্বপ্ন বলাই যায়। টুর্নামেন্টে সবচেয়ে বেশি গোল হজমের (১৬) রেকর্ড গড়ে গ্রুপ পর্ব থেকেই বাড়ি ফিরেছিল তারা। এর মধ্যে ফেরেঙ্ক পুসকাস-স্যান্ডর ককসিসদের হাঙ্গেরির বিপক্ষে এক ম্যাচেই হজম করেছিল ৯ গোল! গ্রুপ পর্বের দুই ম্যাচে তারা কোনো গোলও করতে পারেনি।

দীর্ঘ ৩২ বছর পর ১৯৮৬ সালে আবারও বিশ্বকাপে ফিরে আসে দক্ষিণ কোরিয়া। ’৯৮ বিশ্বকাপ পর্যন্ত চারটি আসরে তাদের ফিরতে হয়েছে গ্রুপ পর্ব থেকে। কিন্তু ২০০২ সালে স্বাগতিক হিসেবে তারা উঠেছিল সেমিফাইনালে। দক্ষিণ কোরিয়ার ফুটবল ইতিহাসে এটাই সেরা সাফল্য। এরপর জার্মানি বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্ব, দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপে শেষ ষোলো এবং ব্রাজিল বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নিতে হয়েছে এশিয়ান ফুটবলের সবচেয়ে সফল দলটিকে।

রাশিয়া বিশ্বকাপে আরও ভালো করার লক্ষ্য দক্ষিণ কোরিয়ার। দলটির অধিনায়ক কি সুং-ইউয়েং জানালেন, সবার আগে বিশ্বকাপ ড্রয়ে সম্ভাব্য চ্যাম্পিয়নদের এড়ানোর প্রার্থনা করছেন তিনি। আগামী ১ ডিসেম্বর মস্কোয় অনুষ্ঠিত হবে ২০১৮ বিশ্বকাপ গ্রুপ পর্বের ড্র। এ প্রসঙ্গে সোয়ানসি সিটির মিডফিল্ডারের সোজাসাপটা কথা, ‘বিশ্বকাপে সব দলই আমাদের চেয়ে শক্তিশালী। গ্রুপ পর্বের ড্রয়ে স্পেন, জার্মানি ও ব্রাজিলকে এড়ানোর আশা করছি।’

সূত্র: ফিফা, ইএসপিএন

বিডিপ্রেস/মিঠু