BDpress

স্ত্রীর মর্যাদা দাবি করে তরুণীর অনশন

জেলা প্রতিবেদক

অ+ অ-
স্ত্রীর মর্যাদা দাবি করে তরুণীর অনশন
দীর্ঘ প্রেমের সম্পর্ক, শারীরিক মেলামেশা- অতঃপর জাল নিকাহনামার মাধ্যমে বিয়ে। রাজশাহীর গোদাগাড়ী ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার আতাউর রহমানের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ তুলে শনিবার থেকে অনশন শুরু করেছেন সুমি আক্তার নামে এক তরুণী।

সুমির বাড়ি কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুর উপজেলার উমানন্দপুর গ্রামে। আতাউরের বাড়ি একই উপজেলার মধুপুর বাকারা গ্রামে।

এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজশাহী ফায়ার সার্ভিসের উপ-পরিচালক বরাবর একটি লিখিত অভিযোগও দায়ের করেন সুমি।

লিখিত অভিযোগে সুমি উল্লেখ করেন, ২০১১ সালের ৫ এপ্রিল থেকে আতাউরের সাথে প্রেমের সম্পর্ক তৈরি হয়। তখন থেকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখিয়ে তার সাথে মেলামেশা করে আসছেন আতাউর। পাশাপাশি মেসে থাকার সুবাদে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে নিজ স্ত্রীর মতো ব্যবহার করতেন তিনি। তাই গোদাগাড়ী ফায়ার সার্ভিসের এই কর্মকর্তাকে স্বামী হিসেবে দাবি করছেন সুমি।

গত ২৯ আগস্ট মিথ্যা প্রভোলন দেখিয়ে জাল নিকাহনামার মাধ্যমে বিয়ে করেছে মর্মে উপ-পরিচালক রাজশাহী ফায়ার সার্ভিসের কাছে ডাকযোগে একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন তিনি।

সুমি আক্তারের অনশনের খবর শুনে ফায়ার সার্ভিস রাজশাহী উপপরিচালক নুরুল ইসলাম শনিবার সন্ধ্যায় গোদাগাড়ী ফায়ার সার্ভিস স্টেশন এসে দুজনের মধ্যে সমঝোতার চেষ্টা করে ব্যর্থ হন।

রাজশাহী ফায়ার সার্ভিসের উপ-পরিচালক নুরুল ইসলাম বলেন, আমরা চেষ্টা করছি সমঝোতা করার তবে শেষ পর্যন্ত কি হয় তা বলতে পারব না। সুমি আক্তারকে শনিবার রাতে ফায়ার সার্ভিসের এক সদস্যর বাড়িতে রাখা হয়েছে বলে জানান তিনি।

এদিকে ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তা আতাউর রহমান দাবি করেন, কালেজে পড়া অবস্থায় তার সাথে আমার দুই-চার দিনের পরিচয়। তার সাথে তেমন সম্পর্ক ছিলো না। বিয়ে করা প্রসঙ্গে বলেন, আমি বিয়ে করিনি সে মিথ্যা কাবিননামা দিয়ে এমন দাবি করছে। এর আগেও এমন দাবি করেছিলো। এটি আদালতে মীমাংসা হয়েছে বলে জানান তিনি।

বিডিপ্রেস/আরজে

এ সম্পর্কিত অন্যান্য খবর

BDpress

স্ত্রীর মর্যাদা দাবি করে তরুণীর অনশন


স্ত্রীর মর্যাদা দাবি করে তরুণীর অনশন

সুমির বাড়ি কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুর উপজেলার উমানন্দপুর গ্রামে। আতাউরের বাড়ি একই উপজেলার মধুপুর বাকারা গ্রামে।

এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজশাহী ফায়ার সার্ভিসের উপ-পরিচালক বরাবর একটি লিখিত অভিযোগও দায়ের করেন সুমি।

লিখিত অভিযোগে সুমি উল্লেখ করেন, ২০১১ সালের ৫ এপ্রিল থেকে আতাউরের সাথে প্রেমের সম্পর্ক তৈরি হয়। তখন থেকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখিয়ে তার সাথে মেলামেশা করে আসছেন আতাউর। পাশাপাশি মেসে থাকার সুবাদে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে নিজ স্ত্রীর মতো ব্যবহার করতেন তিনি। তাই গোদাগাড়ী ফায়ার সার্ভিসের এই কর্মকর্তাকে স্বামী হিসেবে দাবি করছেন সুমি।

গত ২৯ আগস্ট মিথ্যা প্রভোলন দেখিয়ে জাল নিকাহনামার মাধ্যমে বিয়ে করেছে মর্মে উপ-পরিচালক রাজশাহী ফায়ার সার্ভিসের কাছে ডাকযোগে একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন তিনি।

সুমি আক্তারের অনশনের খবর শুনে ফায়ার সার্ভিস রাজশাহী উপপরিচালক নুরুল ইসলাম শনিবার সন্ধ্যায় গোদাগাড়ী ফায়ার সার্ভিস স্টেশন এসে দুজনের মধ্যে সমঝোতার চেষ্টা করে ব্যর্থ হন।

রাজশাহী ফায়ার সার্ভিসের উপ-পরিচালক নুরুল ইসলাম বলেন, আমরা চেষ্টা করছি সমঝোতা করার তবে শেষ পর্যন্ত কি হয় তা বলতে পারব না। সুমি আক্তারকে শনিবার রাতে ফায়ার সার্ভিসের এক সদস্যর বাড়িতে রাখা হয়েছে বলে জানান তিনি।

এদিকে ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তা আতাউর রহমান দাবি করেন, কালেজে পড়া অবস্থায় তার সাথে আমার দুই-চার দিনের পরিচয়। তার সাথে তেমন সম্পর্ক ছিলো না। বিয়ে করা প্রসঙ্গে বলেন, আমি বিয়ে করিনি সে মিথ্যা কাবিননামা দিয়ে এমন দাবি করছে। এর আগেও এমন দাবি করেছিলো। এটি আদালতে মীমাংসা হয়েছে বলে জানান তিনি।

বিডিপ্রেস/আরজে