BDpress

কী কথা বললেন কাদের-ফখরুল?

জেলা প্রতিবেদক

অ+ অ-
কী কথা বললেন কাদের-ফখরুল?
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এবং বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীররের মধ্যে কথা হয়েছে। নীলফামারীর সৈয়দপুর বিমানবন্দরে তাদের মধ্যে দেখা হয়। এসময় দুজন কুশল বিনিময় করেন।

বিমানবন্দরে মির্জা ফখরুলকে দেখে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমরা যেহেতু রাজনীতি করি, তাই আলাপ-আলোচনার পথ খোলা রাখাই ভালো।’

এর আগে সকালে রংপুরের ঠাকুরপাড়ায় হামলা ও অগ্নিসংযোগের শিকার হিন্দুদের গ্রাম পরিদর্শনে গিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘একই বিমানে মির্জা ফখরুলের সঙ্গে আসতে পারলে আমার ভালো লাগতো। আর কিছু না হোক, শুভেচ্ছা বিনিময়তো হতো। শুনেছি, উনার আসন আমার পেছনে ছিল। উনি এলে আমার পাশের সিটেই বসতে দিতাম।’

জানতে চাইলে ওবায়দুল কাদেরের একান্ত সহকারী শেখ ওয়ালিদ বলেন, ‘বিকেলে সৈয়দপুর থেকে ফেরার পথে বিমানবন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জে অপেক্ষা করছিলেন স্যার (ওবায়দুল কাদের)। পাশের আরেকটি রুমে বিএনপি মহাসচিব আছেন জেনে তার সঙ্গে দেখা করতে যান তিনি। এসময় দুজন কুশল বিনিময় করেন।’

‘স্যার (ওবায়দুল কাদের) ফখরুল সাহেবকে বলেন, ঢাকা এয়ারপোর্টে আপনার জন্য অপেক্ষা করেছিলাম। কিন্তু শুনলাম আপনি পরে যাবেন। একসঙ্গে যেতে পারলে ভালো হতো। যেহেতু আমরা রাজনীতি করি, আলাপ-আলোচনার পথ খোলা রাখা উচিত’ যোগ করেন তিনি।

শেখ ওয়ালিদ আরও বলেন, ‘জবাবে ফখরুল সাহেব স্যারকে বলেন, তিনি সকালের ফ্লাইটেই যেতেন। কিন্তু পারিবারিক একটি কাজে দেরি হয়েছে।’

দুই নেতার আলাপের সময় আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক, ত্রাণ বিষয়ক সম্পাদক সুজিত নন্দী, সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক ও খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, উপদপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পদকের সঙ্গে বিএনপি মহাসচিবের দেখা হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চেয়ারপারসনের প্রেস উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খানও।

তিনি জানান, সৈয়দপুর বিমানবন্দরে দুই নেতার দেখা হয়। পরে তাদের মধ্যে কুশল বিনিময় হয়েছে। এর পর বিএনপির মহাসচিব আলাদা বিমানে ঢাকা ফিরেন।

জানা গেছে, কাদের ও ফখরুলের রোববার ঢাকার হজরত শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে একটি বেসরকারি উড়োজাহাজ কোম্পানির ফ্লাইটে সৈয়দপুর যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু শেষ মুহূর্তে মির্জা ফখরুল সফর স্থগিত করেন। ফলে একই ফ্লাইটে দুই বড় দলের দুই নেতার সাক্ষাৎ হওয়ার সুযোগ নষ্ট হয়।

বিডিপ্রেস/আরজে

এ সম্পর্কিত অন্যান্য খবর

BDpress

কী কথা বললেন কাদের-ফখরুল?


কী কথা বললেন কাদের-ফখরুল?

বিমানবন্দরে মির্জা ফখরুলকে দেখে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমরা যেহেতু রাজনীতি করি, তাই আলাপ-আলোচনার পথ খোলা রাখাই ভালো।’

এর আগে সকালে রংপুরের ঠাকুরপাড়ায় হামলা ও অগ্নিসংযোগের শিকার হিন্দুদের গ্রাম পরিদর্শনে গিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘একই বিমানে মির্জা ফখরুলের সঙ্গে আসতে পারলে আমার ভালো লাগতো। আর কিছু না হোক, শুভেচ্ছা বিনিময়তো হতো। শুনেছি, উনার আসন আমার পেছনে ছিল। উনি এলে আমার পাশের সিটেই বসতে দিতাম।’

জানতে চাইলে ওবায়দুল কাদেরের একান্ত সহকারী শেখ ওয়ালিদ বলেন, ‘বিকেলে সৈয়দপুর থেকে ফেরার পথে বিমানবন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জে অপেক্ষা করছিলেন স্যার (ওবায়দুল কাদের)। পাশের আরেকটি রুমে বিএনপি মহাসচিব আছেন জেনে তার সঙ্গে দেখা করতে যান তিনি। এসময় দুজন কুশল বিনিময় করেন।’

‘স্যার (ওবায়দুল কাদের) ফখরুল সাহেবকে বলেন, ঢাকা এয়ারপোর্টে আপনার জন্য অপেক্ষা করেছিলাম। কিন্তু শুনলাম আপনি পরে যাবেন। একসঙ্গে যেতে পারলে ভালো হতো। যেহেতু আমরা রাজনীতি করি, আলাপ-আলোচনার পথ খোলা রাখা উচিত’ যোগ করেন তিনি।

শেখ ওয়ালিদ আরও বলেন, ‘জবাবে ফখরুল সাহেব স্যারকে বলেন, তিনি সকালের ফ্লাইটেই যেতেন। কিন্তু পারিবারিক একটি কাজে দেরি হয়েছে।’

দুই নেতার আলাপের সময় আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক, ত্রাণ বিষয়ক সম্পাদক সুজিত নন্দী, সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক ও খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, উপদপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পদকের সঙ্গে বিএনপি মহাসচিবের দেখা হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চেয়ারপারসনের প্রেস উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খানও।

তিনি জানান, সৈয়দপুর বিমানবন্দরে দুই নেতার দেখা হয়। পরে তাদের মধ্যে কুশল বিনিময় হয়েছে। এর পর বিএনপির মহাসচিব আলাদা বিমানে ঢাকা ফিরেন।

জানা গেছে, কাদের ও ফখরুলের রোববার ঢাকার হজরত শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে একটি বেসরকারি উড়োজাহাজ কোম্পানির ফ্লাইটে সৈয়দপুর যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু শেষ মুহূর্তে মির্জা ফখরুল সফর স্থগিত করেন। ফলে একই ফ্লাইটে দুই বড় দলের দুই নেতার সাক্ষাৎ হওয়ার সুযোগ নষ্ট হয়।

বিডিপ্রেস/আরজে