BDpress

জিম্বাবুয়ের রাজপথে চলছে উল্লাস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অ+ অ-
জিম্বাবুয়ের রাজপথে চলছে উল্লাস
মুগাবের পতনে জিম্বাবুয়ের রাজধানীসহ সারাদেশে চলছে আনন্দ-উল্লাস। গত সপ্তাহে সেনাবাহিনী দেশটির নিয়ন্ত্রণ নিলেও মঙ্গলবার মধ্যরাতে প্রেসিডেন্ট পদ থেকে পদত্যাগ করেন রবার্ট মুগাবে।

সেনাবাহিনীর এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়ে পথে পথে উল্লাস চলছে। মুগাবে যুগের পুরোপুরি অবসানের দাবিতে তাকে পদত্যাগের আহ্বানও জানাচ্ছেন উল্লাসকারীরা।

বিবিসি জানিয়েছে, মুগাবেবিরোধী বিক্ষোভকারীদের বিক্ষোভ আসলে উদ্‌যাপনে রূপ নিয়েছে। পথে নেমে আসা বিক্ষোভকারীরা সেনা সদস্যদের সঙ্গে আলিঙ্গন করছেন, জয়ধ্বনি দিচ্ছেন। একজন বিক্ষোভকারী বিবিসিকে বলেন, এটা তাদের 'নতুন দিনের শুরু'।

সেনাবাহিনী ও ক্ষমতাসীন দল জিম্বাবুয়ে আফ্রিকান ন্যাশনাল ইউনিয়ন-প্যাট্রিওটিক ফ্রন্ট (জেডএএনইউ-পিএফ) এই বিক্ষোভে সমর্থন দিয়েছে।

জিম্বাবুয়ের স্বাধীনতা আন্দোলনে মুগাবের সহযোদ্ধারা গত বছর পর্যন্ত তার অনুগত ছিলেন। তারাই এখন বলছেন, মুগাবের পদত্যাগ করা উচিত। হারারের পথে পথে উল্লাস ও সমাবেশে নানা শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণ ছিল অভূতপূর্ব।

সমাবেশে যোগ দেওয়া একজন বলেন, জিম্বাবুয়ের নাগরিক হিসেবে আমরা সেনাবাহিনীকে বলব, শান্তিপূর্ণ হস্তক্ষেপের জন্য আপনাদের অনেক ধন্যবাদ। এবং জনগণের এখন বলার সময় এসেছে। মুগাবেকে অবশ্যই চলে যেতে হবে। আমরা তার ফেরা দেখতে চাই না। আমাদের কাছে এটা হলো কর্তৃত্ববাদী শাসনের অবসান।

১৯৮০ সাল থেকে জিম্বাবুয়ের ক্ষমতায় রবার্ট মুগাবে। ভাইস প্রেসিডেন্ট এমারসন নানগাগওয়াকে তার সম্ভাব্য উত্তরসূরি মনে করা হচ্ছিল। কিন্তু ভাইস প্রেসিডেন্টকে ৬ নভেম্বর বরখাস্ত করা হয়। স্ত্রী গ্রেসকে ক্ষমতায় বসানোর পরিকল্পনার অংশ হিসেবে তিনি এটা করেন বলে ধারণা করা হয়। এরপরই দেশটিতে রক্তপাতহীন 'অভ্যুত্থান' ঘটে।

সূত্র: বিবিসি, রয়টার্স।
বিডিপ্রেস/আলী

এ সম্পর্কিত অন্যান্য খবর

BDpress

জিম্বাবুয়ের রাজপথে চলছে উল্লাস


জিম্বাবুয়ের রাজপথে চলছে উল্লাস

সেনাবাহিনীর এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়ে পথে পথে উল্লাস চলছে। মুগাবে যুগের পুরোপুরি অবসানের দাবিতে তাকে পদত্যাগের আহ্বানও জানাচ্ছেন উল্লাসকারীরা।

বিবিসি জানিয়েছে, মুগাবেবিরোধী বিক্ষোভকারীদের বিক্ষোভ আসলে উদ্‌যাপনে রূপ নিয়েছে। পথে নেমে আসা বিক্ষোভকারীরা সেনা সদস্যদের সঙ্গে আলিঙ্গন করছেন, জয়ধ্বনি দিচ্ছেন। একজন বিক্ষোভকারী বিবিসিকে বলেন, এটা তাদের 'নতুন দিনের শুরু'।

সেনাবাহিনী ও ক্ষমতাসীন দল জিম্বাবুয়ে আফ্রিকান ন্যাশনাল ইউনিয়ন-প্যাট্রিওটিক ফ্রন্ট (জেডএএনইউ-পিএফ) এই বিক্ষোভে সমর্থন দিয়েছে।

জিম্বাবুয়ের স্বাধীনতা আন্দোলনে মুগাবের সহযোদ্ধারা গত বছর পর্যন্ত তার অনুগত ছিলেন। তারাই এখন বলছেন, মুগাবের পদত্যাগ করা উচিত। হারারের পথে পথে উল্লাস ও সমাবেশে নানা শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণ ছিল অভূতপূর্ব।

সমাবেশে যোগ দেওয়া একজন বলেন, জিম্বাবুয়ের নাগরিক হিসেবে আমরা সেনাবাহিনীকে বলব, শান্তিপূর্ণ হস্তক্ষেপের জন্য আপনাদের অনেক ধন্যবাদ। এবং জনগণের এখন বলার সময় এসেছে। মুগাবেকে অবশ্যই চলে যেতে হবে। আমরা তার ফেরা দেখতে চাই না। আমাদের কাছে এটা হলো কর্তৃত্ববাদী শাসনের অবসান।

১৯৮০ সাল থেকে জিম্বাবুয়ের ক্ষমতায় রবার্ট মুগাবে। ভাইস প্রেসিডেন্ট এমারসন নানগাগওয়াকে তার সম্ভাব্য উত্তরসূরি মনে করা হচ্ছিল। কিন্তু ভাইস প্রেসিডেন্টকে ৬ নভেম্বর বরখাস্ত করা হয়। স্ত্রী গ্রেসকে ক্ষমতায় বসানোর পরিকল্পনার অংশ হিসেবে তিনি এটা করেন বলে ধারণা করা হয়। এরপরই দেশটিতে রক্তপাতহীন 'অভ্যুত্থান' ঘটে।

সূত্র: বিবিসি, রয়টার্স।
বিডিপ্রেস/আলী