BDpress

‘রোহিঙ্গাদের ফেরাতে চুক্তি বড় ধরনের কূটনৈতিক সাফল্য’

নিজস্ব প্রতিবেদক

অ+ অ-
‘রোহিঙ্গাদের ফেরাতে চুক্তি বড় ধরনের কূটনৈতিক সাফল্য’
রাখাইন রাজ্য থেকে প্রাণ বাঁচাতে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের প্রশ্নে বহুল প্রত্যাশিত চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে বাংলাদেশ ও মিয়ানমার। এই চুক্তি স্বাক্ষরকে বড় ধরনের কূটনৈতিক সাফল্য বলে মনে করছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম।

তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশে পালিয়ে আসা ১০ লাখ রোহিঙ্গা ফেরত নেওয়ার বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে। এটা বাংলাদেশের জন্য বড় কূটনৈতিক সাফল্য।’

বৃহস্পতিবার রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলের ব্লু ইকোনমি বিষয়ক সামিট শেষে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, আগামী দুই-তিন সপ্তারের মধ্যে দুই দেশের মধ্যে ‘যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ’ গঠন করা হবে। রোহিঙ্গাদের কিভাবে ফেরত পাঠানো যায় তার একটি রূপরেখা তৈরি করা হবে।

এছাড়াও এই চুক্তির বিষয়ে আগামী ২৫ নভেম্বর পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী মিয়ানমার থেকে দেশে ফিরে সংবাদ সম্মেলন করে বিস্তারিত জানাবেন বলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার সকালে মিয়ানমারের রাজধানী নেইপিদোতে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী এবং মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সিলর অং সান সু চির সঙ্গে বৈঠকের পর এই চুক্তি স্বাক্ষর হয়।

চলতি বছরের আগস্ট মাসের শেষের দিকে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে শুরু হয় সেনা অভিযান। অভিযান শুরু হলে হত্যা, গণধর্ষণ ও নির্যাতন থেকে বাঁচতে এখন পর্যন্ত প্রায় সাড়ে ৬ লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে আশ্রয় নিয়েছে।

জাতিগত নিধনে দেশটির সামরিক বাহিনীর সঙ্গে যোগ দেয় স্থানীয় উগ্রবাদী বৌদ্ধ জনগোষ্ঠীও। আক্রান্ত রোহিঙ্গা মুসলিমদের বাঁচাতে ও আশ্রয় দিতে বাংলাদেশ সরকার সীমান্ত খুলে দেয় এবং তাদের পাশে দাঁড়ায়।

বিডিপ্রেস/আরজে

এ সম্পর্কিত অন্যান্য খবর

BDpress

‘রোহিঙ্গাদের ফেরাতে চুক্তি বড় ধরনের কূটনৈতিক সাফল্য’


‘রোহিঙ্গাদের ফেরাতে চুক্তি বড় ধরনের কূটনৈতিক সাফল্য’

তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশে পালিয়ে আসা ১০ লাখ রোহিঙ্গা ফেরত নেওয়ার বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে। এটা বাংলাদেশের জন্য বড় কূটনৈতিক সাফল্য।’

বৃহস্পতিবার রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলের ব্লু ইকোনমি বিষয়ক সামিট শেষে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, আগামী দুই-তিন সপ্তারের মধ্যে দুই দেশের মধ্যে ‘যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ’ গঠন করা হবে। রোহিঙ্গাদের কিভাবে ফেরত পাঠানো যায় তার একটি রূপরেখা তৈরি করা হবে।

এছাড়াও এই চুক্তির বিষয়ে আগামী ২৫ নভেম্বর পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী মিয়ানমার থেকে দেশে ফিরে সংবাদ সম্মেলন করে বিস্তারিত জানাবেন বলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার সকালে মিয়ানমারের রাজধানী নেইপিদোতে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী এবং মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সিলর অং সান সু চির সঙ্গে বৈঠকের পর এই চুক্তি স্বাক্ষর হয়।

চলতি বছরের আগস্ট মাসের শেষের দিকে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে শুরু হয় সেনা অভিযান। অভিযান শুরু হলে হত্যা, গণধর্ষণ ও নির্যাতন থেকে বাঁচতে এখন পর্যন্ত প্রায় সাড়ে ৬ লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে আশ্রয় নিয়েছে।

জাতিগত নিধনে দেশটির সামরিক বাহিনীর সঙ্গে যোগ দেয় স্থানীয় উগ্রবাদী বৌদ্ধ জনগোষ্ঠীও। আক্রান্ত রোহিঙ্গা মুসলিমদের বাঁচাতে ও আশ্রয় দিতে বাংলাদেশ সরকার সীমান্ত খুলে দেয় এবং তাদের পাশে দাঁড়ায়।

বিডিপ্রেস/আরজে