BDpress

অস্বস্তি নিয়েই প্রথম দিন শেষ করল ভারত

ক্রীড়া ডেস্ক

অ+ অ-
অস্বস্তি নিয়েই প্রথম দিন শেষ করল ভারত
ইডেন গার্ডেনে শেষদিন শেষ মুহূর্তে রোমাঞ্চ তৈরি হয়েছিল। নাগপুরের ভিদর্ভ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে কী তবে প্রথম দিন থেকেই রোমাঞ্চ! টস জিতে ব্যাট করতে নামা সফরকারী শ্রীলঙ্কাকে প্রথমদিনই মাত্র ২০৫ রানে অলআউট করে দিয়ে ব্যাট করতে নেমেছে স্বাগতিক ভারত। তাতেও কিন্তু স্বস্তি নিয়ে দিন শেষ করতে পারেনি বিরাট কোহলিরা।

কারণ, মাত্র ৮ ওভার ব্যাট করে ৭ রান তুলতেই ওপেনার লোকেশ রাহুলের উইকেট হারাতে হয়েছে তাদেরকে। প্রথম দিনটা শেষ হয়েছে সেই ১ উইকেটে ১১ রান নিয়ে। ২ রান করে নিয়ে উইকেটে রয়েছেন মুরালি বিজয় এবং চেতেশ্বর পুজারা। সফরকারী শ্রীলঙ্কার চেয়ে এখনও ১৯৪ রান পিছিয়ে ভারত। হাতে আছে ৯ উইকেট।

টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় শ্রীলঙ্কা। কিন্তু অধিনায়ক দিনেশ চান্ডিমালের ব্যাট করার সিদ্ধান্তকে বাস্তবসম্মত করতে পারেননি ওপেনার সাদিরা সামারাভিক্রমা। দলীয় ২০ রানে, ইশান্ত শর্মার বলে ব্যাক্তিগত ১৩ রানে চেতেশ্বর পুজারার হাতে ক্যাচ দেন তিনি। ইশান্ত শর্মার পর লঙ্কানদের ওপর মায়াবী ঘূর্ণির জাল বিস্তার করেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন এবং রবীন্দ্র জাদেজা। ৯ রানে লাহিরু থিরিমানে এবং ১০ রানে ফিরিয়ে দেন আঞ্জেলো ম্যাথিউজকে।

দলীয় ৬০ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে ধুঁকতে থাকা শ্রীলঙ্কাকে টেনে তোলার দায়িত্ব নেন ওপেনার দিমুথ করুনারত্নে এবং অধিনায়ক দিনেশ চান্ডিমাল। দু’জনের ব্যাটে ওঠে ৬২ রানের জুটি। দলীয় ১২২ রানে গিয়ে এই জুটিও ভেঙে দেন সেই ইশান্ত শর্মা। এলবির ফাঁদে ফেলে তিনি ফিরিয়ে দেন করুনারত্নেকে। ১৪৭ বল মোকাবেলায় ৫১ রান করেন তিনি।

করুনারত্নে আউট হয়ে গেলেও নিরোশান ডিকভেলাকে নিয়ে আরও একটি জুটি গড়ে তোলার চেষ্টা করেন চান্ডিমাল। দু’জন মিলে গড়েন ৫৮ রানের জুটি। এবার এসে বিদায় নেন ডিকভেলা। জাদেজার বলে ইশান্ত শর্মার হাতে ক্যাচ দেন তিনি। আউট হওয়ার আগে ৩০ বলে করেন ২৪ রান।

ডিকভেলা আউট হওয়ার পরই মূলতঃ মড়ক লাগে লঙ্কান ইনিংসে। দাসুন সানাকা, দিলরুয়ান পেরেরা আউট হয়ে যান দ্রুত। এরপর ফিরে যান একপাশ আগলে রাখা দিনেশ চান্ডিমালও। ১২২ বল মোকাবেলা করে তিনি আউট হন ৫৭ রান করে। ৪টি বাউন্ডারির সঙ্গে ১টি ছক্কার মারও ছিল তার ব্যাটে।

মূলতঃ এ সময় লঙ্কানদের চেপে ধরেন রচিবন্দ্রন অশ্বিন। চান্ডিমালসহ শেষ দিকে এসে দ্রুত ৩ উইকেট তুলে নেন তিনি। পুরো ইনিংসে সব মিলিয়ে ৪ উইকেট নেন অশ্বিন। ৩ উইকেট নেন জাদেজা। বাকি ৩ উইকেট নেন ইশান্ত শর্মা। অথ্যাৎ ভারতীয় তিন বোলারেই ২০৫ রানে শেষ হয়ে যায় শ্রীলঙ্কার ইনিংস।

বিডিপ্রেস/আরজে

এ সম্পর্কিত অন্যান্য খবর

BDpress

অস্বস্তি নিয়েই প্রথম দিন শেষ করল ভারত


অস্বস্তি নিয়েই প্রথম দিন শেষ করল ভারত

কারণ, মাত্র ৮ ওভার ব্যাট করে ৭ রান তুলতেই ওপেনার লোকেশ রাহুলের উইকেট হারাতে হয়েছে তাদেরকে। প্রথম দিনটা শেষ হয়েছে সেই ১ উইকেটে ১১ রান নিয়ে। ২ রান করে নিয়ে উইকেটে রয়েছেন মুরালি বিজয় এবং চেতেশ্বর পুজারা। সফরকারী শ্রীলঙ্কার চেয়ে এখনও ১৯৪ রান পিছিয়ে ভারত। হাতে আছে ৯ উইকেট।

টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় শ্রীলঙ্কা। কিন্তু অধিনায়ক দিনেশ চান্ডিমালের ব্যাট করার সিদ্ধান্তকে বাস্তবসম্মত করতে পারেননি ওপেনার সাদিরা সামারাভিক্রমা। দলীয় ২০ রানে, ইশান্ত শর্মার বলে ব্যাক্তিগত ১৩ রানে চেতেশ্বর পুজারার হাতে ক্যাচ দেন তিনি। ইশান্ত শর্মার পর লঙ্কানদের ওপর মায়াবী ঘূর্ণির জাল বিস্তার করেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন এবং রবীন্দ্র জাদেজা। ৯ রানে লাহিরু থিরিমানে এবং ১০ রানে ফিরিয়ে দেন আঞ্জেলো ম্যাথিউজকে।

দলীয় ৬০ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে ধুঁকতে থাকা শ্রীলঙ্কাকে টেনে তোলার দায়িত্ব নেন ওপেনার দিমুথ করুনারত্নে এবং অধিনায়ক দিনেশ চান্ডিমাল। দু’জনের ব্যাটে ওঠে ৬২ রানের জুটি। দলীয় ১২২ রানে গিয়ে এই জুটিও ভেঙে দেন সেই ইশান্ত শর্মা। এলবির ফাঁদে ফেলে তিনি ফিরিয়ে দেন করুনারত্নেকে। ১৪৭ বল মোকাবেলায় ৫১ রান করেন তিনি।

করুনারত্নে আউট হয়ে গেলেও নিরোশান ডিকভেলাকে নিয়ে আরও একটি জুটি গড়ে তোলার চেষ্টা করেন চান্ডিমাল। দু’জন মিলে গড়েন ৫৮ রানের জুটি। এবার এসে বিদায় নেন ডিকভেলা। জাদেজার বলে ইশান্ত শর্মার হাতে ক্যাচ দেন তিনি। আউট হওয়ার আগে ৩০ বলে করেন ২৪ রান।

ডিকভেলা আউট হওয়ার পরই মূলতঃ মড়ক লাগে লঙ্কান ইনিংসে। দাসুন সানাকা, দিলরুয়ান পেরেরা আউট হয়ে যান দ্রুত। এরপর ফিরে যান একপাশ আগলে রাখা দিনেশ চান্ডিমালও। ১২২ বল মোকাবেলা করে তিনি আউট হন ৫৭ রান করে। ৪টি বাউন্ডারির সঙ্গে ১টি ছক্কার মারও ছিল তার ব্যাটে।

মূলতঃ এ সময় লঙ্কানদের চেপে ধরেন রচিবন্দ্রন অশ্বিন। চান্ডিমালসহ শেষ দিকে এসে দ্রুত ৩ উইকেট তুলে নেন তিনি। পুরো ইনিংসে সব মিলিয়ে ৪ উইকেট নেন অশ্বিন। ৩ উইকেট নেন জাদেজা। বাকি ৩ উইকেট নেন ইশান্ত শর্মা। অথ্যাৎ ভারতীয় তিন বোলারেই ২০৫ রানে শেষ হয়ে যায় শ্রীলঙ্কার ইনিংস।

বিডিপ্রেস/আরজে