BDpress

‘এতো দূরদর্শিতা আর দিক-নির্দেশনা পৃথিবীর কোনো ভাষণে নেই’

নিজস্ব প্রতিবেদক

অ+ অ-
‘এতো দূরদর্শিতা আর দিক-নির্দেশনা পৃথিবীর কোনো ভাষণে নেই’
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বার বার মনে পড়ে ১৯৭১ সালের ৭ মার্চের কথা। সে দিনের জনসমুদ্রে আমার আসার সৌভাগ্য হয়েছিল। আমরা এসেছি, ভাষণ শুনেছি। দেখেছি সেদিন বাংলার মানুষের উত্তাল তরঙ্গ।

তিনি বলেন, আমাদের প্রতিটি অর্জন জাতির পিতার নেতৃত্বে। শিক্ষা, অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থানের পাশাপাশি দেশকে একটি স্বাধীন জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠায় জাতির পিতা আন্দোলন গড়ে তোলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, স্বাধীনতার মন্ত্রে বাঙালি জাতিকে উদ্বুদ্ধ করেন। বাংলার মানুষের সঙ্গে জাতির পিতার আত্মিক সম্পর্ক এ ভাষণে ফুটে ওঠে। তিনি অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দেন। তিনি গেরিলা যুদ্ধের নির্দেশনা দিয়েছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এতো দূরদর্শিতা, এতো দিক-নির্দেশনা পৃথিবীর কোনো ভাষণে পাওয়া যায় না।

তিনি বলেন, আজকে আমরা আনন্দিত। এ ভাষণ আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেয়েছে। ৪৬ বছর আগের এ ভাষণকে স্বীকৃতি দেয়ায় ইউনেস্কো, তার সাবেক পরিচালক, যারা ভোট দিয়েছেন এবং সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানাই।

বিডিপ্রেস/আরজে

এ সম্পর্কিত অন্যান্য খবর

BDpress

‘এতো দূরদর্শিতা আর দিক-নির্দেশনা পৃথিবীর কোনো ভাষণে নেই’


‘এতো দূরদর্শিতা আর দিক-নির্দেশনা পৃথিবীর কোনো ভাষণে নেই’

তিনি বলেন, আমাদের প্রতিটি অর্জন জাতির পিতার নেতৃত্বে। শিক্ষা, অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থানের পাশাপাশি দেশকে একটি স্বাধীন জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠায় জাতির পিতা আন্দোলন গড়ে তোলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, স্বাধীনতার মন্ত্রে বাঙালি জাতিকে উদ্বুদ্ধ করেন। বাংলার মানুষের সঙ্গে জাতির পিতার আত্মিক সম্পর্ক এ ভাষণে ফুটে ওঠে। তিনি অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দেন। তিনি গেরিলা যুদ্ধের নির্দেশনা দিয়েছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এতো দূরদর্শিতা, এতো দিক-নির্দেশনা পৃথিবীর কোনো ভাষণে পাওয়া যায় না।

তিনি বলেন, আজকে আমরা আনন্দিত। এ ভাষণ আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেয়েছে। ৪৬ বছর আগের এ ভাষণকে স্বীকৃতি দেয়ায় ইউনেস্কো, তার সাবেক পরিচালক, যারা ভোট দিয়েছেন এবং সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানাই।

বিডিপ্রেস/আরজে