BDpress

সংশোধিত বাজেট হবে ৩ লাখ ৭১ হাজার কোটি টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক

অ+ অ-
সংশোধিত বাজেট হবে ৩ লাখ ৭১ হাজার কোটি টাকা
চলতি ২০১৭-১৮ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেট ৩ লাখ ৭১ হাজার কোটি টাকা হবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। বোরবার সচিবালয়ে বাজেট সমন্বয় কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ‘বাজেট সমন্বয় কমিটির মিটিং ছিল আজকে। এটা ২০১৮-১৯ সালের বাজেট প্রিপারেশন মিটিং। ২০১৮-১৯ সালের বাজেটটা আমাদের টাইমের লাস্ট বাজেট। সো আই থট দ্যাট আই সুড স্টার্ট ওয়ার্কিং অন দ্য বাজেট অ্যাট নাউ। ইট উইল বি সাটামাটা বাজেট। নিউ ইনিশিয়েটিভ কিছু থাকবে না। ইট উইল নট আইদার অ্যান এম্বিসাস বাজেট।’

মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা প্রাথমিকভাবে চিন্তা করছি, এবারের বাজেট ছিল ৪ লাখ ২০০ কোটি টাকা, আজকে যেটা প্রস্তাব হয়েছে...তিন বছরের জন্য প্রজেকশন করি। তিন বছরের প্রজেকশন হচ্ছে, এবার রিভাইস বাজেট যেটা হবে ৩ লাখ ৭১ হাজার কোটি টাকা। সেই অনুযায়ী আমাদের আগামী বাজেটটা চিন্তা করতে হয়েছে।’

আগামী অর্থবছরে বাজেট হবে ৪ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকা জানিয়ে মুহিত বলেন, ‘এগুলো ইনিশিয়াল ইন্ডিকেটর, এটা স্টার্টিং ফিগার। এরপর ফেব্রুয়ারি মাসে আমরা আগামী বছরের বাজেট চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করব। ৪ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার কাছাকাছি এটা থাকবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আগামী বছরের বাজেটের এই সাইজের অনুযায়ী বরাদ্দের ধারণা আমরা মন্ত্রণালয়গুলোকে দিয়েছি। এর উপর ভিত্তি করে অর্থমন্ত্রণালয় অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা শুরু করবে।’

মন্ত্রী আরও বলেন, ‘এছাড়া চলতি বছরের বাজেট বাস্তবায়নের বিষয়ে বিএমআরসির সঙ্গে বৈঠক ছিল। সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অর্থবছরের বাস্তবায়নের অবস্থা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। সেখানে দেখা গেলে পারফরমেন্স গত বছরের চেয়ে কিছুটা ভালো। এটা এডিপি বাস্তবায়নের জন্য হয়েছে। অর্থবছরের প্রথম মাসে এডিপিটা বাস্তবায়ন খুব ভাল হয়েছে। গত বছর এডিপি বাস্তবায়নটা সবেচেয়ে খারাপ হয়েছে। সুতরাং এটা অর্থনীতির জন্য খুব ভালো।’

‘আগামী বছরের বাজেটটা আমাদের করে যেতে হবে। আমরা দায়সারা বাজেট করব না। বাজেট করব বাজেটের মতোই। আমি মনে করি আমররাই জিতব ইলেকশনে। পলিটিক্যাল কথা বলছি, ইট নট বাজেটারি’ বলেন অর্থমন্ত্রী।

আগামী বাজেট কি নির্বাচনী বাজেট হবে- জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘নো, নির্বাচনী বাজেট কী? নির্বাচনী বাজেট কিছু নেই। এতে নতুন কিছু থাকবে না, যা করছি সেটা কন্টিনিউ করা। যেহেতু আমরা আশা করি উই স্যাল কাম ব্যাক ইন পাওয়ার অ্যাগেইন। সো ইট উইল বি বাজেট, সেটা আমরা চাই সুড বি ইমপ্লিমেন্টেড। আমরা যদি কিছু বাস্তবায়ন করতে চাই তা বাজেটে থাকবে।’

তিনি বলেন, ‘প্রত্যেক বাজেটে আমাদের কিছু বেসিক প্রিন্সিপ্যাল থাকে। আমরা চেষ্টা করি মিনিস্ট্রির যে অ্যালোকেশন থাকে সেটা থেকে কম যাতে তারা না পায়। আগামী বাজেটে শিক্ষা বিশেষ অগ্রাধিকার পাবে।’

রাজস্ব সংগ্রহের পারফরমেন্সের বিষয়ে জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, ‘ভালো, গত বছর প্রবৃদ্ধি ছিল ১১ শতাংশ। এবার আমরা চাচ্ছি ১৩ শতাংশ। সো ফার কালেকশন ইজ ওকে। গুড থিং হচ্ছে নাম্বার অব ট্যাক্স পেয়ারস...। আমি যেখানে টার্গেট নিয়েছিলাম ২৫ লাখ, সেখানে হয়েছে ৩২ লাখ।’

বেশির ভাগ করদাতার বয়স ৪০ বছরের নিচে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের দেশের উজ্জ্বল যুবকরা মনে করে এটা তাদের দায়িত্ব। দেশকে টাকা দেয়া দরকার। এটা দেশের জন্য ভালো বিষয়।’

বিডিপ্রেস/আরজে

এ সম্পর্কিত অন্যান্য খবর

BDpress

সংশোধিত বাজেট হবে ৩ লাখ ৭১ হাজার কোটি টাকা


সংশোধিত বাজেট হবে ৩ লাখ ৭১ হাজার কোটি টাকা

তিনি বলেন, ‘বাজেট সমন্বয় কমিটির মিটিং ছিল আজকে। এটা ২০১৮-১৯ সালের বাজেট প্রিপারেশন মিটিং। ২০১৮-১৯ সালের বাজেটটা আমাদের টাইমের লাস্ট বাজেট। সো আই থট দ্যাট আই সুড স্টার্ট ওয়ার্কিং অন দ্য বাজেট অ্যাট নাউ। ইট উইল বি সাটামাটা বাজেট। নিউ ইনিশিয়েটিভ কিছু থাকবে না। ইট উইল নট আইদার অ্যান এম্বিসাস বাজেট।’

মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা প্রাথমিকভাবে চিন্তা করছি, এবারের বাজেট ছিল ৪ লাখ ২০০ কোটি টাকা, আজকে যেটা প্রস্তাব হয়েছে...তিন বছরের জন্য প্রজেকশন করি। তিন বছরের প্রজেকশন হচ্ছে, এবার রিভাইস বাজেট যেটা হবে ৩ লাখ ৭১ হাজার কোটি টাকা। সেই অনুযায়ী আমাদের আগামী বাজেটটা চিন্তা করতে হয়েছে।’

আগামী অর্থবছরে বাজেট হবে ৪ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকা জানিয়ে মুহিত বলেন, ‘এগুলো ইনিশিয়াল ইন্ডিকেটর, এটা স্টার্টিং ফিগার। এরপর ফেব্রুয়ারি মাসে আমরা আগামী বছরের বাজেট চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করব। ৪ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার কাছাকাছি এটা থাকবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আগামী বছরের বাজেটের এই সাইজের অনুযায়ী বরাদ্দের ধারণা আমরা মন্ত্রণালয়গুলোকে দিয়েছি। এর উপর ভিত্তি করে অর্থমন্ত্রণালয় অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা শুরু করবে।’

মন্ত্রী আরও বলেন, ‘এছাড়া চলতি বছরের বাজেট বাস্তবায়নের বিষয়ে বিএমআরসির সঙ্গে বৈঠক ছিল। সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অর্থবছরের বাস্তবায়নের অবস্থা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। সেখানে দেখা গেলে পারফরমেন্স গত বছরের চেয়ে কিছুটা ভালো। এটা এডিপি বাস্তবায়নের জন্য হয়েছে। অর্থবছরের প্রথম মাসে এডিপিটা বাস্তবায়ন খুব ভাল হয়েছে। গত বছর এডিপি বাস্তবায়নটা সবেচেয়ে খারাপ হয়েছে। সুতরাং এটা অর্থনীতির জন্য খুব ভালো।’

‘আগামী বছরের বাজেটটা আমাদের করে যেতে হবে। আমরা দায়সারা বাজেট করব না। বাজেট করব বাজেটের মতোই। আমি মনে করি আমররাই জিতব ইলেকশনে। পলিটিক্যাল কথা বলছি, ইট নট বাজেটারি’ বলেন অর্থমন্ত্রী।

আগামী বাজেট কি নির্বাচনী বাজেট হবে- জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘নো, নির্বাচনী বাজেট কী? নির্বাচনী বাজেট কিছু নেই। এতে নতুন কিছু থাকবে না, যা করছি সেটা কন্টিনিউ করা। যেহেতু আমরা আশা করি উই স্যাল কাম ব্যাক ইন পাওয়ার অ্যাগেইন। সো ইট উইল বি বাজেট, সেটা আমরা চাই সুড বি ইমপ্লিমেন্টেড। আমরা যদি কিছু বাস্তবায়ন করতে চাই তা বাজেটে থাকবে।’

তিনি বলেন, ‘প্রত্যেক বাজেটে আমাদের কিছু বেসিক প্রিন্সিপ্যাল থাকে। আমরা চেষ্টা করি মিনিস্ট্রির যে অ্যালোকেশন থাকে সেটা থেকে কম যাতে তারা না পায়। আগামী বাজেটে শিক্ষা বিশেষ অগ্রাধিকার পাবে।’

রাজস্ব সংগ্রহের পারফরমেন্সের বিষয়ে জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, ‘ভালো, গত বছর প্রবৃদ্ধি ছিল ১১ শতাংশ। এবার আমরা চাচ্ছি ১৩ শতাংশ। সো ফার কালেকশন ইজ ওকে। গুড থিং হচ্ছে নাম্বার অব ট্যাক্স পেয়ারস...। আমি যেখানে টার্গেট নিয়েছিলাম ২৫ লাখ, সেখানে হয়েছে ৩২ লাখ।’

বেশির ভাগ করদাতার বয়স ৪০ বছরের নিচে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের দেশের উজ্জ্বল যুবকরা মনে করে এটা তাদের দায়িত্ব। দেশকে টাকা দেয়া দরকার। এটা দেশের জন্য ভালো বিষয়।’

বিডিপ্রেস/আরজে

স্পটলাইট