BDpress

কর্মবিরতিতে সরকারি কলেজে শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত

নিজস্ব প্রতিবেদক

অ+ অ-
কর্মবিরতিতে সরকারি কলেজে শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত
নতুন জাতীয়করণ করা কলেজ শিক্ষকদের 'নন-ক্যাডার' ঘোষণার দাবিতে সারাদেশের ৩১৩টি সরকারি কলেজে ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ রেখে সোমবার দ্বিতীয় দিনের মতো কর্মবিরতি পালন করছেন শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তারা। এতে কলেজগুলোয় শিক্ষা কার্যক্রম পুরোপুরি ব্যাহত হয়। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ রবি ও সোমবারের সব পরীক্ষা স্থগিত করে। বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের সদস্য ওই শিক্ষকরা দাবি পূরণ না হলে আগামী ৬, ৭ ও ৮ জানুয়ারি আবারও পূর্ণদিবস কর্মবিরতির ঘোষণা দিয়েছেন।

বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতির ডাকে এ কর্মবিরতি পালিত হচ্ছে। পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, সোমবার শেষ হচ্ছে দুই দিনের এ কর্মবিরতি।

পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী 'নো বিসিএস, নো ক্যাডার' দাবিতে রোববার সকাল থেকে কর্মবিরতি পালন শুরু করেন শিক্ষকরা। অনেকে কলেজে হাজির হয়ে খাতায় স্বাক্ষর করলেও কোনো ক্লাস বা পরীক্ষা নেননি।

দেশের যেসব উপজেলায় সরকারি কলেজ ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় নেই, সেখানে একটি করে কলেজ ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়কে সরকারিকরণের ঘোষণা দিয়েছে সরকার। এর মাধ্যমে সারাদেশে ৩২৫টি বেসরকারি স্কুল ও ৩১৫টি বেসরকারি কলেজ জাতীয়করণ হচ্ছে। এর আগে যেসব বেসরকারি কলেজকে সরকারিকরণ করা হয়েছে, সেগুলোর শিক্ষকদের ক্যাডারভুক্ত করা হয়েছে। আর এই সিদ্ধান্ত নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আপত্তি জানিয়ে আসছেন বিসিএস শিক্ষকরা।

নতুন করে সরকারিকরণ করা কলেজগুলোর শিক্ষকদের কী মর্যাদা দেওয়া হবে তা এখনও চূড়ান্ত করেনি সরকার। বিসিএস শিক্ষকরা ওইসব শিক্ষককে আত্তীকরণ নিয়ে স্পষ্ট বিধিমালা প্রণয়নের দাবি জানিয়ে আসছেন। বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের ১৫ হাজারের বেশি শিক্ষক বিভিন্ন সরকারি কলেজে কর্মরত রয়েছেন।

নতুন করে জাতীয়করণ করা কলেজের শিক্ষকদের বিসিএস ক্যাডার পদমর্যাদা না দেওয়ার দাবিতে গত শুক্রবার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সমাবেশ করে দু'দিনের কর্মবিরতির ডাক দেয় বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতি।

বিডিপ্রেস/মিঠু

এ সম্পর্কিত অন্যান্য খবর

BDpress

কর্মবিরতিতে সরকারি কলেজে শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত


কর্মবিরতিতে সরকারি কলেজে শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত

বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতির ডাকে এ কর্মবিরতি পালিত হচ্ছে। পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, সোমবার শেষ হচ্ছে দুই দিনের এ কর্মবিরতি।

পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী 'নো বিসিএস, নো ক্যাডার' দাবিতে রোববার সকাল থেকে কর্মবিরতি পালন শুরু করেন শিক্ষকরা। অনেকে কলেজে হাজির হয়ে খাতায় স্বাক্ষর করলেও কোনো ক্লাস বা পরীক্ষা নেননি।

দেশের যেসব উপজেলায় সরকারি কলেজ ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় নেই, সেখানে একটি করে কলেজ ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়কে সরকারিকরণের ঘোষণা দিয়েছে সরকার। এর মাধ্যমে সারাদেশে ৩২৫টি বেসরকারি স্কুল ও ৩১৫টি বেসরকারি কলেজ জাতীয়করণ হচ্ছে। এর আগে যেসব বেসরকারি কলেজকে সরকারিকরণ করা হয়েছে, সেগুলোর শিক্ষকদের ক্যাডারভুক্ত করা হয়েছে। আর এই সিদ্ধান্ত নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আপত্তি জানিয়ে আসছেন বিসিএস শিক্ষকরা।

নতুন করে সরকারিকরণ করা কলেজগুলোর শিক্ষকদের কী মর্যাদা দেওয়া হবে তা এখনও চূড়ান্ত করেনি সরকার। বিসিএস শিক্ষকরা ওইসব শিক্ষককে আত্তীকরণ নিয়ে স্পষ্ট বিধিমালা প্রণয়নের দাবি জানিয়ে আসছেন। বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের ১৫ হাজারের বেশি শিক্ষক বিভিন্ন সরকারি কলেজে কর্মরত রয়েছেন।

নতুন করে জাতীয়করণ করা কলেজের শিক্ষকদের বিসিএস ক্যাডার পদমর্যাদা না দেওয়ার দাবিতে গত শুক্রবার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সমাবেশ করে দু'দিনের কর্মবিরতির ডাক দেয় বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতি।

বিডিপ্রেস/মিঠু