BDpress

সরকারের নানামুখী কর্মকাণ্ডে কৃষিতে সাফল্য : কৃষিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক

অ+ অ-
সরকারের নানামুখী কর্মকাণ্ডে কৃষিতে সাফল্য : কৃষিমন্ত্রী
বাংলাদেশের কৃষির সাফল্য সরকারের নানামুখী কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে অর্জিত হয়েছে। বিশেষ করে ধান উন্নয়নে ইরি’র মাধ্যমে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ও সম্প্রসারণের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। তাই ইরি’র গবেষণা ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কৃষিবান্ধব সরকার সব প্রকার সহযোগিতা প্রদান করছে এবং এ সহযোগিতা অব্যাহত রয়েছে। সম্প্রতি আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ইরি) সফরকালে এসব কথা বলেন কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী।

আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ইরি) সফরকালে কৃষিমন্ত্রীর সফরসঙ্গী ছিলেন বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের নির্বাহী চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক এবং কৃষি গবেষণা ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক। ইরি এর মহাপরিচালক ড. ম্যাথিউ মোরেলসহ ঊর্ধ্বতন বিজ্ঞানীরা কৃষিমন্ত্রীকে স্বাগত জানান। মন্ত্রী ইরি’র বিভিন্ন গবেষণাগার পরিদর্শন করেন।

সফরকালে মন্ত্রীকে ইরি’র শীর্ষ বিজ্ঞানী ও কর্মকর্তারা জানান, ধানের উৎপাদনশীলতা বহুগুণ বাড়ানোর লক্ষ্যে ফসলের শরীরতাত্ত্বিক পরিবর্তনের বিষয়ে যুগান্তকারী কর্মকাণ্ডই হচ্ছে ইরি’র মৌলিক গবেষণার উল্লেখযোগ্য এবং প্রধান দিক। সুদূর প্রসারী গবেষণায় ধানের জিনের গুণগত পরিবর্তনের মাধ্যমে এর সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার দক্ষতা বাড়ানো হবে।

বিজ্ঞানীরা আরও জানান, ধান একটি C3 ভুক্ত উদ্ভিদ শ্রেণি, অন্যদিকে ভুট্টা ও সরগম C4 ভুক্ত উদ্ভিদ। C4 ফসল অধিক পরিমাণে সূর্যের আলো ও বাতাসের কার্বনডাই অক্সাইড গ্রহণ করে অধিক খাদ্য প্রস্তুত করতে পারে। তাই C4 ভুক্ত উদ্ভিদ এর সালোকসংশ্লেষণের দক্ষতা বেশি হবার কারণে সরগমের জিন ব্যবহার করে ধানের উৎপাদন বহুগুণ বৃদ্ধি করার উদ্দেশ্যে এ গবেষণা করা হচ্ছে। এ সময় ধান গবেষণার বিভিন্ন দিক বিশেষ করে বাংলাদেশের উপযোগী জলমগ্নতা, খরা, লবণাক্ততা, তাপমাত্রা সহিষ্ণু; ভিটামিন, জিঙ্ক ও আয়রনসমৃদ্ধ অধিক উৎপাদনশীল ধান উন্নয়ন বিষয়েও অবহিত করা হয়। বিজ্ঞানীরা সফরকারীদলকে গুরুত্বপূর্ণ এবং দীর্ঘমেয়াদি গবেষণা সম্পর্কে অবহিত করেন।

এ সময় মন্ত্রীকে বিগত ২২ বছরব্যাপী এ গবেষণার ৭ বছরের অগ্রগতি বিষয়ে বিশদভাবে অবহিত করেন ইরি’র বিজ্ঞানী ড. রবার্ট কু। মন্ত্রী এ গবেষণার বিষয়ে অত্যন্ত আগ্রহ প্রকাশ করেন। তিনি সন্তুষ্টি প্রকাশ করে বলেন, এ ধরনের মৌলিক গবেষণা আগামী প্রজন্মের জন্য আশীর্বাদ বয়ে আনবে। মন্ত্রী ইরি’র এসব মৌলিক ও উন্নত গবেষণায় বাংলাদেশি বিজ্ঞানীদের অধিক হারে অংশগ্রহণের সুযোগ সৃষ্টির অনুরোধ করেন।

বিডিপ্রেস/আরজে


এ সম্পর্কিত অন্যান্য খবর

BDpress

সরকারের নানামুখী কর্মকাণ্ডে কৃষিতে সাফল্য : কৃষিমন্ত্রী


সরকারের নানামুখী কর্মকাণ্ডে কৃষিতে সাফল্য : কৃষিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ইরি) সফরকালে কৃষিমন্ত্রীর সফরসঙ্গী ছিলেন বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের নির্বাহী চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক এবং কৃষি গবেষণা ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক। ইরি এর মহাপরিচালক ড. ম্যাথিউ মোরেলসহ ঊর্ধ্বতন বিজ্ঞানীরা কৃষিমন্ত্রীকে স্বাগত জানান। মন্ত্রী ইরি’র বিভিন্ন গবেষণাগার পরিদর্শন করেন।

সফরকালে মন্ত্রীকে ইরি’র শীর্ষ বিজ্ঞানী ও কর্মকর্তারা জানান, ধানের উৎপাদনশীলতা বহুগুণ বাড়ানোর লক্ষ্যে ফসলের শরীরতাত্ত্বিক পরিবর্তনের বিষয়ে যুগান্তকারী কর্মকাণ্ডই হচ্ছে ইরি’র মৌলিক গবেষণার উল্লেখযোগ্য এবং প্রধান দিক। সুদূর প্রসারী গবেষণায় ধানের জিনের গুণগত পরিবর্তনের মাধ্যমে এর সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার দক্ষতা বাড়ানো হবে।

বিজ্ঞানীরা আরও জানান, ধান একটি C3 ভুক্ত উদ্ভিদ শ্রেণি, অন্যদিকে ভুট্টা ও সরগম C4 ভুক্ত উদ্ভিদ। C4 ফসল অধিক পরিমাণে সূর্যের আলো ও বাতাসের কার্বনডাই অক্সাইড গ্রহণ করে অধিক খাদ্য প্রস্তুত করতে পারে। তাই C4 ভুক্ত উদ্ভিদ এর সালোকসংশ্লেষণের দক্ষতা বেশি হবার কারণে সরগমের জিন ব্যবহার করে ধানের উৎপাদন বহুগুণ বৃদ্ধি করার উদ্দেশ্যে এ গবেষণা করা হচ্ছে। এ সময় ধান গবেষণার বিভিন্ন দিক বিশেষ করে বাংলাদেশের উপযোগী জলমগ্নতা, খরা, লবণাক্ততা, তাপমাত্রা সহিষ্ণু; ভিটামিন, জিঙ্ক ও আয়রনসমৃদ্ধ অধিক উৎপাদনশীল ধান উন্নয়ন বিষয়েও অবহিত করা হয়। বিজ্ঞানীরা সফরকারীদলকে গুরুত্বপূর্ণ এবং দীর্ঘমেয়াদি গবেষণা সম্পর্কে অবহিত করেন।

এ সময় মন্ত্রীকে বিগত ২২ বছরব্যাপী এ গবেষণার ৭ বছরের অগ্রগতি বিষয়ে বিশদভাবে অবহিত করেন ইরি’র বিজ্ঞানী ড. রবার্ট কু। মন্ত্রী এ গবেষণার বিষয়ে অত্যন্ত আগ্রহ প্রকাশ করেন। তিনি সন্তুষ্টি প্রকাশ করে বলেন, এ ধরনের মৌলিক গবেষণা আগামী প্রজন্মের জন্য আশীর্বাদ বয়ে আনবে। মন্ত্রী ইরি’র এসব মৌলিক ও উন্নত গবেষণায় বাংলাদেশি বিজ্ঞানীদের অধিক হারে অংশগ্রহণের সুযোগ সৃষ্টির অনুরোধ করেন।

বিডিপ্রেস/আরজে