BDpress

‘আমি একা নই, আমার মতো আরো রোবট তৈরি করা সম্ভব’

নিজস্ব প্রতিবেদক

অ+ অ-
‘আমি একা নই, আমার মতো আরো রোবট তৈরি করা সম্ভব’
আর্টিফিসিয়াল রোবট বিশ্বকে সহায়তা করবে বলে জানিয়েছে প্রথম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক সামাজিক রোবট সোফিয়া। সে বলেছে, আমার মতো আরো রোবট তৈরি করা সম্ভব, আমি একা নই। তথ্য ও প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলকের এক প্রশ্নের জবাবে সোফিয়া এ কথা বলেছে। প্রতিমন্ত্রীর প্রশ্ন ছিল, তার মতো আরো রোবট বানানো সম্ভব কি না?

বুধবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড মেলা উপলক্ষে প্রথম সামাজিক রোবট সোফিয়াকে নিয়ে 'টেক টক উইথ সোফিয়া' নিয়ে আয়োজন করা অনুষ্ঠানে হাসিমুখে বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে সোফিয়া এসব বলেছে।  

সোফিয়াকে নিয়ে আয়োজন করা অনুষ্ঠানের শুরুতে কথা বলেন ড. ডেভিড হ্যানসন। তার কাছে জানতে চাওয়া হয় পূর্ণাঙ্গ রোবট বানানো সম্ভব কি না? জবাবে হ্যানসন বলেন, হ্যাঁ, সম্ভব। এ সময় সামাজিক রোবটের এই জনক বলেন, বাংলাদেশের কোনো যুবক রোবট বানাতে চাইলে তারা পারবে, আমার বিশ্বাস।

হ্যানসন বলেন, সোফিয়ার সফটওয়্যারটি ওপেন সোর্স আকারে রয়েছে। বাংলাদেশের কেউ চাইলে এই সফটওয়্যার ডেভলপ করতে পারবে। আমার পক্ষ থেকে তাকে স্বাগত।  

অনুষ্ঠানস্থলে তরুণ-তরুণীদের উপচেপড়া ভিড় ছিল। তবে কারো মধ্যে কোনো ক্লান্তি ছিল না। সোফিয়াকে সামনে থেকে একনজর দেখার জন্য অডিটোরিয়ামজুড়ে ছিল মানুষের ভিড়। 

সোফিয়া মঞ্চে আসতে দেরি করায় হইহুল্লোড় লেগে যায়। প্রতীক্ষার প্রহর পেরিয়ে যখন বেলা ৩টা ছুঁইছুঁই, ঠিক তখনই মঞ্চে সোফিয়া হাজির হয়। সঙ্গে ছিলেন সোফিয়ার উদ্ভাবক ড. ডেভিড হ্যানসন। বিজ্ঞাপনী সংস্থা গ্রে ঢাকার ব্যবস্থাপনা পরিচালক গাউছুল আলম শাওনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক উপস্থিত ছিলেন।

প্রথমেই সঞ্চালক সোফিয়াকে বাংলাদেশে আসার জন্য অভিনন্দন জানান। জবাবে সোফিয়া বাংলাদেশের সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, ‘হ্যালো বাংলাদেশ। আই অ্যাম আর্টিফিশিয়াল ইন্টিলিজেন্ট ইন্ট্রিগ্রেটেড রোবট সোফিয়া।’

শাওন সোফিয়ার কাছে জানতে চান, ‘সোফিয়া তুমি কী জানো, এখন কোথায় আছো?’ জবাবে সোফিয়া জানালো, ‘আমি বাংলাদেশে আছি। এখানে আজ থেকে ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড শুরু হয়েছে। আমার সামনে হাজারো তরুণ আমার কথা শোনার জন্য অপেক্ষায় আছে।’

এবার সঞ্চালক সোফিয়ার পরনের পোশাকের তারিফ করেন। সোফিয়া তুমি যে পোশাকটি পরেছ, তোমাকে বেশ মানিয়েছে। তুমি কী জানো, তুমি কী পোশাক পরে আছো? খানিকটা হেসে সোফিয়া বলে, আমি বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী জামদানি পোশাক পরেছি। 

এরপর আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক সোফিয়ার কাছে জানতে চান, একটি জাতিকে বদলানোর জন্য ডিজিটালাইজেশনের ভূমিকা কী হতে পারে? সোফিয়া জানায়,  জাতিকে বদলাতে হলে ডিজিটালাইজেশনের বিকল্প নেই।

সোফিয়াকে যখন মঞ্চে আনা হলো, তখন অডিটোরিয়ামজুড়ে উল্লাস ছড়িয়ে পড়ে। মঞ্চ থেকে তথ্য প্রতিমন্ত্রী এসময় সবাইকে চুপ থাকার জন্য একাধিকবার অনুরোধ করেন। বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো রোবট নিয়ে এ ধরনের অনুষ্ঠানের আয়োজনে সবাই প্রাণচঞ্চল ছিল। 

এদিকে, সোফিয়ার কথা ছড়িয়ে পড়লে তরুণদের উচ্চস্বরে উল্লাস অডিটোরিয়াম স্টেডিয়ামে রূপ নেয়। 

বিডিপ্রেস/আরজে

এ সম্পর্কিত অন্যান্য খবর

BDpress

‘আমি একা নই, আমার মতো আরো রোবট তৈরি করা সম্ভব’


‘আমি একা নই, আমার মতো আরো রোবট তৈরি করা সম্ভব’

বুধবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড মেলা উপলক্ষে প্রথম সামাজিক রোবট সোফিয়াকে নিয়ে 'টেক টক উইথ সোফিয়া' নিয়ে আয়োজন করা অনুষ্ঠানে হাসিমুখে বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে সোফিয়া এসব বলেছে।  

সোফিয়াকে নিয়ে আয়োজন করা অনুষ্ঠানের শুরুতে কথা বলেন ড. ডেভিড হ্যানসন। তার কাছে জানতে চাওয়া হয় পূর্ণাঙ্গ রোবট বানানো সম্ভব কি না? জবাবে হ্যানসন বলেন, হ্যাঁ, সম্ভব। এ সময় সামাজিক রোবটের এই জনক বলেন, বাংলাদেশের কোনো যুবক রোবট বানাতে চাইলে তারা পারবে, আমার বিশ্বাস।

হ্যানসন বলেন, সোফিয়ার সফটওয়্যারটি ওপেন সোর্স আকারে রয়েছে। বাংলাদেশের কেউ চাইলে এই সফটওয়্যার ডেভলপ করতে পারবে। আমার পক্ষ থেকে তাকে স্বাগত।  

অনুষ্ঠানস্থলে তরুণ-তরুণীদের উপচেপড়া ভিড় ছিল। তবে কারো মধ্যে কোনো ক্লান্তি ছিল না। সোফিয়াকে সামনে থেকে একনজর দেখার জন্য অডিটোরিয়ামজুড়ে ছিল মানুষের ভিড়। 

সোফিয়া মঞ্চে আসতে দেরি করায় হইহুল্লোড় লেগে যায়। প্রতীক্ষার প্রহর পেরিয়ে যখন বেলা ৩টা ছুঁইছুঁই, ঠিক তখনই মঞ্চে সোফিয়া হাজির হয়। সঙ্গে ছিলেন সোফিয়ার উদ্ভাবক ড. ডেভিড হ্যানসন। বিজ্ঞাপনী সংস্থা গ্রে ঢাকার ব্যবস্থাপনা পরিচালক গাউছুল আলম শাওনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক উপস্থিত ছিলেন।

প্রথমেই সঞ্চালক সোফিয়াকে বাংলাদেশে আসার জন্য অভিনন্দন জানান। জবাবে সোফিয়া বাংলাদেশের সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, ‘হ্যালো বাংলাদেশ। আই অ্যাম আর্টিফিশিয়াল ইন্টিলিজেন্ট ইন্ট্রিগ্রেটেড রোবট সোফিয়া।’

শাওন সোফিয়ার কাছে জানতে চান, ‘সোফিয়া তুমি কী জানো, এখন কোথায় আছো?’ জবাবে সোফিয়া জানালো, ‘আমি বাংলাদেশে আছি। এখানে আজ থেকে ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড শুরু হয়েছে। আমার সামনে হাজারো তরুণ আমার কথা শোনার জন্য অপেক্ষায় আছে।’

এবার সঞ্চালক সোফিয়ার পরনের পোশাকের তারিফ করেন। সোফিয়া তুমি যে পোশাকটি পরেছ, তোমাকে বেশ মানিয়েছে। তুমি কী জানো, তুমি কী পোশাক পরে আছো? খানিকটা হেসে সোফিয়া বলে, আমি বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী জামদানি পোশাক পরেছি। 

এরপর আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক সোফিয়ার কাছে জানতে চান, একটি জাতিকে বদলানোর জন্য ডিজিটালাইজেশনের ভূমিকা কী হতে পারে? সোফিয়া জানায়,  জাতিকে বদলাতে হলে ডিজিটালাইজেশনের বিকল্প নেই।

সোফিয়াকে যখন মঞ্চে আনা হলো, তখন অডিটোরিয়ামজুড়ে উল্লাস ছড়িয়ে পড়ে। মঞ্চ থেকে তথ্য প্রতিমন্ত্রী এসময় সবাইকে চুপ থাকার জন্য একাধিকবার অনুরোধ করেন। বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো রোবট নিয়ে এ ধরনের অনুষ্ঠানের আয়োজনে সবাই প্রাণচঞ্চল ছিল। 

এদিকে, সোফিয়ার কথা ছড়িয়ে পড়লে তরুণদের উচ্চস্বরে উল্লাস অডিটোরিয়াম স্টেডিয়ামে রূপ নেয়। 

বিডিপ্রেস/আরজে