BDpress

নো বিসিএস নো ক্যাডার

নিজস্ব প্রতিবেদক

অ+ অ-
নো বিসিএস নো ক্যাডার
মোস্তফা হোসেইন ।। এটা কি দুর্ভাগ্য নাকি নিয়তি, বোঝা মুশকিল। আন্দোলনে নেমেছেন শিক্ষকদের একটি অংশ। তারা বিসিএস ক্যাডারভুক্ত শিক্ষক। তাদের কথা- বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ না হয়েও কেন নতুন জাতীয়করণকৃত কলেজের শিক্ষকরা ক্যাডারভুক্ত হবেন। এতে তাদের মর্যাদাহানী হয়।

সরকার দেশে নতুন করে ২৮৩ট বেসরকারি কলেজকে জাতীয়করণ করছে। এসব কলেজে শিক্ষক-কর্মচারীর সংখ্যা ১৫ হাজারের বেশি। আর বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে কলেজে চাকরি করছেন প্রায় ১০ হাজার শিক্ষক। এই মুহূর্তে ১০ হাজার আর ১৫ হাজারি শিক্ষক মুখোমুখি। আগের পথ অনুসরণ করলে জাতীয়করণের পর আপনা থেকে ওইসব কলেজের শিক্ষকরা ক্যাডারভুক্ত হবেন। আর এই ক্যাডারভুক্ত হওয়ার সুযোগ পাওয়ার জন্য ওই শিক্ষকরা বেশ কিছুদিন ধরে অপেক্ষা করছেন।

বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে যারা ক্যাডারভুক্ত হয়েছেন তারা নতুনদের ক্যাডারভুক্ত হওয়াটা মেনে নিতে পারছেন না। তাদের বক্তব্য কাঠখড় পুড়িয়ে তারা ক্যাডারভুক্ত হয়েছেন, সেখানে নাজেল হওয়া ক্যাডাররা ক্ষেত্র বিশেষ তাদের ডিঙ্গিয়ে যাবে এটা অযৌক্তিক। অবশ্যই এটা মর্যাদার লড়াই। এই লড়াইয়ে এখন বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ক্যাডারভুক্তরা রাস্তায় নেমেছেন। যা অভিনবও বটে।

সাধারণত সরকারি কর্মচারীদের এভাবে রাস্তায় নামতে দেখা যায় না। তাদের সমস্যাগুলো দেনদরবার করে মিটিয়ে নেয়ার চেষ্টা করেন। শিক্ষার্থীদের রাস্তায় নামতে দেখলে হয়তো এতটা উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ ছিলো না। কারণ তাদের বুঝিয়ে ঘরে ফেরানোর সুযোগ থাকে। মুরুববীরা কিংবা শিক্ষকরাও অভিভাবকের ভূমিকা পালন করতে পারে।

কিন্তু শিক্ষকদের এই আন্দোলন বন্ধ করতে কে যাবে, অন্তত সন্মান এবং মর্যাদার কারণে এমনটা মনে হতেই পারে। তারপরও দেখা গেলো শিক্ষকরা রাজনৈতিক দলের আদলে শহীদ মিনারে সমাবেশ করেছেন। ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছেন বেসরকারি কলেজগুলোকে সরকারিকরণের পর যেন তাদের শিক্ষকদের ক্যাডারভুক্ত না করা হয়। তাদের কথা- সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কলেজগুলো জাতীয়করণ হোক। শিক্ষকদের বেতন-ভাতাদিসহ সব সুযোগসুবিধা দেওয়া হোক। শুধু ক্যাডারভুক্ত যেন না করা হয়।

এর পরিপ্রেক্ষিতে অপেক্ষমান সরকারি কলেজগুলোর শিক্ষকরা ওইভাবে সংঘবদ্ধ হয়ে রাস্তায় নামতে পারেননি। যদিও তাদের জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন করতে দেখা গেছে।

তাদের পাল্টা বক্তব্য হচ্ছে- তাদের ক্যাডারভুক্তি মোটেও আইনের ব্যত্যয় ঘটায় না। বিধি ২০০০ যেহেতু বাতিল হয়নি তাই বেসরকারি কলেজ জাতীয়করণের পর আপনা থেকেই তারাও ক্যাডারভুক্ত হয়ে যান। অন্যদিকে যোগ্যতার ঘাটতি নিয়ে যে বক্তব্য বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষকরা দিচ্ছেন সেখানেও তাদের কথা আছে।

একজন শিক্ষক বছরের পর বছর শিক্ষকতা করেছেন। তাদের এই অভিজ্ঞতা কি বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার সমপর্যায়ের হতে পারে না? তাদের মধ্যে যারা একটু কড়া সমালোচক তাদের কথা- বিসিএস পরীক্ষাতো মূলত বৃত্ত ভরাট করা পরীক্ষা মাত্র। সেখানে মেধার যাচাই আর কতটা হয়। তার বিপরীতে তারা মাঠ পর্যায়ে এবং হাতে কলমে শিক্ষা গ্রহণ করছেন বা অভিজ্ঞতা অর্জন করছেন। তাহলে কি তাদের এই অভিজ্ঞতার কোনো মূল্যায়ন হবে না?

শিক্ষকদের এই পরস্পর বিরোধী ভূমিকায় অবতীর্ণ হওয়ার কারণে দেশে প্রায় ৩শ’ কলেজ সরকারিকরণের কাজটি ঝিমিয়ে পড়েছে। এদিকে কলেজ চিহ্নিতকরণ, শিক্ষক চিহ্নিতকরণ হয়ে গেছে। বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো নিয়ম মাফিক তাদের সম্পদও সরকারের ঘরে তোলে দিয়েছেন। শুধু জিও পেলেই কলেজগুলো সরকারি হিসেবে গণ্য হবে। চূড়ান্ত পর্যায়ে এসে এসব কলেজ থমকে দাঁড়ানোর কারণে ওই শিক্ষকদের মধ্যে যেমন হতাশা তৈরি হয়েছে তেমনি হাজার হাজার শিক্ষার্থী, অভিভাবকও দোলচালে পড়েছেন।

আসলে সরকারিকরণের পেছনে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের উদ্যোগী ভূমিকা রয়েছে। তারা ভোট প্রাপ্তির আশায় কলেজগুলো সরকারিকরণের উদ্যোগ নিয়েছেন। এই পর্যায়ে সরকার ব্যর্থ হলে রাজনীতিবিদদেরও রাজনৈতিকভাবে কিছুটা লোকসানের মুখে পড়তে হবে। তার সঙ্গে যুক্ত আছে কিছু শিক্ষা ব্যবসায়ী, যারা উৎকোচ নিয়ে কলেজ শিক্ষক নিয়োগ দিয়েছেন। সুতরাং তারা যে চেষ্টা বন্ধ করবেন আশা করা যায় না।

বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষকদের দাবিকে দ্বিধাছাড়া উড়িয়ে দেওয়া যায় না। আবার আইনী ফেকড়ায় ক্যাডার প্রত্যাশীদেরও বাতিল করা যায় না। এমন পরিস্থিতিতে সরকারকেই ভূমিকা নিতে হবে। সরকার শিক্ষাবিদদের নিয়ে একটা কমিটি গঠন করতে পারে। যেখানে দুই পক্ষের প্রতিনিধিও থাকতে পারে। আবার ক্যাডারভুক্ত করার জন্য নতুন পদ্ধতিও গ্রহণ করতে পারে। সেক্ষেত্রে  যেসব কলেজ সরকারি হবে সেখানে ক্যাডার ও ননক্যাডার দুই ধরনের শিক্ষক থাকবেন।

যেসব শিক্ষক ক্যাডারভুক্ত হতে চান তাদের পরীক্ষা নেয়া হোক। উত্তীর্ণদের ক্যাডারভুক্ত করলে বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষকদের ক্ষোভ থাকবে না। নতুনভাবে ক্যাডারভুক্তদের মধ্যেও কনফিডেন্স আসবে। শিক্ষকদের মর্যাদার প্রতি সন্মান জানানোর পরও অন্তত কিছুটা কঠোর মনে হলেও এধরনের কোনো একটা পথ বেছে নেয়া দরকার।

যেহেতু সরকারি সিদ্ধান্ত হচ্ছে- ধীরে ধীরে সরকারিকরণ চলতে থাকবে। একইসঙ্গে শিক্ষার উন্নয়নও যেহেতু সরকারের লক্ষ্য তাই বেসরকারি কলেজ ও স্কুলগুলোতে যাতে মানসম্পন্ন শিক্ষক নিয়োগ হয় সেদিকে আরো দৃষ্টি দিতে হবে। এখন নিবন্ধন পরীক্ষা মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়াটি মন্দের ভালো হিসেবে গৃহীত হলেও সেখানেও ফাঁক রয়ে গেছে।

কলেজগুলো যাতে নিবন্ধন পরীক্ষার দোহাই দিয়ে কম যোগ্যদের স্থান দিতে না পারে সেটা নিশ্চিত করতে হবে বৃহত্তর স্বার্থ চিন্তা করে। অন্তত আগামী প্রজন্মের নাগরিকদের সুশিক্ষিত করতে হলে কিছুটা কঠোর হওয়া উচিৎ বলে মনে করি।

মোস্তফা হোসেইন : সাংবাদিক, শিশুসাহিত্যিক ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গবেষক।

mhussain_71@yahoo.com 


বিডিপ্রেস/আরজে

এ সম্পর্কিত অন্যান্য খবর

BDpress

নো বিসিএস নো ক্যাডার


নো বিসিএস নো ক্যাডার

সরকার দেশে নতুন করে ২৮৩ট বেসরকারি কলেজকে জাতীয়করণ করছে। এসব কলেজে শিক্ষক-কর্মচারীর সংখ্যা ১৫ হাজারের বেশি। আর বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে কলেজে চাকরি করছেন প্রায় ১০ হাজার শিক্ষক। এই মুহূর্তে ১০ হাজার আর ১৫ হাজারি শিক্ষক মুখোমুখি। আগের পথ অনুসরণ করলে জাতীয়করণের পর আপনা থেকে ওইসব কলেজের শিক্ষকরা ক্যাডারভুক্ত হবেন। আর এই ক্যাডারভুক্ত হওয়ার সুযোগ পাওয়ার জন্য ওই শিক্ষকরা বেশ কিছুদিন ধরে অপেক্ষা করছেন।

বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে যারা ক্যাডারভুক্ত হয়েছেন তারা নতুনদের ক্যাডারভুক্ত হওয়াটা মেনে নিতে পারছেন না। তাদের বক্তব্য কাঠখড় পুড়িয়ে তারা ক্যাডারভুক্ত হয়েছেন, সেখানে নাজেল হওয়া ক্যাডাররা ক্ষেত্র বিশেষ তাদের ডিঙ্গিয়ে যাবে এটা অযৌক্তিক। অবশ্যই এটা মর্যাদার লড়াই। এই লড়াইয়ে এখন বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ক্যাডারভুক্তরা রাস্তায় নেমেছেন। যা অভিনবও বটে।

সাধারণত সরকারি কর্মচারীদের এভাবে রাস্তায় নামতে দেখা যায় না। তাদের সমস্যাগুলো দেনদরবার করে মিটিয়ে নেয়ার চেষ্টা করেন। শিক্ষার্থীদের রাস্তায় নামতে দেখলে হয়তো এতটা উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ ছিলো না। কারণ তাদের বুঝিয়ে ঘরে ফেরানোর সুযোগ থাকে। মুরুববীরা কিংবা শিক্ষকরাও অভিভাবকের ভূমিকা পালন করতে পারে।

কিন্তু শিক্ষকদের এই আন্দোলন বন্ধ করতে কে যাবে, অন্তত সন্মান এবং মর্যাদার কারণে এমনটা মনে হতেই পারে। তারপরও দেখা গেলো শিক্ষকরা রাজনৈতিক দলের আদলে শহীদ মিনারে সমাবেশ করেছেন। ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছেন বেসরকারি কলেজগুলোকে সরকারিকরণের পর যেন তাদের শিক্ষকদের ক্যাডারভুক্ত না করা হয়। তাদের কথা- সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কলেজগুলো জাতীয়করণ হোক। শিক্ষকদের বেতন-ভাতাদিসহ সব সুযোগসুবিধা দেওয়া হোক। শুধু ক্যাডারভুক্ত যেন না করা হয়।

এর পরিপ্রেক্ষিতে অপেক্ষমান সরকারি কলেজগুলোর শিক্ষকরা ওইভাবে সংঘবদ্ধ হয়ে রাস্তায় নামতে পারেননি। যদিও তাদের জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন করতে দেখা গেছে।

তাদের পাল্টা বক্তব্য হচ্ছে- তাদের ক্যাডারভুক্তি মোটেও আইনের ব্যত্যয় ঘটায় না। বিধি ২০০০ যেহেতু বাতিল হয়নি তাই বেসরকারি কলেজ জাতীয়করণের পর আপনা থেকেই তারাও ক্যাডারভুক্ত হয়ে যান। অন্যদিকে যোগ্যতার ঘাটতি নিয়ে যে বক্তব্য বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষকরা দিচ্ছেন সেখানেও তাদের কথা আছে।

একজন শিক্ষক বছরের পর বছর শিক্ষকতা করেছেন। তাদের এই অভিজ্ঞতা কি বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার সমপর্যায়ের হতে পারে না? তাদের মধ্যে যারা একটু কড়া সমালোচক তাদের কথা- বিসিএস পরীক্ষাতো মূলত বৃত্ত ভরাট করা পরীক্ষা মাত্র। সেখানে মেধার যাচাই আর কতটা হয়। তার বিপরীতে তারা মাঠ পর্যায়ে এবং হাতে কলমে শিক্ষা গ্রহণ করছেন বা অভিজ্ঞতা অর্জন করছেন। তাহলে কি তাদের এই অভিজ্ঞতার কোনো মূল্যায়ন হবে না?

শিক্ষকদের এই পরস্পর বিরোধী ভূমিকায় অবতীর্ণ হওয়ার কারণে দেশে প্রায় ৩শ’ কলেজ সরকারিকরণের কাজটি ঝিমিয়ে পড়েছে। এদিকে কলেজ চিহ্নিতকরণ, শিক্ষক চিহ্নিতকরণ হয়ে গেছে। বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো নিয়ম মাফিক তাদের সম্পদও সরকারের ঘরে তোলে দিয়েছেন। শুধু জিও পেলেই কলেজগুলো সরকারি হিসেবে গণ্য হবে। চূড়ান্ত পর্যায়ে এসে এসব কলেজ থমকে দাঁড়ানোর কারণে ওই শিক্ষকদের মধ্যে যেমন হতাশা তৈরি হয়েছে তেমনি হাজার হাজার শিক্ষার্থী, অভিভাবকও দোলচালে পড়েছেন।

আসলে সরকারিকরণের পেছনে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের উদ্যোগী ভূমিকা রয়েছে। তারা ভোট প্রাপ্তির আশায় কলেজগুলো সরকারিকরণের উদ্যোগ নিয়েছেন। এই পর্যায়ে সরকার ব্যর্থ হলে রাজনীতিবিদদেরও রাজনৈতিকভাবে কিছুটা লোকসানের মুখে পড়তে হবে। তার সঙ্গে যুক্ত আছে কিছু শিক্ষা ব্যবসায়ী, যারা উৎকোচ নিয়ে কলেজ শিক্ষক নিয়োগ দিয়েছেন। সুতরাং তারা যে চেষ্টা বন্ধ করবেন আশা করা যায় না।

বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষকদের দাবিকে দ্বিধাছাড়া উড়িয়ে দেওয়া যায় না। আবার আইনী ফেকড়ায় ক্যাডার প্রত্যাশীদেরও বাতিল করা যায় না। এমন পরিস্থিতিতে সরকারকেই ভূমিকা নিতে হবে। সরকার শিক্ষাবিদদের নিয়ে একটা কমিটি গঠন করতে পারে। যেখানে দুই পক্ষের প্রতিনিধিও থাকতে পারে। আবার ক্যাডারভুক্ত করার জন্য নতুন পদ্ধতিও গ্রহণ করতে পারে। সেক্ষেত্রে  যেসব কলেজ সরকারি হবে সেখানে ক্যাডার ও ননক্যাডার দুই ধরনের শিক্ষক থাকবেন।

যেসব শিক্ষক ক্যাডারভুক্ত হতে চান তাদের পরীক্ষা নেয়া হোক। উত্তীর্ণদের ক্যাডারভুক্ত করলে বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষকদের ক্ষোভ থাকবে না। নতুনভাবে ক্যাডারভুক্তদের মধ্যেও কনফিডেন্স আসবে। শিক্ষকদের মর্যাদার প্রতি সন্মান জানানোর পরও অন্তত কিছুটা কঠোর মনে হলেও এধরনের কোনো একটা পথ বেছে নেয়া দরকার।

যেহেতু সরকারি সিদ্ধান্ত হচ্ছে- ধীরে ধীরে সরকারিকরণ চলতে থাকবে। একইসঙ্গে শিক্ষার উন্নয়নও যেহেতু সরকারের লক্ষ্য তাই বেসরকারি কলেজ ও স্কুলগুলোতে যাতে মানসম্পন্ন শিক্ষক নিয়োগ হয় সেদিকে আরো দৃষ্টি দিতে হবে। এখন নিবন্ধন পরীক্ষা মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়াটি মন্দের ভালো হিসেবে গৃহীত হলেও সেখানেও ফাঁক রয়ে গেছে।

কলেজগুলো যাতে নিবন্ধন পরীক্ষার দোহাই দিয়ে কম যোগ্যদের স্থান দিতে না পারে সেটা নিশ্চিত করতে হবে বৃহত্তর স্বার্থ চিন্তা করে। অন্তত আগামী প্রজন্মের নাগরিকদের সুশিক্ষিত করতে হলে কিছুটা কঠোর হওয়া উচিৎ বলে মনে করি।

মোস্তফা হোসেইন : সাংবাদিক, শিশুসাহিত্যিক ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গবেষক।

mhussain_71@yahoo.com 


বিডিপ্রেস/আরজে

স্পটলাইট