BDpress

সাইনোসাইটিসের যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেতে কিছু উপায়

বিডিপ্রেস ডেস্ক

অ+ অ-
সাইনোসাইটিসের যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেতে কিছু উপায়
আমাদের মুখমণ্ডল ও মস্তিষ্কের হাড়গুলোকে হালকা রাখার সুবিধার্থে নাকের চারপাশে বাতাসপূর্ণ এক ধরনের বায়ুকুঠরি আছে, মেডিকেল সায়েন্সে যাদের সাইনাস বলা হয়। সাইনোসাইটিস হলো ওই সাইনাসগুলোর ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণ। সাইনোসাইটিস রোগটির সঙ্গে আমরা অনেকেই কমবেশি পরিচিত। এটি একটি সাধারণ রোগ। শতকরা পঁচিশ ভাগ মানুষ এই রোগে ভুগে থাকে। তবে সাধারণ রোগ হলেও যাদের এই রোগ হয়েছে তারাই বোঝেন এর কী অসহ্য যন্ত্রণা।

সাইনাসে আক্রান্ত হওয়ার উপসর্গ:

নাকের আশপাশে অনবরত ব্যথা হওয়া।

সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর মাথাব্যথা করা ও সব সময় নাক বন্ধ থাকা।

নাক দিয়ে অনবরত পানি পড়া ও সর্বক্ষণ মাথা ভার ভার মনে হওয়া।

খাবারের স্বাদ ও ঘ্রাণ বুঝতে না পারা।

বিমর্ষ ভাব, অস্থিরতা এবং কাজে অনীহা। 

সাইনাস রোগটাই এমন যে ওষুধে কমানো যায় না সহজে, বরং অনেক সময় ঘরোয়া উপায়গুলো বেশ কাজে আসে। তেমনই কিছু ঘরোয়া টোটকা নিয়ে আজকের এই ফিচার। 

আদা: সাইনাসের সমস্যা কমাতে আদা খুব কার্যকরী। আদার অ্যান্টি-ইনফ্লামাটরি বা প্রদাহ নাশক উপাদান খুব সহজে সাইনাস জনিত সমস্যা কমিয়ে তোলে। আপনাকে যা করতে হবে তা হলো তাজা আদা কেটে টুকরো করে এক কাপ পানিতে করে ১০ মিনিট ফুটিয়ে সেই পানি পান করতে পারেন। আবার আদা সরাসরি কেটে চিবিয়ে খেতে পারেন। 

গরম ও ঠাণ্ডা সেঁক নেয়া: গরম ও ঠাণ্ডা সেঁক নেওয়া সাইনাসের সমস্যার একটি অন্যতম প্রতিষেধক। যা করবেন তা হলো প্রথমে আপনার মাথায় গরম পানি টাওয়েলে ভিজিয়ে মাথায় সেঁক নেওয়ার পর আবার পুনরায় একইভাবে ঠাণ্ডা পানির সেঁক নিতে থাকুন। দেখবেন এতেই আপনার শরীরে ভালো প্রশান্তি অনুভব করবেন। 

গরম পানি: সাইনাসের সমস্যা সারাতে গরম পানি আরো একটি উপকারি উপাদান। কেবল মাত্র কয়েক গ্লাস গরম পানি নিয়ম করে পান করলেই সাইনাসের সমস্যা অনেকখানি কমে যায়। 

দারুচিনি: দারুচিনি সাইনাসের সমস্যা কমাতে ভীষণ উপকারি একটি ভেষজ উপাদান। এক টেবিল চামচ দারুচিনি, এক থেকে দুই টেবিল চামচ চন্দন পাউডার ও পাই মিশিয়ে একটি পেস্ট বানিয়ে নিন। এবার এই পেস্ট আপনার কপালে লাগিয়ে কয়েক মিনিট অপেক্ষা করুন। দেখবেন সাইনাসের সমস্যা অনেকটাই কমে আসবে। 

পুদিনা: সাইনাস জনিত যেকোনো শারীরিক সমস্যা কমাতে পুদিনা পাতা ম্যাজিকের মতো কাজ করে। যদি আপনি সাইনাসের মাথা ব্যথা নিয়ে ভুগে থাকেন তাহলে সাধারণভাবে এক কাপ পুদিনা চা পান করে দেখুন। নিমেষেই আপনার মাথার ব্যথা চলে যাবে। 

সাইনের দূরে রাখার জন্য আপনার সবচেয়ে বেশি করণীয় কাজটি হবে ঠাণ্ডা থেকে দূরে থাকা এবং নোংরা পরিবেশ এড়িয়ে চলা। 

তথ্য সূত্র: ebela 

বিডিপ্রেস/আরজে

এ সম্পর্কিত অন্যান্য খবর

BDpress

সাইনোসাইটিসের যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেতে কিছু উপায়


সাইনোসাইটিসের যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেতে কিছু উপায়

সাইনাসে আক্রান্ত হওয়ার উপসর্গ:

নাকের আশপাশে অনবরত ব্যথা হওয়া।

সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর মাথাব্যথা করা ও সব সময় নাক বন্ধ থাকা।

নাক দিয়ে অনবরত পানি পড়া ও সর্বক্ষণ মাথা ভার ভার মনে হওয়া।

খাবারের স্বাদ ও ঘ্রাণ বুঝতে না পারা।

বিমর্ষ ভাব, অস্থিরতা এবং কাজে অনীহা। 

সাইনাস রোগটাই এমন যে ওষুধে কমানো যায় না সহজে, বরং অনেক সময় ঘরোয়া উপায়গুলো বেশ কাজে আসে। তেমনই কিছু ঘরোয়া টোটকা নিয়ে আজকের এই ফিচার। 

আদা: সাইনাসের সমস্যা কমাতে আদা খুব কার্যকরী। আদার অ্যান্টি-ইনফ্লামাটরি বা প্রদাহ নাশক উপাদান খুব সহজে সাইনাস জনিত সমস্যা কমিয়ে তোলে। আপনাকে যা করতে হবে তা হলো তাজা আদা কেটে টুকরো করে এক কাপ পানিতে করে ১০ মিনিট ফুটিয়ে সেই পানি পান করতে পারেন। আবার আদা সরাসরি কেটে চিবিয়ে খেতে পারেন। 

গরম ও ঠাণ্ডা সেঁক নেয়া: গরম ও ঠাণ্ডা সেঁক নেওয়া সাইনাসের সমস্যার একটি অন্যতম প্রতিষেধক। যা করবেন তা হলো প্রথমে আপনার মাথায় গরম পানি টাওয়েলে ভিজিয়ে মাথায় সেঁক নেওয়ার পর আবার পুনরায় একইভাবে ঠাণ্ডা পানির সেঁক নিতে থাকুন। দেখবেন এতেই আপনার শরীরে ভালো প্রশান্তি অনুভব করবেন। 

গরম পানি: সাইনাসের সমস্যা সারাতে গরম পানি আরো একটি উপকারি উপাদান। কেবল মাত্র কয়েক গ্লাস গরম পানি নিয়ম করে পান করলেই সাইনাসের সমস্যা অনেকখানি কমে যায়। 

দারুচিনি: দারুচিনি সাইনাসের সমস্যা কমাতে ভীষণ উপকারি একটি ভেষজ উপাদান। এক টেবিল চামচ দারুচিনি, এক থেকে দুই টেবিল চামচ চন্দন পাউডার ও পাই মিশিয়ে একটি পেস্ট বানিয়ে নিন। এবার এই পেস্ট আপনার কপালে লাগিয়ে কয়েক মিনিট অপেক্ষা করুন। দেখবেন সাইনাসের সমস্যা অনেকটাই কমে আসবে। 

পুদিনা: সাইনাস জনিত যেকোনো শারীরিক সমস্যা কমাতে পুদিনা পাতা ম্যাজিকের মতো কাজ করে। যদি আপনি সাইনাসের মাথা ব্যথা নিয়ে ভুগে থাকেন তাহলে সাধারণভাবে এক কাপ পুদিনা চা পান করে দেখুন। নিমেষেই আপনার মাথার ব্যথা চলে যাবে। 

সাইনের দূরে রাখার জন্য আপনার সবচেয়ে বেশি করণীয় কাজটি হবে ঠাণ্ডা থেকে দূরে থাকা এবং নোংরা পরিবেশ এড়িয়ে চলা। 

তথ্য সূত্র: ebela 

বিডিপ্রেস/আরজে