BDpress

নিজেকে নিয়ে দুটি কবিতা

কাজল রশীদ শাহীন

অ+ অ-
নিজেকে নিয়ে দুটি কবিতা
এক. আমার কোন জন্মদিন নাই, কেন নাই? মানুষহীন এ শহরে মানুষের জন্মদিন দেখে, ভাবি হররোজ, হোক সত্য কিংবা মিথ্যা, আহা আমারও যদি থাকত মামুলী একটা জন্মদিন...

হ্যাপি বার্থডে’র ঘুড়ি যখন ওড়ে আকাশে, আমি তখন মানুষের ছায়ার কাছে করজোড়ে করি মিনতি, মিথ্যার কার্পেটে মজে, ভেসে বেড়ায় কর্পোরেট হাওয়ায়, খুঁজি বেমক্কা এক সঙ্গী কিংবা পরিধির পাশে থাকা সতর্ক বন্ধুদের, জন্মদিন নেই বলে দুঃখও নেই আমার, অবিমিশ্র কৌতূহল ছাড়া, নিছক দৈববশে যদি থাকত জারি বেহায়া এক দিন, কিংবা মহিষের পিঠের মতো কালো রাত, হতো দিতে অর্ঘ্য, তাহলে হতো কী উপায়, জন্মদিন খুঁজে ফেরা এ শহরে দেখি নাতো কোন মানুষ, শিশু-যুবা কিংবা বৃদ্ধ, তবুও হ্যান্ডশেক হয়, অভ্যাসবশে বলি কেমন আছেন, বেজে ওঠে রিংটোন... 

বোকা কাজল ভাবে যে শহরে নেই কোন মানুষ, নেই কোন আলোর বাতি, সে শহরে জন্মদিন থাকা না থাকাই যুক্ত হয় কি কোনো সুখ্যাতি…?

০২.

আমার কোনো তাড়া নেই, সকাল-দুপুর-বিকেল যায় চলে, তবু তাড়াহীন থাকি আমি। আমার কোনো সূর্য নেই বলে পৃথিবীর মতো দিতে হয় না চক্কর অবিরাম। এই যে বৃষ্টি হয় আর হয়, যাকে বলো ক্যাটস অ্যান্ড ডগস কিংবা মুষলধার, তা দেখেও ছাতা কিংবা রেইনকোর্ট হয় না প্রিয়বান্ধবী, আমার কেবলই দেরী হয়ে যায়, তবুও থেকে যায় তাড়াহীন এক মানুষ আমি। মানি কিংবা সেক্সের রঙিন বেলুন উড়ে উড়ে যায় প্রিয় এক গন্তব্যে, নির্ণিমেষ আমিই কেবল বাড়ায় না মাল মুহিতের হাত, রাখি না কৃষ্ণের চোখ। আমার কোন তাড়া নেই সূর্য লুকোলে কিংবা তেঁতে থাকলেও, ঋতু ভুলে বর্ষা-শীত হয় কাঁকড়ার মতো প্রণয়ী, মৃত্যু এসে দরোজায় রাখে প্রিয় ক্যাকটাস, ঊর্বশীর মতো ডাকে, দাঁড়াস সাপের মতো চায় পেঁচাতে, তবুুও তাড়াহীন এক হাসি কেবলই হাসি আমি, আর বলি, আমার কোন তাড়া নেই, তুমি কেনো নিয়মের ব্যত্যয় ঘটাতে চাচ্ছো হে... 

বিডিপ্রেস/আরজে

এ সম্পর্কিত অন্যান্য খবর

BDpress

নিজেকে নিয়ে দুটি কবিতা


নিজেকে নিয়ে দুটি কবিতা

হ্যাপি বার্থডে’র ঘুড়ি যখন ওড়ে আকাশে, আমি তখন মানুষের ছায়ার কাছে করজোড়ে করি মিনতি, মিথ্যার কার্পেটে মজে, ভেসে বেড়ায় কর্পোরেট হাওয়ায়, খুঁজি বেমক্কা এক সঙ্গী কিংবা পরিধির পাশে থাকা সতর্ক বন্ধুদের, জন্মদিন নেই বলে দুঃখও নেই আমার, অবিমিশ্র কৌতূহল ছাড়া, নিছক দৈববশে যদি থাকত জারি বেহায়া এক দিন, কিংবা মহিষের পিঠের মতো কালো রাত, হতো দিতে অর্ঘ্য, তাহলে হতো কী উপায়, জন্মদিন খুঁজে ফেরা এ শহরে দেখি নাতো কোন মানুষ, শিশু-যুবা কিংবা বৃদ্ধ, তবুও হ্যান্ডশেক হয়, অভ্যাসবশে বলি কেমন আছেন, বেজে ওঠে রিংটোন... 

বোকা কাজল ভাবে যে শহরে নেই কোন মানুষ, নেই কোন আলোর বাতি, সে শহরে জন্মদিন থাকা না থাকাই যুক্ত হয় কি কোনো সুখ্যাতি…?

০২.

আমার কোনো তাড়া নেই, সকাল-দুপুর-বিকেল যায় চলে, তবু তাড়াহীন থাকি আমি। আমার কোনো সূর্য নেই বলে পৃথিবীর মতো দিতে হয় না চক্কর অবিরাম। এই যে বৃষ্টি হয় আর হয়, যাকে বলো ক্যাটস অ্যান্ড ডগস কিংবা মুষলধার, তা দেখেও ছাতা কিংবা রেইনকোর্ট হয় না প্রিয়বান্ধবী, আমার কেবলই দেরী হয়ে যায়, তবুও থেকে যায় তাড়াহীন এক মানুষ আমি। মানি কিংবা সেক্সের রঙিন বেলুন উড়ে উড়ে যায় প্রিয় এক গন্তব্যে, নির্ণিমেষ আমিই কেবল বাড়ায় না মাল মুহিতের হাত, রাখি না কৃষ্ণের চোখ। আমার কোন তাড়া নেই সূর্য লুকোলে কিংবা তেঁতে থাকলেও, ঋতু ভুলে বর্ষা-শীত হয় কাঁকড়ার মতো প্রণয়ী, মৃত্যু এসে দরোজায় রাখে প্রিয় ক্যাকটাস, ঊর্বশীর মতো ডাকে, দাঁড়াস সাপের মতো চায় পেঁচাতে, তবুুও তাড়াহীন এক হাসি কেবলই হাসি আমি, আর বলি, আমার কোন তাড়া নেই, তুমি কেনো নিয়মের ব্যত্যয় ঘটাতে চাচ্ছো হে... 

বিডিপ্রেস/আরজে