BDpress

প্রতারণায় ১০ প্রতিষ্ঠানকে লাখ টাকা জরিমানা

নিজস্ব প্রতিবেদক

অ+ অ-
প্রতারণায় ১০ প্রতিষ্ঠানকে লাখ টাকা জরিমানা
মিথ্যা বিজ্ঞাপন, অতিরিক্ত মূল্য আদায়সহ নানা অভিযোগে বাণিজ্য মেলার প্রথম তিনদিনে মোট ১০টি প্রতিষ্ঠানকে এক লাখ ৪৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর।

মেলা প্রাঙ্গণে অবস্থিত অধিদফতর (অস্থায়ী) কার্যালয় এসব প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করেছে বলে জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানের সহকারী পরিচালক মো. মাসুম আরেফিন ও শাহনাজ সুলতানা।

এর মধ্যে তিনটি প্রতিষ্ঠানকে ক্রেতার অভিযোগের ভিত্তিতে আর সাতটি প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন অনিয়ম পাওয়ায় জরিমানা করা হয়।

একটি প্রতিষ্ঠানের পণ্য বিক্রি করে অন্য প্রতিষ্ঠানের নামে বিক্রির রশিদ দেয়ার অভিযোগে ‘ড্রিম হাউস লেকভিউ রেস্টুরেন্ট’ কর্তৃপক্ষকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একইসঙ্গে অভিযোগকারী জিয়াউল হককে তাৎক্ষণিক ২৫ শতাংশ অর্থাৎ ২৫০০ টাকা পুরস্কার দেয়া হয়।

প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী পণ্য না দেয়ার অভিযোগে শারমিন ইলেক্ট্রনিক্সকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। মিথ্যা বিজ্ঞাপন দিয়ে ক্রেতাদের প্রতারিত করার অভিযোগে সাইদ এন্টারপ্রাইজকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় এবং মিথ্যা বিজ্ঞাপন থেকে বিরত থাকতে সতর্ক করা হয়।

পণ্যের মোড়কে খুচরা মূল্য লেখা না থাকায় প্রসাধন সামগ্রী বিক্রির প্রতিষ্ঠান ‘হোয়াইট হাউজ’ কর্তৃপক্ষকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একই অভিযোগে একটি মিষ্টান্ন প্রতিষ্ঠানকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করে অধিদফতর।

নির্ধারিত দামের চেয়ে অতিরিক্ত মূ্ল্য রাখায় বাংলাদেশ পযটন কর্পোরেশনের পরিচালিত ‘মালঞ্চ রেস্টুরেন্ট’ কর্তৃপক্ষকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

মেহেদি হাসান প্রিন্স নামে একজনের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে অতিরিক্ত মূ্ল্যে পণ্য বিক্রির অভিযোগে ‘ক্যাফে সামস’ কর্তৃপক্ষকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযোগকারী ২৫ শতাংশ অর্থাৎ পাঁচ হাজার টাকা পুরস্কার পান।

মিথ্যা বিজ্ঞাপন দিয়ে ক্রেতাদের প্রতারিত করায় ‘নোহা সার্ভেসিং কোম্পানি’কে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। বিক্রির উদ্দেশে মিথ্যা বিজ্ঞাপন দেয়ায় ‘সমতা ট্রেডার্স’কে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া মিথ্যা বিজ্ঞাপন দেয়ায় ‘নিউ ফ্যামিলি ট্রেডার্স’কে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

মেলায় কার্যক্রম সম্পর্কে ভোক্তা অধিদফতরের পরিচালক সৈয়দ তওহিদুল রহমান বলেন, মেলায় ভোক্তাদের স্বার্থে সার্বক্ষণিক মনিটরিং ব্যবস্থা রয়েছে। প্রতিদিন অভিযান চলছে। যারা নির্দেশনা অমান্য করে অনৈতিকভাবে ব্যবসা করছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। এছাড়া কোনো বিক্রেতা প্রতারিত হয়ে আমাদের কাছে লিখিত অভিযোগ করলে তাৎক্ষণিক নিষ্পত্তি করা হচ্ছে। প্রমাণ-সাপেক্ষে প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। একইসঙ্গে জরিমানার ২৫ শতাংশ অর্থ অভিযোগকারীকে পুরস্কার হিসেবেও দেয়া হচ্ছে।

ভোক্তাদের উদ্দেশ্যে এ কর্মকর্তা বলেন, পণ্য কেনার আগে যাচাই-বাছাই করে নিন। এরপরও যদি প্রতারিত হন তাহলে মেলায় অধিদফতরের অস্থায়ী কার্যালয়ে অভিযোগ করুন। সকাল ১০টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত এ কার্যালয় খোলা থাকে। অভিযোগ করলে সঙ্গে সঙ্গে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এদিকে, মেলায় এমন অভিযোগ ও তার ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে জরিমানার বিষয়ে সাধুবাদ জানিয়েছেন ক্রেতা ও দর্শনার্থীরা।

বিডিপ্রেস/আরজে

এ সম্পর্কিত অন্যান্য খবর

BDpress

প্রতারণায় ১০ প্রতিষ্ঠানকে লাখ টাকা জরিমানা


প্রতারণায় ১০ প্রতিষ্ঠানকে লাখ টাকা জরিমানা

মেলা প্রাঙ্গণে অবস্থিত অধিদফতর (অস্থায়ী) কার্যালয় এসব প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করেছে বলে জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানের সহকারী পরিচালক মো. মাসুম আরেফিন ও শাহনাজ সুলতানা।

এর মধ্যে তিনটি প্রতিষ্ঠানকে ক্রেতার অভিযোগের ভিত্তিতে আর সাতটি প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন অনিয়ম পাওয়ায় জরিমানা করা হয়।

একটি প্রতিষ্ঠানের পণ্য বিক্রি করে অন্য প্রতিষ্ঠানের নামে বিক্রির রশিদ দেয়ার অভিযোগে ‘ড্রিম হাউস লেকভিউ রেস্টুরেন্ট’ কর্তৃপক্ষকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একইসঙ্গে অভিযোগকারী জিয়াউল হককে তাৎক্ষণিক ২৫ শতাংশ অর্থাৎ ২৫০০ টাকা পুরস্কার দেয়া হয়।

প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী পণ্য না দেয়ার অভিযোগে শারমিন ইলেক্ট্রনিক্সকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। মিথ্যা বিজ্ঞাপন দিয়ে ক্রেতাদের প্রতারিত করার অভিযোগে সাইদ এন্টারপ্রাইজকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় এবং মিথ্যা বিজ্ঞাপন থেকে বিরত থাকতে সতর্ক করা হয়।

পণ্যের মোড়কে খুচরা মূল্য লেখা না থাকায় প্রসাধন সামগ্রী বিক্রির প্রতিষ্ঠান ‘হোয়াইট হাউজ’ কর্তৃপক্ষকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একই অভিযোগে একটি মিষ্টান্ন প্রতিষ্ঠানকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করে অধিদফতর।

নির্ধারিত দামের চেয়ে অতিরিক্ত মূ্ল্য রাখায় বাংলাদেশ পযটন কর্পোরেশনের পরিচালিত ‘মালঞ্চ রেস্টুরেন্ট’ কর্তৃপক্ষকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

মেহেদি হাসান প্রিন্স নামে একজনের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে অতিরিক্ত মূ্ল্যে পণ্য বিক্রির অভিযোগে ‘ক্যাফে সামস’ কর্তৃপক্ষকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযোগকারী ২৫ শতাংশ অর্থাৎ পাঁচ হাজার টাকা পুরস্কার পান।

মিথ্যা বিজ্ঞাপন দিয়ে ক্রেতাদের প্রতারিত করায় ‘নোহা সার্ভেসিং কোম্পানি’কে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। বিক্রির উদ্দেশে মিথ্যা বিজ্ঞাপন দেয়ায় ‘সমতা ট্রেডার্স’কে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া মিথ্যা বিজ্ঞাপন দেয়ায় ‘নিউ ফ্যামিলি ট্রেডার্স’কে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

মেলায় কার্যক্রম সম্পর্কে ভোক্তা অধিদফতরের পরিচালক সৈয়দ তওহিদুল রহমান বলেন, মেলায় ভোক্তাদের স্বার্থে সার্বক্ষণিক মনিটরিং ব্যবস্থা রয়েছে। প্রতিদিন অভিযান চলছে। যারা নির্দেশনা অমান্য করে অনৈতিকভাবে ব্যবসা করছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। এছাড়া কোনো বিক্রেতা প্রতারিত হয়ে আমাদের কাছে লিখিত অভিযোগ করলে তাৎক্ষণিক নিষ্পত্তি করা হচ্ছে। প্রমাণ-সাপেক্ষে প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। একইসঙ্গে জরিমানার ২৫ শতাংশ অর্থ অভিযোগকারীকে পুরস্কার হিসেবেও দেয়া হচ্ছে।

ভোক্তাদের উদ্দেশ্যে এ কর্মকর্তা বলেন, পণ্য কেনার আগে যাচাই-বাছাই করে নিন। এরপরও যদি প্রতারিত হন তাহলে মেলায় অধিদফতরের অস্থায়ী কার্যালয়ে অভিযোগ করুন। সকাল ১০টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত এ কার্যালয় খোলা থাকে। অভিযোগ করলে সঙ্গে সঙ্গে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এদিকে, মেলায় এমন অভিযোগ ও তার ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে জরিমানার বিষয়ে সাধুবাদ জানিয়েছেন ক্রেতা ও দর্শনার্থীরা।

বিডিপ্রেস/আরজে