BDpress

টাঙ্গাইলে তীব্র শীতে হাসপাতালে দ্বিগুণ ঠান্ডাজনিত রোগী

জেলা প্রতিবেদক

অ+ অ-
টাঙ্গাইলে তীব্র শীতে হাসপাতালে দ্বিগুণ ঠান্ডাজনিত রোগী
টাঙ্গাইলে তীব্র শীতে হাসপাতালগুলোতে ঠান্ডাজনিত রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। সবচেয়ে বেশি লক্ষ করা গেছে শিশু ও বৃদ্ধ রোগীর সংখ্যা। হাসপাতালে শিশুদের জন্য পর্যাপ্ত বেড না থাকায় এ শীতের মধ্যেও তাদের ওয়ার্ডের ফ্লোরে থাকতে হচ্ছে। এসব মিলিয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে কর্তব্যরত চিকিৎসক এবং নার্সদের।

টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল সূত্রে জানাযায়, চলতি সপ্তাহেই শীতের কারণে নিউমোনিয়া রোগে আক্রান্ত হয়ে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডের ভর্তি হয়েছে ৭১ রোগী। ডায়রিয়া ওয়ার্ডে ভর্তি শিশু রোগীর সংখ্যা ৫৩ জন। 

অপরদিকে প্রায় ১০০ জনের মতো বয়ষ্ক রোগী ভর্তি হয়েছেন ঠান্ডা জনিত নানা রোগ নিয়ে।

২নং ওয়ার্ডের ১৩ বেডে ভর্তি রয়েছে নিউমোনিয়ার ১১ শিশু, নবজাতক ১০ বেডে ভর্তি ১৫ শিশু রোগী, ইসকোনো ওয়ার্ডের ২০ বেডে ভর্তি রয়েছে ১৮ শিশু আর ২/এ ওয়ার্ডের ২০ বেডের সবকয়টিতে ভর্তি রয়েছে ১-৫ বছরের শিশু। এছাড়াও ডায়রিয়া ওয়ার্ডের ১২ বেডে ভর্তি রয়েছে ৫৩ শিশু। অপরদিকে প্রায় ১০০ জনের মতো বয়ষ্ক রোগী ভর্তি রয়েছে।

এসব রোগীদের জন্য সার্বক্ষণিক প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা প্রদানের জন্য প্রায় ৭০ জন চিকিসক দায়িত্ব পালন করছেন।

ডায়রিয়া ওয়ার্ডে ভর্তি এক শিশুর মা পারভীন বেগম বলেন, আমার ছেলে হঠাৎ করে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়। তখন আমরা তাকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসি। তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয় কিন্তু বেড না থাকায় এ শীতের মধ্যেও ওয়ার্ডের ফ্লোরে রাখতে হচ্ছে।

আকুর টাকুর পাড়ার আরেক শিশুর মা মমতাজ বেগম বলেন, হঠাৎ করেই আমার ছেলে ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত হলে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করি। আমাদের এলাকায় অনেক শিশু এখন ঠান্ডাজনিত বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। এতে আমরা কিছুটা আতঙ্কের মধ্যে রয়েছি।

এ ব্যাপারে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের সহকারি-পরিচালক ডা. সদর উদ্দিন বলেন, শীতে হাসপাতালে শিশু এবং বৃদ্ধ রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। শিশু এবং বয়ষ্ক রোগী মিলিয়ে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১০০ জনের মতো রোগী ভর্তি হচ্ছেন। বিশেষ করে শিশুরা ডায়রিয়া এবং নিউমোনিয়া রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। অপরদিকে বৃদ্ধরা এজমা রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন। রোগীদের জন্য আমাদের হাসপাতালের চিকিৎসকরা সার্বক্ষণিক কাজ করছেন।

তিনি আরো বলেন, ধারনা করছি সামনে আরো রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে। হাসপাতালটি ২৫০ শষ্যা হলেও এখানে প্রতিদিন গড়ে প্রায় চিকিৎসাধীন রোগী সংখ্যা ৫শ’। এ কারণে হাসপাতালের রোগীদের কিছুটা সমস্যা হচ্ছে বলে তিনি জানান।

বিডিপ্রেস/আরজে

এ সম্পর্কিত অন্যান্য খবর

BDpress

টাঙ্গাইলে তীব্র শীতে হাসপাতালে দ্বিগুণ ঠান্ডাজনিত রোগী


টাঙ্গাইলে তীব্র শীতে হাসপাতালে দ্বিগুণ ঠান্ডাজনিত রোগী

টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল সূত্রে জানাযায়, চলতি সপ্তাহেই শীতের কারণে নিউমোনিয়া রোগে আক্রান্ত হয়ে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডের ভর্তি হয়েছে ৭১ রোগী। ডায়রিয়া ওয়ার্ডে ভর্তি শিশু রোগীর সংখ্যা ৫৩ জন। 

অপরদিকে প্রায় ১০০ জনের মতো বয়ষ্ক রোগী ভর্তি হয়েছেন ঠান্ডা জনিত নানা রোগ নিয়ে।

২নং ওয়ার্ডের ১৩ বেডে ভর্তি রয়েছে নিউমোনিয়ার ১১ শিশু, নবজাতক ১০ বেডে ভর্তি ১৫ শিশু রোগী, ইসকোনো ওয়ার্ডের ২০ বেডে ভর্তি রয়েছে ১৮ শিশু আর ২/এ ওয়ার্ডের ২০ বেডের সবকয়টিতে ভর্তি রয়েছে ১-৫ বছরের শিশু। এছাড়াও ডায়রিয়া ওয়ার্ডের ১২ বেডে ভর্তি রয়েছে ৫৩ শিশু। অপরদিকে প্রায় ১০০ জনের মতো বয়ষ্ক রোগী ভর্তি রয়েছে।

এসব রোগীদের জন্য সার্বক্ষণিক প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা প্রদানের জন্য প্রায় ৭০ জন চিকিসক দায়িত্ব পালন করছেন।

ডায়রিয়া ওয়ার্ডে ভর্তি এক শিশুর মা পারভীন বেগম বলেন, আমার ছেলে হঠাৎ করে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়। তখন আমরা তাকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসি। তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয় কিন্তু বেড না থাকায় এ শীতের মধ্যেও ওয়ার্ডের ফ্লোরে রাখতে হচ্ছে।

আকুর টাকুর পাড়ার আরেক শিশুর মা মমতাজ বেগম বলেন, হঠাৎ করেই আমার ছেলে ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত হলে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করি। আমাদের এলাকায় অনেক শিশু এখন ঠান্ডাজনিত বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। এতে আমরা কিছুটা আতঙ্কের মধ্যে রয়েছি।

এ ব্যাপারে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের সহকারি-পরিচালক ডা. সদর উদ্দিন বলেন, শীতে হাসপাতালে শিশু এবং বৃদ্ধ রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। শিশু এবং বয়ষ্ক রোগী মিলিয়ে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১০০ জনের মতো রোগী ভর্তি হচ্ছেন। বিশেষ করে শিশুরা ডায়রিয়া এবং নিউমোনিয়া রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। অপরদিকে বৃদ্ধরা এজমা রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন। রোগীদের জন্য আমাদের হাসপাতালের চিকিৎসকরা সার্বক্ষণিক কাজ করছেন।

তিনি আরো বলেন, ধারনা করছি সামনে আরো রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে। হাসপাতালটি ২৫০ শষ্যা হলেও এখানে প্রতিদিন গড়ে প্রায় চিকিৎসাধীন রোগী সংখ্যা ৫শ’। এ কারণে হাসপাতালের রোগীদের কিছুটা সমস্যা হচ্ছে বলে তিনি জানান।

বিডিপ্রেস/আরজে