BDpress

পটুয়াখালীতে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৬গুণ বেশি বোরো চাষ

জেলা প্রতিবেদক

অ+ অ-
পটুয়াখালীতে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৬গুণ বেশি বোরো চাষ
তীব্র শীত ও ঘন কুয়াশা উপেক্ষা করে বোরো আবাদে মাঠে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন পটুয়াখালীর কৃষকরা। চলতি বছর আমন ধানের ভালো দাম পাওয়ায় চাষীরা এ বছর বোরো ধান চাষে ঝুঁকে পড়েছেন কৃষকরা।

শীতের তীব্রতাকে উপেক্ষা করে দিন-রাত জমিতে সেচ দেয়া, চাষ দেয়া, আদর্শ বীজতলা তৈরি এবং চারা তুলে রোপণ কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা।

কোনো প্রকার প্রাকৃতিক বিপর্যয় না ঘটলে চলতি বোরো মৌসুমে ধানের বাম্পার ফলন ও ভালো দাম আশা করছেন চাষীরা।

জেলার প্রতিটি উপজেলার সকল ইউনিয়নেই কম-বেশি বোরো ধানের চাষ হচ্ছে। বিগত কয়েক বছর ধরে বোরো ধানের ন্যায্যমূল্য না পেয়ে স্থানীয় চাষীরা বোরো চাষে আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন। কিন্তু চলতি বছর আমন ধানের ভালো দাম পাওয়ায় চলতি বোরো মৌসুমে চাষীরা আবার অধিক ধান চাষে আগ্রহী হয়েছেন।

নীলগঞ্জ ইউনিয়নের কুমিরমারা গ্রামের কৃষক সাইফুল বলেন, চলতি বছর আমন ধানের ভালো দাম পেয়েছি। সে কারণেই বোরো ধান চাষ করছি। আশা করি বোরো ধানের ধানের ভালো দাম পাব। তবে ঘন কুয়াশা আর ঠান্ডা বাতাসে কারণে বীজতলার অনেক চারা হলুদ আকার ধারণ করেছে। ধানের ন্যায্যমূল্য পেলে চাষীরা আগামীতে আরো বেশি বোরো ধান আবাদ করবে।

কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি বোরো মৌসুমে জেলায় লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও ৬ গুণ বেশি জমিতে ধানের চাষ হচ্ছে। কৃষি অফিস থেকে বোরো ধান আবাদের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য কৃষকদের আদর্শ চারা উৎপাদন, পোকা ও ইদুর দমনে পাচিং পদ্বতিসহ সব ধরনের পরামর্শ ও সহযোগিতা দেয়া হচ্ছে।

এতে চাষীরা কাঙ্ক্ষিত ফলন পাবেন এবং কৃষক লাভবান হবে এমন অশাবাদ কৃষি অফিসের।

চলতি বছর উপজেলা প্রায় ৭৫ শতাংশ কৃষক আদর্শ বীজতলার মাধ্যমে চারা উৎপাদন করে বোরো ধানের আবাদ করেছে বলে জানান তারা।

সরেজমিনে দেখা গেছে, আদর্শ বীজতলা থেকে চারা তুলে মাঠে বোরো ধানের বীজ বপন করছে চাষীরা। আদর্শ বীজতলার মাধ্যমে সুস্থ-সবল চারা উৎপাদন করে কৃষকেরা এখন বোরো ধান রোপণে ব্যস্ত সময় পার করছেন। এই বীজতলায় ২ বা ৩টি চারা রোপণ করেই সর্বোচ্চ ফলন পাওয়া যায়। ফলে কৃষক কম খরচে অধিক লাভবান হবে।

কলাপাড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মশিউর রহমান জানান, বিগত বছরের চেয়ে এ বছরে কৃষকরা আমন ধানের ভালো দাম পেয়েছে। তাই তারা বোরো আবাদে ঝুঁকে পড়ছে। কোনো প্রকার প্রাকৃতিক বিপর্যয় না ঘটলে ধানের বাম্পার ফলন হবে।

বিডিপ্রেস/আরজে


এ সম্পর্কিত অন্যান্য খবর

BDpress

পটুয়াখালীতে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৬গুণ বেশি বোরো চাষ


পটুয়াখালীতে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৬গুণ বেশি বোরো চাষ

শীতের তীব্রতাকে উপেক্ষা করে দিন-রাত জমিতে সেচ দেয়া, চাষ দেয়া, আদর্শ বীজতলা তৈরি এবং চারা তুলে রোপণ কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা।

কোনো প্রকার প্রাকৃতিক বিপর্যয় না ঘটলে চলতি বোরো মৌসুমে ধানের বাম্পার ফলন ও ভালো দাম আশা করছেন চাষীরা।

জেলার প্রতিটি উপজেলার সকল ইউনিয়নেই কম-বেশি বোরো ধানের চাষ হচ্ছে। বিগত কয়েক বছর ধরে বোরো ধানের ন্যায্যমূল্য না পেয়ে স্থানীয় চাষীরা বোরো চাষে আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন। কিন্তু চলতি বছর আমন ধানের ভালো দাম পাওয়ায় চলতি বোরো মৌসুমে চাষীরা আবার অধিক ধান চাষে আগ্রহী হয়েছেন।

নীলগঞ্জ ইউনিয়নের কুমিরমারা গ্রামের কৃষক সাইফুল বলেন, চলতি বছর আমন ধানের ভালো দাম পেয়েছি। সে কারণেই বোরো ধান চাষ করছি। আশা করি বোরো ধানের ধানের ভালো দাম পাব। তবে ঘন কুয়াশা আর ঠান্ডা বাতাসে কারণে বীজতলার অনেক চারা হলুদ আকার ধারণ করেছে। ধানের ন্যায্যমূল্য পেলে চাষীরা আগামীতে আরো বেশি বোরো ধান আবাদ করবে।

কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি বোরো মৌসুমে জেলায় লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও ৬ গুণ বেশি জমিতে ধানের চাষ হচ্ছে। কৃষি অফিস থেকে বোরো ধান আবাদের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য কৃষকদের আদর্শ চারা উৎপাদন, পোকা ও ইদুর দমনে পাচিং পদ্বতিসহ সব ধরনের পরামর্শ ও সহযোগিতা দেয়া হচ্ছে।

এতে চাষীরা কাঙ্ক্ষিত ফলন পাবেন এবং কৃষক লাভবান হবে এমন অশাবাদ কৃষি অফিসের।

চলতি বছর উপজেলা প্রায় ৭৫ শতাংশ কৃষক আদর্শ বীজতলার মাধ্যমে চারা উৎপাদন করে বোরো ধানের আবাদ করেছে বলে জানান তারা।

সরেজমিনে দেখা গেছে, আদর্শ বীজতলা থেকে চারা তুলে মাঠে বোরো ধানের বীজ বপন করছে চাষীরা। আদর্শ বীজতলার মাধ্যমে সুস্থ-সবল চারা উৎপাদন করে কৃষকেরা এখন বোরো ধান রোপণে ব্যস্ত সময় পার করছেন। এই বীজতলায় ২ বা ৩টি চারা রোপণ করেই সর্বোচ্চ ফলন পাওয়া যায়। ফলে কৃষক কম খরচে অধিক লাভবান হবে।

কলাপাড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মশিউর রহমান জানান, বিগত বছরের চেয়ে এ বছরে কৃষকরা আমন ধানের ভালো দাম পেয়েছে। তাই তারা বোরো আবাদে ঝুঁকে পড়ছে। কোনো প্রকার প্রাকৃতিক বিপর্যয় না ঘটলে ধানের বাম্পার ফলন হবে।

বিডিপ্রেস/আরজে