BDpress

বগুড়ায় রূপালী ব্যাংকের অর্থ আত্মসাতের ঘটনায় মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক

অ+ অ-
বগুড়ায় রূপালী ব্যাংকের অর্থ আত্মসাতের ঘটনায় মামলা
বগুড়ার মহাস্থানগড়ের রূপালী ব্যাংকের শাখা ব্যবস্থাপক নিখোঁজ এবং টাকা আত্মসাতের ঘটনার পর ২ কোটি ৬৯ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সদর থানায় মামলা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিকেলে ব্যাংকের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) সরদার মো. হাবিবুর রহমান বাদী হয়ে বগুড়া সদর থানায় এ মামলা দায়ের করেন।

মামলায় রূপালী ব্যাংক মহাস্থান শাখার নিখোঁজ ব্যবস্থাপক জোবায়েনূর রহমান এবং স্থানীয় ব্যবসায়ী আজমল হোসেনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলায় বলা হয়েছে, নিখোঁজ জোবায়েনূর রহমান বিভিন্ন সময় পে অর্ডার থেকে ভুয়া ঋণ সৃষ্টি করে ২ কোটি ৬৯ লাখ ১ হাজার ৮০১ টাকা আত্মসাৎ করেন। তাকে সহযোগিতা করেন ব্যবসায়ী আজমল হোসেন।

রূপালী ব্যাংকের বগুড়া অঞ্চলের ডিজিএম সরদার মো. হাবিবুর রহমান জানান, তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে ওই পরিমাণ টাকা জালিয়াতি করে আত্মসাৎ করার সত্যতা মিলেছে। প্রতিবেদন হাতে পাবার পরই নিজে বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।

বগুড়া সদর থানার ওসি এমদাদ হোসেন মামলা দায়েরের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এই ঘটনায় মহাস্থান হাটের ইজারাদার আজমল হোসেনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। নিখোঁজ জোবায়েনূর রহমানকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

উল্লেখ্য, গত রোববার বেলা ১১টায় রূপালী ব্যাংক মহাস্থান শাখার ব্যবস্থাপক জোবায়েনূর রহমান চা খাওয়ার কথা বলে ব্যাংক থেকে বের হয়ে যাওয়ার পর থেকে নিখোঁজ রয়েছেন। ব্যাংক ম্যানেজার নিখোঁজ হওয়ার সংবাদ চারদিকে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাংকে আমানত জমাকারী গ্রাহকেরা তাদের হিসাব দেখার চেষ্টা করেন এবং অনেকেই অভিযোগ করেন তাদের হিসাবের গড়মিল পাওয়া গেছে। পরে ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ চার সদস্যর একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে।

বিডিপ্রেস/আরজে

এ সম্পর্কিত অন্যান্য খবর

BDpress

বগুড়ায় রূপালী ব্যাংকের অর্থ আত্মসাতের ঘটনায় মামলা


বগুড়ায় রূপালী ব্যাংকের অর্থ আত্মসাতের ঘটনায় মামলা

বৃহস্পতিবার বিকেলে ব্যাংকের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) সরদার মো. হাবিবুর রহমান বাদী হয়ে বগুড়া সদর থানায় এ মামলা দায়ের করেন।

মামলায় রূপালী ব্যাংক মহাস্থান শাখার নিখোঁজ ব্যবস্থাপক জোবায়েনূর রহমান এবং স্থানীয় ব্যবসায়ী আজমল হোসেনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলায় বলা হয়েছে, নিখোঁজ জোবায়েনূর রহমান বিভিন্ন সময় পে অর্ডার থেকে ভুয়া ঋণ সৃষ্টি করে ২ কোটি ৬৯ লাখ ১ হাজার ৮০১ টাকা আত্মসাৎ করেন। তাকে সহযোগিতা করেন ব্যবসায়ী আজমল হোসেন।

রূপালী ব্যাংকের বগুড়া অঞ্চলের ডিজিএম সরদার মো. হাবিবুর রহমান জানান, তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে ওই পরিমাণ টাকা জালিয়াতি করে আত্মসাৎ করার সত্যতা মিলেছে। প্রতিবেদন হাতে পাবার পরই নিজে বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।

বগুড়া সদর থানার ওসি এমদাদ হোসেন মামলা দায়েরের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এই ঘটনায় মহাস্থান হাটের ইজারাদার আজমল হোসেনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। নিখোঁজ জোবায়েনূর রহমানকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

উল্লেখ্য, গত রোববার বেলা ১১টায় রূপালী ব্যাংক মহাস্থান শাখার ব্যবস্থাপক জোবায়েনূর রহমান চা খাওয়ার কথা বলে ব্যাংক থেকে বের হয়ে যাওয়ার পর থেকে নিখোঁজ রয়েছেন। ব্যাংক ম্যানেজার নিখোঁজ হওয়ার সংবাদ চারদিকে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাংকে আমানত জমাকারী গ্রাহকেরা তাদের হিসাব দেখার চেষ্টা করেন এবং অনেকেই অভিযোগ করেন তাদের হিসাবের গড়মিল পাওয়া গেছে। পরে ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ চার সদস্যর একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে।

বিডিপ্রেস/আরজে