BDpress

‘মৃতদেহ শনাক্তই বড় চ্যালেঞ্জ’

নিজস্ব প্রতিবেদক

অ+ অ-
‘মৃতদেহ শনাক্তই বড় চ্যালেঞ্জ’
নেপালের ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইউএস-বাংলার বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় ৫০ জনের প্রাণহানি বিষয়ে সিভিল এভিয়েশন অথরিটির চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল এম নাইম হাসান বলেছেন, আর্মি, নেভি ও এয়ার ফোর্সের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। কোনো প্রয়োজন হলে তারা সাহায্য করবে।

আমাদের সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে। এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ মৃতদেহ শনাক্ত করা। অনেকে দেশের যাত্রী সেখানে ছিল, শনাক্ত করা দরকার যাত্রী কোনো দেশের।

তিনি আরও বলেন, ইউএস-বাংলা স্বজনদের নেপালে নিয়ে গিয়ে কাজটি ভালো করেছে। যাত্রী ও উড়োজাহাজের বীমা রয়েছে। ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের দুর্ঘটনা তদন্ত কবে নাগাদ শেষ হবে, তা নির্দিষ্ট করা বলা মুশকিল।

মঙ্গলবার দুপুরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

নেপাল টাওয়ারের সঙ্গে পাইলটের কথোপকথনের রেকর্ড প্রসঙ্গে সিভিল এভিয়েশনের চেয়ারম্যান বলেন, আমিও ইউটিউব থেকে শুনেছি। কিন্তু এগুলো ভেরিফাইড না। আমরা এনালাইসিস করছি। এখনই মন্তব্য করা যাবে না। আমাদের একটা তদন্ত কমিটি আছে, যদিও তদন্ত কমিটি বলা যাবে না। নেপালের সঙ্গে আমরা একসঙ্গে কাজ করবো। মূল কাজটি করবে নেপাল। ব্ল্যাকবক্সের তথ্য উড়োজাহাজ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের কাছে পাঠানো হলে তা তথ্য উদ্ধার করতে পারবে। তখন অনেক তথ্য বের হয়ে আসবে। কোনো কিছুই গোপন থাকবে না। তবে কবে নাগাদ তদন্ত শেষ হবে এটা বলা মুশকিল। তবে রিজন বের করবো, যাতে এর রিপিটিশন না হয়।

তিনি আরও বলেন, এ ধরনের ঘটনার পর দুটি পার্ট আছে, এক হলো তদন্ত, আরেকটি হলো হতাহতদের দ্রুত উদ্ধার ও মৃতদের দেহ শনাক্ত করা। তদন্তের পার্টে, আমরা তদন্ত করছি না, কারণ আমাদের এখতিয়ার নেই। নেপালের প্রাক্তন সচিবের নেতৃত্বে ৫ সদস্যের একটি একটি টিম নেপালে পাঠিয়েছি। এটা চলমান প্রক্রিয়া।

উড়োজাহাজটির কোনো ক্রটি ছিল কি-না এ প্রসঙ্গে নাইম হাসান বলেন, সিভিল এভিয়েশনের সার্টিফিকেশন ছাড়া কোনো উড়োজাহাজ চলতে পারবে না। এই উড়োজাহাজটি নেপালে যাওয়ার আগেও একটি ফ্লাইট করে আসছে। আমরা অনেক সময় টেস্ট ফ্লাইট দেয়, উড়োজাহাজ ঠিক আছে কি-না চেক করা হয়। ওইদিন সকালে একবার ও পরে দুপুরে একবার উড়োজাহজটি গিয়েছিল ফ্লাইটে। অতএব উড়োজাহাজটি ভালো ছিল, এটা নিঃসন্দেহে বলা যায়। উড়োজাহাজের প্রত্যেক তথ্য আমাদের ফ্লাইট সেফটি বিভাগে থাকবে। একটি বিষয় হচ্ছে বিমান কখনও পুরান হয়নি। উড়োজাহাজের ইঞ্জিনের লাইফ সার্কেল রয়েছে। লাইফ সার্কেল শেষ হলে ইঞ্জিন পরিবর্তন করলেই হয়।বিডিপ্রেস/আরজে

এ সম্পর্কিত অন্যান্য খবর

BDpress

‘মৃতদেহ শনাক্তই বড় চ্যালেঞ্জ’


‘মৃতদেহ শনাক্তই বড় চ্যালেঞ্জ’

আমাদের সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে। এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ মৃতদেহ শনাক্ত করা। অনেকে দেশের যাত্রী সেখানে ছিল, শনাক্ত করা দরকার যাত্রী কোনো দেশের।

তিনি আরও বলেন, ইউএস-বাংলা স্বজনদের নেপালে নিয়ে গিয়ে কাজটি ভালো করেছে। যাত্রী ও উড়োজাহাজের বীমা রয়েছে। ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের দুর্ঘটনা তদন্ত কবে নাগাদ শেষ হবে, তা নির্দিষ্ট করা বলা মুশকিল।

মঙ্গলবার দুপুরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

নেপাল টাওয়ারের সঙ্গে পাইলটের কথোপকথনের রেকর্ড প্রসঙ্গে সিভিল এভিয়েশনের চেয়ারম্যান বলেন, আমিও ইউটিউব থেকে শুনেছি। কিন্তু এগুলো ভেরিফাইড না। আমরা এনালাইসিস করছি। এখনই মন্তব্য করা যাবে না। আমাদের একটা তদন্ত কমিটি আছে, যদিও তদন্ত কমিটি বলা যাবে না। নেপালের সঙ্গে আমরা একসঙ্গে কাজ করবো। মূল কাজটি করবে নেপাল। ব্ল্যাকবক্সের তথ্য উড়োজাহাজ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের কাছে পাঠানো হলে তা তথ্য উদ্ধার করতে পারবে। তখন অনেক তথ্য বের হয়ে আসবে। কোনো কিছুই গোপন থাকবে না। তবে কবে নাগাদ তদন্ত শেষ হবে এটা বলা মুশকিল। তবে রিজন বের করবো, যাতে এর রিপিটিশন না হয়।

তিনি আরও বলেন, এ ধরনের ঘটনার পর দুটি পার্ট আছে, এক হলো তদন্ত, আরেকটি হলো হতাহতদের দ্রুত উদ্ধার ও মৃতদের দেহ শনাক্ত করা। তদন্তের পার্টে, আমরা তদন্ত করছি না, কারণ আমাদের এখতিয়ার নেই। নেপালের প্রাক্তন সচিবের নেতৃত্বে ৫ সদস্যের একটি একটি টিম নেপালে পাঠিয়েছি। এটা চলমান প্রক্রিয়া।

উড়োজাহাজটির কোনো ক্রটি ছিল কি-না এ প্রসঙ্গে নাইম হাসান বলেন, সিভিল এভিয়েশনের সার্টিফিকেশন ছাড়া কোনো উড়োজাহাজ চলতে পারবে না। এই উড়োজাহাজটি নেপালে যাওয়ার আগেও একটি ফ্লাইট করে আসছে। আমরা অনেক সময় টেস্ট ফ্লাইট দেয়, উড়োজাহাজ ঠিক আছে কি-না চেক করা হয়। ওইদিন সকালে একবার ও পরে দুপুরে একবার উড়োজাহজটি গিয়েছিল ফ্লাইটে। অতএব উড়োজাহাজটি ভালো ছিল, এটা নিঃসন্দেহে বলা যায়। উড়োজাহাজের প্রত্যেক তথ্য আমাদের ফ্লাইট সেফটি বিভাগে থাকবে। একটি বিষয় হচ্ছে বিমান কখনও পুরান হয়নি। উড়োজাহাজের ইঞ্জিনের লাইফ সার্কেল রয়েছে। লাইফ সার্কেল শেষ হলে ইঞ্জিন পরিবর্তন করলেই হয়।বিডিপ্রেস/আরজে