BDpress

দর্শনীয় স্থানে সরকারের আয় প্রায় ৪ কোটি

নিজস্ব প্রতিবেদক

অ+ অ-
দর্শনীয় স্থানে সরকারের আয় প্রায় ৪ কোটি
জাতীয় জাদুঘরসহ দর্শনীয় ৮ স্থান থেকে বিগত অর্থবছরে সরকারের আয় হয়েছে ৩ কোটি ৮৭ লাখ ৯৫ হাজার ৭৭২ টাকা। সবচেয়ে বেশি আয় হয়েছে জাতীয় জাদুঘর থেকে। ২০১৭ অর্থ বছরে জাতীয় জাদুঘর থেকে আয় হয়েছে ২ কোটি ১৮ লাখ ১০ হাজার ৯৫৫ টাকা।

সোমবার জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির ২৯তম বৈঠকে এ তথ্য জানানো হয়। কমিটির সভাপতি সিমিন হোসেন রিমির সভাপতিত্বে বৈঠকে কমিটির সদস্য সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর, কাজী কেরামত আলী, মনোরঞ্জন শীল গোপাল, পংকজ নাথ, পিনু খান এবং জেবুন্নেছা আফরোজ অংশ নেন।

বৈঠকের কার্যপত্র থেকে জানা গেছে, ওই বছরে রাজধানীতে অবস্থিত আহসান মঞ্জিল থেকে আয় ১ কোটি ১১ লাখ ৩৩ হাজার ৬২৯ টাকা। চট্টগ্রামে অবস্থিত জিয়া স্মৃতি জাদুঘর থেকে আয় ২৭ লাখ ৩১ হাজার ৭৮৭ টাকা। ময়মনসিংহে অবস্থিত শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন সংগ্রহশালা থেকে আয় ৭ লাখ ৮৭ হাজার ২১০ টাকা। ঢাকার স্বাধীনতার জাদুঘর থেকে আয় ১৯ লাখ ৮৬ হাজার ১৭৮ টাকা।

সম্প্রতি চালু হওয়া ফরিদপুরে পল্লী কবি জসীমউদ্দীন জাদুঘর ও লোক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র ১ লাখ ৯৭ হাজার ৮০০ টাকা (২০১৭ সালে ৯ ডিসেম্বর থেকে চলতি বছরের ৭ মার্চ পর্যন্ত) আয় হয়েছে।

এছাড়া কুষ্টিয়ার কাঙ্গাল হরিনাথ স্মৃতি জাদুঘর থেকে আয় ২৭ হাজার ৪৯০ টাকা (২০১৭ সালের ৯ ডিসেম্বর থেকে চলতি বছরের ৭ মার্চ পর্যন্ত)।

সরকারিভাবে প্রাপ্ত ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর তালিকা আগামী বৈঠকের পূর্বে চূড়ান্ত করা এবং কোনো ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী বর্তমান তালিকা থেকে বাদ পড়লে পরবর্তীতে সম্পৃক্ত করার সুযোগ রাখার সুপারিশ করা হয়।

বৈঠকে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর, প্রত্মতত্ত্ব অধিদফতর ও শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালকসহ মন্ত্রণালয় ও জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বিডিপ্রেস/আরজে

এ সম্পর্কিত অন্যান্য খবর

BDpress

দর্শনীয় স্থানে সরকারের আয় প্রায় ৪ কোটি


দর্শনীয় স্থানে সরকারের আয় প্রায় ৪ কোটি

সোমবার জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির ২৯তম বৈঠকে এ তথ্য জানানো হয়। কমিটির সভাপতি সিমিন হোসেন রিমির সভাপতিত্বে বৈঠকে কমিটির সদস্য সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর, কাজী কেরামত আলী, মনোরঞ্জন শীল গোপাল, পংকজ নাথ, পিনু খান এবং জেবুন্নেছা আফরোজ অংশ নেন।

বৈঠকের কার্যপত্র থেকে জানা গেছে, ওই বছরে রাজধানীতে অবস্থিত আহসান মঞ্জিল থেকে আয় ১ কোটি ১১ লাখ ৩৩ হাজার ৬২৯ টাকা। চট্টগ্রামে অবস্থিত জিয়া স্মৃতি জাদুঘর থেকে আয় ২৭ লাখ ৩১ হাজার ৭৮৭ টাকা। ময়মনসিংহে অবস্থিত শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন সংগ্রহশালা থেকে আয় ৭ লাখ ৮৭ হাজার ২১০ টাকা। ঢাকার স্বাধীনতার জাদুঘর থেকে আয় ১৯ লাখ ৮৬ হাজার ১৭৮ টাকা।

সম্প্রতি চালু হওয়া ফরিদপুরে পল্লী কবি জসীমউদ্দীন জাদুঘর ও লোক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র ১ লাখ ৯৭ হাজার ৮০০ টাকা (২০১৭ সালে ৯ ডিসেম্বর থেকে চলতি বছরের ৭ মার্চ পর্যন্ত) আয় হয়েছে।

এছাড়া কুষ্টিয়ার কাঙ্গাল হরিনাথ স্মৃতি জাদুঘর থেকে আয় ২৭ হাজার ৪৯০ টাকা (২০১৭ সালের ৯ ডিসেম্বর থেকে চলতি বছরের ৭ মার্চ পর্যন্ত)।

সরকারিভাবে প্রাপ্ত ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর তালিকা আগামী বৈঠকের পূর্বে চূড়ান্ত করা এবং কোনো ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী বর্তমান তালিকা থেকে বাদ পড়লে পরবর্তীতে সম্পৃক্ত করার সুযোগ রাখার সুপারিশ করা হয়।

বৈঠকে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর, প্রত্মতত্ত্ব অধিদফতর ও শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালকসহ মন্ত্রণালয় ও জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বিডিপ্রেস/আরজে