BDpress

ডিজিটাল হলো চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি

বিনোদন ডেস্ক

অ+ অ-
ডিজিটাল হলো চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি
ডিজিটাল চলচ্চিত্রের যুগ শুরু হয়েছে ২০১০ সাল থেকেই। চলচ্চিত্রের শিল্পীরাও সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে নিজেদের ডিজিটাল করে নিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে চোখ রাখলেই তার প্রমাণ মেলে।

তবে চলচ্চিত্রের শিল্পীদের সংগঠন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি ডিজিটাল হলো আজ ১৫ মে। অভিষেকের প্রায় তিন দশক পর চালু হলো শিল্পী সমিতির ওয়েবসাইট।

১৯৫৭ সালের ৩ এপ্রিল পূর্ব পাকিস্তান চলচ্চিত্র উন্নয়ন সংস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর সেটির নাম হয় বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএফডিসি)। প্রতিষ্ঠানটিতে সক্রিয় চলচ্চিত্র শিল্পীদের অন্যতম সংগঠন ‘চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি’। এই সংগঠনটির প্রথম নির্বাচন হয় ১৯৮৪ সালে। এর পরের বছরই বিশ্বজুড়ে ইন্টারনেট জনপ্রিয় হতে থাকে। কিন্তু এই তিন দশকে নিজেদের ওয়েবসাইট করেনি শিল্পী সমিতি। শিল্পীদের সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যাচ্ছিল না। অবশেষে নিজস্ব ওয়েবসাইটের উদ্বোধন করে সেই খরা ঘুচাল শিল্পীদের সংগঠনটি। এখানে মিলবে শিল্পীদের সম্পর্কে নানা তথ্য।

সেই তালিকায় আছেন নায়করাজ রাজ্জাক থেকে জনপ্রিয় তারকা শাবানা, কবরী, আলগীর, ফারুক, ববিতা, ইলিয়াস কাঞ্চন, রিয়াজ, শাবনূর, পূর্ণিমা, পপি, মান্না ও শাকিব খানসহ আরও অনেক তারকার নাম।

শিল্পী সমিতিতে কতজন সদস্য আছেন, কত সালে সমিতি প্রতিষ্ঠিত হয়, কতজন শিল্পী মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন, বর্তমানে কারা কারা কাজ করছেন, সে বিষয়গুলোও পাওয়া যাবে সাইটটিতে।

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্যদের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে এই ওয়েবসাইটটি চালু হয়েছে বলে জানান সমিতির সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খান।

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের চলচ্চিত্র শিল্পের ঐতিহ্য রয়েছে। অথচ সেসব সম্পর্কে সঠিক তথ্য পাওয়া যায় না। আর যা পাওয়া যায়, তার বড় একটা অংশে থাকে ভুল। সঠিক তথ্য বিশ্ব দরবারে পৌঁছে দেয়ার জন্যই আমাদের এ উদ্যোগ। অভিনয় করার সুবাধে তো সমাজের নানান পেশা ও শ্রেণির মানুষের সঙ্গে চলাফেরা করতে হয়।'

যখন কেউ হঠাৎ করে বলে তোমাদের ওয়েবসাইট নেই? তখন ভীষণ লজ্জায় পড়তে হয়। কোনো উত্তর দিতে পারি না। আগের কমিটিগুলোতে যারা ছিলেন, তারাই ভালো বলতে পারবেন, কেন তারা এ বিষয়ে কেন কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করেননি? আসলে কী, সৎ ইচ্ছা থাকতে হয়। না হলে কোনো কিছুই হয় না। শুধু নেব, কিছু দেব না, তাদের নীতি মনে হয় এমনই ছিল।’

এ বিষয়ে জ্যেষ্ঠ অভিনেতা ও বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিবারের আহ্বায়ক নায়ক ফারুক বলেন, ‘এর আগে নানান সময়ে যারা কমিটিতে ছিলেন, তারা এ ধরনের একটি উদ্যোগ না নেয়ার প্রধান কারণ হিসেবে আমি দেখি, তাদের উদাসীনতা। তারা বিষয়টা নিয়ে ভাবেওনি। ইন্ডাস্ট্রি ও শিল্পীদের সম্পর্কে এখন অনেক তথ্যই পাওয়া যাবে ওয়েবসাইটে। এটা খুবই যুগোপযোগী এবং চমৎকার কাজ হয়েছে বলে মনে করি আমি।'

১৫ মে বিকেলে এফডিসিতে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির অফিসিয়াল ওয়েবসাইট উদ্বোধন করার কথা থাকলেও তা হয় ৫টার পরে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন অভিনেতা ফারুক, সোহেল রানা, ইলিয়াস কাঞ্চন, মিশা সওদাগর, জায়েদ খান, ফেরদৌস আহমেদ, নায়িকা রোজিনা, অঞ্জনা, পপিসহ আরও অনেকেই। এই ওয়েবসাইট চালুর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি নতুন যুগের উন্মোচন করলো বলে মনে করছেন চলচ্চিত্রের মানুষেরা।

বিডিপ্রেস/আরজে

এ সম্পর্কিত অন্যান্য খবর

BDpress

ডিজিটাল হলো চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি


ডিজিটাল হলো চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি

তবে চলচ্চিত্রের শিল্পীদের সংগঠন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি ডিজিটাল হলো আজ ১৫ মে। অভিষেকের প্রায় তিন দশক পর চালু হলো শিল্পী সমিতির ওয়েবসাইট।

১৯৫৭ সালের ৩ এপ্রিল পূর্ব পাকিস্তান চলচ্চিত্র উন্নয়ন সংস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর সেটির নাম হয় বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএফডিসি)। প্রতিষ্ঠানটিতে সক্রিয় চলচ্চিত্র শিল্পীদের অন্যতম সংগঠন ‘চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি’। এই সংগঠনটির প্রথম নির্বাচন হয় ১৯৮৪ সালে। এর পরের বছরই বিশ্বজুড়ে ইন্টারনেট জনপ্রিয় হতে থাকে। কিন্তু এই তিন দশকে নিজেদের ওয়েবসাইট করেনি শিল্পী সমিতি। শিল্পীদের সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যাচ্ছিল না। অবশেষে নিজস্ব ওয়েবসাইটের উদ্বোধন করে সেই খরা ঘুচাল শিল্পীদের সংগঠনটি। এখানে মিলবে শিল্পীদের সম্পর্কে নানা তথ্য।

সেই তালিকায় আছেন নায়করাজ রাজ্জাক থেকে জনপ্রিয় তারকা শাবানা, কবরী, আলগীর, ফারুক, ববিতা, ইলিয়াস কাঞ্চন, রিয়াজ, শাবনূর, পূর্ণিমা, পপি, মান্না ও শাকিব খানসহ আরও অনেক তারকার নাম।

শিল্পী সমিতিতে কতজন সদস্য আছেন, কত সালে সমিতি প্রতিষ্ঠিত হয়, কতজন শিল্পী মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন, বর্তমানে কারা কারা কাজ করছেন, সে বিষয়গুলোও পাওয়া যাবে সাইটটিতে।

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্যদের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে এই ওয়েবসাইটটি চালু হয়েছে বলে জানান সমিতির সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খান।

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের চলচ্চিত্র শিল্পের ঐতিহ্য রয়েছে। অথচ সেসব সম্পর্কে সঠিক তথ্য পাওয়া যায় না। আর যা পাওয়া যায়, তার বড় একটা অংশে থাকে ভুল। সঠিক তথ্য বিশ্ব দরবারে পৌঁছে দেয়ার জন্যই আমাদের এ উদ্যোগ। অভিনয় করার সুবাধে তো সমাজের নানান পেশা ও শ্রেণির মানুষের সঙ্গে চলাফেরা করতে হয়।'

যখন কেউ হঠাৎ করে বলে তোমাদের ওয়েবসাইট নেই? তখন ভীষণ লজ্জায় পড়তে হয়। কোনো উত্তর দিতে পারি না। আগের কমিটিগুলোতে যারা ছিলেন, তারাই ভালো বলতে পারবেন, কেন তারা এ বিষয়ে কেন কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করেননি? আসলে কী, সৎ ইচ্ছা থাকতে হয়। না হলে কোনো কিছুই হয় না। শুধু নেব, কিছু দেব না, তাদের নীতি মনে হয় এমনই ছিল।’

এ বিষয়ে জ্যেষ্ঠ অভিনেতা ও বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিবারের আহ্বায়ক নায়ক ফারুক বলেন, ‘এর আগে নানান সময়ে যারা কমিটিতে ছিলেন, তারা এ ধরনের একটি উদ্যোগ না নেয়ার প্রধান কারণ হিসেবে আমি দেখি, তাদের উদাসীনতা। তারা বিষয়টা নিয়ে ভাবেওনি। ইন্ডাস্ট্রি ও শিল্পীদের সম্পর্কে এখন অনেক তথ্যই পাওয়া যাবে ওয়েবসাইটে। এটা খুবই যুগোপযোগী এবং চমৎকার কাজ হয়েছে বলে মনে করি আমি।'

১৫ মে বিকেলে এফডিসিতে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির অফিসিয়াল ওয়েবসাইট উদ্বোধন করার কথা থাকলেও তা হয় ৫টার পরে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন অভিনেতা ফারুক, সোহেল রানা, ইলিয়াস কাঞ্চন, মিশা সওদাগর, জায়েদ খান, ফেরদৌস আহমেদ, নায়িকা রোজিনা, অঞ্জনা, পপিসহ আরও অনেকেই। এই ওয়েবসাইট চালুর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি নতুন যুগের উন্মোচন করলো বলে মনে করছেন চলচ্চিত্রের মানুষেরা।

বিডিপ্রেস/আরজে