BDpress

তামাক সেবন : প্রতি বছর দেড় লাখ মানুষের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক

অ+ অ-
তামাক সেবন : প্রতি বছর দেড় লাখ মানুষের মৃত্যু
বাংলাদেশে প্রতি বছর দেড় লাখ মানুষ তামাকজাত দ্রব্য সেবনে অসুস্থ হয়ে মারা যায়। ১৫ থেকে ৬৮ বছর বয়সী ৪৩ দশমিক ৩ শতাংশ মানুষ তামাক সেবন করেন। এই সংখ্যা ৪ কোটি ৩০ লাখ। এর মধ্যে ৪৫ শতাংশ পুরুষ ও ১ দশমিক ৫ শতাংশ নারী রয়েছে।

বুধবার সচিবালয়ে পরোক্ষ ধূমপান ক্ষতি বিষয়ক নতুন টিভি স্পট ‘বিষধোঁয়া’ ক্যাম্পেইন এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জাহিদ মালেক এ তথ্য জানান।

তিনি আরো বলেন, শুধু তামাক সেবন করেন এমন প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ ২৬ শতাংশ আর নারী ২৮ শতাংশ। দেশে প্রত্যক্ষ ধূমপায়ীর সংখ্যা কমে আসলেও প্রতি বছর ১৩ থেকে ১৫ শতাংশ মানুষ পরোক্ষ ধূমপানের কারণে অসুস্থ হয়।

জাহিদ মালেক বলেন, ধূমপান ৮ শতাংশ কমলেও ইয়াবা আসক্তি বেড়েছে ভয়াবহভাবে। বর্তমানে দেশে ৬০ থেকে ৭০ লাখ মানুষ ইয়াবা আসক্ত।

‘দেশে ইয়াবা মহামারী আকারে প্রবেশ করছে। যা উদ্ধার হচ্ছে তা প্রবেশ করা ইয়াবার মাত্র ৪ শতাংশ। আমরা ইয়াবা ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবো। ইয়াবা ব্যবসায়ীদের রক্ত ঝরাতে পিছপা হবো না-উল্লেখ করেন প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, দেশে মাদকাসক্তদের চিকিৎসার পূর্ণাঙ্গ ব্যবস্থা নেই। আমরা পূর্ণাঙ্গ ব্যবস্থা নেবো।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের ২০ শতাংশ মানুষ এখনও দারিদ্র্যসীমার নিচে জীবনযাপন করেন। দেশের মানুষ তামাক পরিহার করলে দারিদ্র্যসীমার সংখ্যা একেবারেই কমে যাবে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব সিরাজুল হক খান, ভাইটাল স্ট্র্যাটেজিস এর কান্ট্রি অ্যাডভাইজার শফিকুল ইসলাম, মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব হাবিবুর রহমান প্রমুখ।

স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব সিরাজুল হক খান বলেন, ২০০৯ সালের হিসাব অনুযায়ী দেশে প্রাপ্তবয়স্ক ৪৩ শতাংশ মানুষ ধূমপান করেন। তবে ২০১৭ সালের জরিপ অনুযায়ী তা ৩৫ শতাংশে নেমে এসেছে। এই ৮ শতাংশ কমে আসা তথ্য এখনও প্রকাশ করা হয়নি।

বিডিপ্রেস/আরজে

এ সম্পর্কিত অন্যান্য খবর

BDpress

তামাক সেবন : প্রতি বছর দেড় লাখ মানুষের মৃত্যু


তামাক সেবন : প্রতি বছর দেড় লাখ মানুষের মৃত্যু

বুধবার সচিবালয়ে পরোক্ষ ধূমপান ক্ষতি বিষয়ক নতুন টিভি স্পট ‘বিষধোঁয়া’ ক্যাম্পেইন এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জাহিদ মালেক এ তথ্য জানান।

তিনি আরো বলেন, শুধু তামাক সেবন করেন এমন প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ ২৬ শতাংশ আর নারী ২৮ শতাংশ। দেশে প্রত্যক্ষ ধূমপায়ীর সংখ্যা কমে আসলেও প্রতি বছর ১৩ থেকে ১৫ শতাংশ মানুষ পরোক্ষ ধূমপানের কারণে অসুস্থ হয়।

জাহিদ মালেক বলেন, ধূমপান ৮ শতাংশ কমলেও ইয়াবা আসক্তি বেড়েছে ভয়াবহভাবে। বর্তমানে দেশে ৬০ থেকে ৭০ লাখ মানুষ ইয়াবা আসক্ত।

‘দেশে ইয়াবা মহামারী আকারে প্রবেশ করছে। যা উদ্ধার হচ্ছে তা প্রবেশ করা ইয়াবার মাত্র ৪ শতাংশ। আমরা ইয়াবা ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবো। ইয়াবা ব্যবসায়ীদের রক্ত ঝরাতে পিছপা হবো না-উল্লেখ করেন প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, দেশে মাদকাসক্তদের চিকিৎসার পূর্ণাঙ্গ ব্যবস্থা নেই। আমরা পূর্ণাঙ্গ ব্যবস্থা নেবো।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের ২০ শতাংশ মানুষ এখনও দারিদ্র্যসীমার নিচে জীবনযাপন করেন। দেশের মানুষ তামাক পরিহার করলে দারিদ্র্যসীমার সংখ্যা একেবারেই কমে যাবে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব সিরাজুল হক খান, ভাইটাল স্ট্র্যাটেজিস এর কান্ট্রি অ্যাডভাইজার শফিকুল ইসলাম, মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব হাবিবুর রহমান প্রমুখ।

স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব সিরাজুল হক খান বলেন, ২০০৯ সালের হিসাব অনুযায়ী দেশে প্রাপ্তবয়স্ক ৪৩ শতাংশ মানুষ ধূমপান করেন। তবে ২০১৭ সালের জরিপ অনুযায়ী তা ৩৫ শতাংশে নেমে এসেছে। এই ৮ শতাংশ কমে আসা তথ্য এখনও প্রকাশ করা হয়নি।

বিডিপ্রেস/আরজে