BDpress

পত্রিকায় নাম না দেয়ায় সাংবাদিকের ওপর হামলা

জেলা প্রতিবেদক

অ+ অ-
পত্রিকায় নাম না দেয়ায় সাংবাদিকের ওপর হামলা
কালের কণ্ঠের মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি ও বিক্রমপুর প্রেস ক্লাবের সভাপতি মাসুদ খানের ওপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে। বুধবার দুপুরে লৌহজং উপজেলার হলদিয়া এলাকায় অবস্থিত বিক্রমপুর প্রেস ক্লাব ভবনের নিচে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

গ্রেফতাররা হলেন- উত্তর হলদিয়া গ্রামের গরামু দাসের ছেলে আশিক (২০), হাসেম বেপারীর ছেলে মো. সেলিম (২৬) ও দক্ষিণ হলদিয়া গ্রামের সাত্তার বেপারির ছেলে মো. দেলোয়ার(৫৫)।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, গত সোমবার লৌহজংয়ের হলদিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এ সংবাদটি গত মঙ্গলবার কালের কণ্ঠে প্রকাশিত হয়। কিন্তু সেখানে লৌহজং থানা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বিএম শোয়েবের নাম না থাকায় শোয়েব সমর্থকরা ক্ষুব্ধ হয়। এ নিয়ে গত মঙ্গলবার তারা হলদিয়া বাজারে ব্যাপক হট্টগোল করে।

বুধবার দুপুর ১টার দিকে সাংবাদিক মাসুদ খান বিক্রমপুর প্রেস ক্লাবের দ্বিতল ভবন থেকে নেমে নিচ তলায় আসলে বিএম শোয়েবের চাচাতো ভাই মিন্টু বেপারী, অপু ঘোষ, শীবু শীলসহ আনুমানিক ১০-১২ জন লোক তার ওপর হামলা চালায় ও তাকে মারধর করে। এ সময় সাংবাদিক মাসুদ দৌড়ে হলদিয়া বাজারের একটি মিষ্টির দোকানে আশ্রয় নিলে হামলাকারীরা ওই মিষ্টির দোকানে গিয়ে তাকে আবারও লাঠিসোটা ও হাতুরি দিয়ে ব্যাপক মারধর করে।

আহত সাংবাদিক মাসুদ খান জানান, হামলকারীরা বৃহস্পতিবার প্রেসক্লাবে আয়োজিত ইফতার মাহফিলের জন্য থাকা খরচের ৫০ হাজার টাকা, গলায় থাকা স্বর্ণের চেইন ও হাতের ব্রেসলেট ছিনিয়ে নেয়। এ সময় স্থানীয় ইউপি মেম্বার ও বাজার দোকানদার মানিক লক্ষ্মণ ও মনির হোসেনসহ কতিপয় ব্যক্তি তাকে উদ্ধার করে লৌহজং উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি করে।

তিনি আরও জানান, তার ওপর যে হামলা হয়েছে তা পূর্ব পরিকল্পিত। কারও নাম পত্রিকায় না গেলে সেজন্য সাংবাদিকের ওপর হামলা করা হবে? এটা কি সভ্য সমাজ মেনে নেবে? হামলাকারীরা দাবি করছে নাম না যাওয়ায় সংবাদটি নাকি বস্তুনিষ্ঠ হয়নি।

এ বিষয়ে লৌহজং থানা পুলিশের ওসি (তদন্ত) মো. রাজিব খান বলেন, সাংবাদিক মাসুদ খান বাদী হয়ে লৌহজং থানায় হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের করেছেন। এ ঘটনার পুলিশ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে। বাকিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

বিডিপ্রেস/আরজে

এ সম্পর্কিত অন্যান্য খবর

BDpress

পত্রিকায় নাম না দেয়ায় সাংবাদিকের ওপর হামলা


পত্রিকায় নাম না দেয়ায় সাংবাদিকের ওপর হামলা

গ্রেফতাররা হলেন- উত্তর হলদিয়া গ্রামের গরামু দাসের ছেলে আশিক (২০), হাসেম বেপারীর ছেলে মো. সেলিম (২৬) ও দক্ষিণ হলদিয়া গ্রামের সাত্তার বেপারির ছেলে মো. দেলোয়ার(৫৫)।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, গত সোমবার লৌহজংয়ের হলদিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এ সংবাদটি গত মঙ্গলবার কালের কণ্ঠে প্রকাশিত হয়। কিন্তু সেখানে লৌহজং থানা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বিএম শোয়েবের নাম না থাকায় শোয়েব সমর্থকরা ক্ষুব্ধ হয়। এ নিয়ে গত মঙ্গলবার তারা হলদিয়া বাজারে ব্যাপক হট্টগোল করে।

বুধবার দুপুর ১টার দিকে সাংবাদিক মাসুদ খান বিক্রমপুর প্রেস ক্লাবের দ্বিতল ভবন থেকে নেমে নিচ তলায় আসলে বিএম শোয়েবের চাচাতো ভাই মিন্টু বেপারী, অপু ঘোষ, শীবু শীলসহ আনুমানিক ১০-১২ জন লোক তার ওপর হামলা চালায় ও তাকে মারধর করে। এ সময় সাংবাদিক মাসুদ দৌড়ে হলদিয়া বাজারের একটি মিষ্টির দোকানে আশ্রয় নিলে হামলাকারীরা ওই মিষ্টির দোকানে গিয়ে তাকে আবারও লাঠিসোটা ও হাতুরি দিয়ে ব্যাপক মারধর করে।

আহত সাংবাদিক মাসুদ খান জানান, হামলকারীরা বৃহস্পতিবার প্রেসক্লাবে আয়োজিত ইফতার মাহফিলের জন্য থাকা খরচের ৫০ হাজার টাকা, গলায় থাকা স্বর্ণের চেইন ও হাতের ব্রেসলেট ছিনিয়ে নেয়। এ সময় স্থানীয় ইউপি মেম্বার ও বাজার দোকানদার মানিক লক্ষ্মণ ও মনির হোসেনসহ কতিপয় ব্যক্তি তাকে উদ্ধার করে লৌহজং উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি করে।

তিনি আরও জানান, তার ওপর যে হামলা হয়েছে তা পূর্ব পরিকল্পিত। কারও নাম পত্রিকায় না গেলে সেজন্য সাংবাদিকের ওপর হামলা করা হবে? এটা কি সভ্য সমাজ মেনে নেবে? হামলাকারীরা দাবি করছে নাম না যাওয়ায় সংবাদটি নাকি বস্তুনিষ্ঠ হয়নি।

এ বিষয়ে লৌহজং থানা পুলিশের ওসি (তদন্ত) মো. রাজিব খান বলেন, সাংবাদিক মাসুদ খান বাদী হয়ে লৌহজং থানায় হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের করেছেন। এ ঘটনার পুলিশ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে। বাকিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

বিডিপ্রেস/আরজে