BDpress

ঈদের মৌসুমেও ফাঁকা গাবতলী!

নিজস্ব প্রতিবেদক

অ+ অ-
ঈদের মৌসুমেও ফাঁকা গাবতলী!
কদিন পরেই ঈদ। তাই নাড়ির টানে রাজধানী ছাড়ছেন লাখো মানুষ। ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ২০ রমজান থেকে যাত্রা শুরু করলেও গতকাল থেকে ছিল ঘরমুখো মানুষের ভিড়। তবে সেটা ট্রেনে বা লঞ্চে। রাজধানীর বাস টার্মিনালগুলোতে ঈদে বাড়ির ফেরা মানুষদের সেরকম ভিড় নেই।

বুধবার সকালে রাজধানীর গাবতলী বাস টার্মিনালে সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, টার্মিনাল অনেকটা ফাঁকা দেখা যায়। যাত্রীর সংখ্যার চেয়ে পরিবহন শ্রমিকদের সংখ্যাই বেশি। 

পরিবহন শ্রমিক ও যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গাবতলীর যাত্রীরা মূলত উত্তরবঙ্গের মানুষ। বেশিরভাগ যাত্রী ভরসা করছেন ট্রেনের ওপর। কারণ সড়কের অবস্থা খুবই খারাপ। নিরাপদে ও অপেক্ষাকৃত কম সময়ে যেতে তাই ট্রেনে যেতে আগ্রহী যাত্রী। তার ওপর আবার বাসে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ তো আছেই। টিকিটপ্রতি অতিরিক্ত ৫০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত আদায় করা হয়।

পঞ্চগড়ের যাত্রী রবিউল আওয়াল বলেন, ট্রেনের টিকিট না পেয়ে বাস টার্মিনালে আসছি। বাসে অনেক দুর্ভোগ কিন্তু যেতে তো হবেই। তাই বাধ্য হয়ে এ গাবতলীতে এসেছি।

ফরিদপুরের যাত্রী আব্দুল হামিদ বলেন, ফরিদপুরের রুটে ট্রেন নেই। বাসে  নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে পঞ্চাশ টাকা বেশি নেয়া হচ্ছে। কিন্তু বিকল্প কোনো অবস্থা না থাকায় বাসেই যেতে বাধ্য হচ্ছি। 

সড়ক ও জনপথের (সওজ) প্রতিবেদন অনুযায়ী, মহাসড়কের ৫৭ দশমিক ১৩ ভাগ ভালো হলেও সারাদেশে এক হাজার ৭৩ কিলোমিটার রাস্তার অবস্থা খারাপ এবং দেড় হাজার কিলোমিটারের বেশি রাস্তার অবস্থা খুবই খারাপ ও চলাচলের অযোগ্য। গতবছর এই সময়ে ৩৯ ভাগ মহাসড়ক ভালো ছিল। তার আগের বছরে (২০১৬) মাত্র ১৯ ভাগ রাস্তা ভালো ছিল।

মহাসড়কের মধ্যে উত্তরাঞ্চলের ২২ জেলার ৬২ স্থানে প্রায় ৫ কিলোমিটার সড়ক বিলীন হয়ে গেছে, ৬৭ কিলোমিটার সড়ক-মহাসড়ক বন্যায় তলিয়ে গেছে এবং ৫ হাজার ১১৫ কিলোমিটার মহাসড়ক ক্ষতিগ্রস্ত।

এ বিষয়ে মহাখালী বাস ট্রাক মালিক সমিতির কর্মকর্তা সালাউদ্দিন বলেন, উত্তরবঙ্গ অভিমুখী রাস্তার অবস্থা খুবই খারাপ। এ কারণে বাসে যাত্রী একদম কম। যাত্রীরা বেশিরভাগ সব ট্রেনে যাচ্ছেন। এ কারণে সিট পূর্ণ না হয়েও অনেক বাস ছেড়ে দেয়া হচ্ছে।  

অতিরিক্ত ভাড়ার বিষয়ে তিনি বলেন, নির্ধারিত ভাড়াই নেয়া হচ্ছে। কোথাও অতিরিক্ত ভাড়া নেয়া হচ্ছে, এমন অভিযোগ পাইনি। তবে ঈদের সময় যেহেতু শ্রমিকদের কেউ কেউ ঈদ বোনাস নিয়ে থাকতে পারে। 

বিডিপ্রেস/আরজে

এ সম্পর্কিত অন্যান্য খবর

BDpress

ঈদের মৌসুমেও ফাঁকা গাবতলী!


ঈদের মৌসুমেও ফাঁকা গাবতলী!

বুধবার সকালে রাজধানীর গাবতলী বাস টার্মিনালে সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, টার্মিনাল অনেকটা ফাঁকা দেখা যায়। যাত্রীর সংখ্যার চেয়ে পরিবহন শ্রমিকদের সংখ্যাই বেশি। 

পরিবহন শ্রমিক ও যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গাবতলীর যাত্রীরা মূলত উত্তরবঙ্গের মানুষ। বেশিরভাগ যাত্রী ভরসা করছেন ট্রেনের ওপর। কারণ সড়কের অবস্থা খুবই খারাপ। নিরাপদে ও অপেক্ষাকৃত কম সময়ে যেতে তাই ট্রেনে যেতে আগ্রহী যাত্রী। তার ওপর আবার বাসে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ তো আছেই। টিকিটপ্রতি অতিরিক্ত ৫০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত আদায় করা হয়।

পঞ্চগড়ের যাত্রী রবিউল আওয়াল বলেন, ট্রেনের টিকিট না পেয়ে বাস টার্মিনালে আসছি। বাসে অনেক দুর্ভোগ কিন্তু যেতে তো হবেই। তাই বাধ্য হয়ে এ গাবতলীতে এসেছি।

ফরিদপুরের যাত্রী আব্দুল হামিদ বলেন, ফরিদপুরের রুটে ট্রেন নেই। বাসে  নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে পঞ্চাশ টাকা বেশি নেয়া হচ্ছে। কিন্তু বিকল্প কোনো অবস্থা না থাকায় বাসেই যেতে বাধ্য হচ্ছি। 

সড়ক ও জনপথের (সওজ) প্রতিবেদন অনুযায়ী, মহাসড়কের ৫৭ দশমিক ১৩ ভাগ ভালো হলেও সারাদেশে এক হাজার ৭৩ কিলোমিটার রাস্তার অবস্থা খারাপ এবং দেড় হাজার কিলোমিটারের বেশি রাস্তার অবস্থা খুবই খারাপ ও চলাচলের অযোগ্য। গতবছর এই সময়ে ৩৯ ভাগ মহাসড়ক ভালো ছিল। তার আগের বছরে (২০১৬) মাত্র ১৯ ভাগ রাস্তা ভালো ছিল।

মহাসড়কের মধ্যে উত্তরাঞ্চলের ২২ জেলার ৬২ স্থানে প্রায় ৫ কিলোমিটার সড়ক বিলীন হয়ে গেছে, ৬৭ কিলোমিটার সড়ক-মহাসড়ক বন্যায় তলিয়ে গেছে এবং ৫ হাজার ১১৫ কিলোমিটার মহাসড়ক ক্ষতিগ্রস্ত।

এ বিষয়ে মহাখালী বাস ট্রাক মালিক সমিতির কর্মকর্তা সালাউদ্দিন বলেন, উত্তরবঙ্গ অভিমুখী রাস্তার অবস্থা খুবই খারাপ। এ কারণে বাসে যাত্রী একদম কম। যাত্রীরা বেশিরভাগ সব ট্রেনে যাচ্ছেন। এ কারণে সিট পূর্ণ না হয়েও অনেক বাস ছেড়ে দেয়া হচ্ছে।  

অতিরিক্ত ভাড়ার বিষয়ে তিনি বলেন, নির্ধারিত ভাড়াই নেয়া হচ্ছে। কোথাও অতিরিক্ত ভাড়া নেয়া হচ্ছে, এমন অভিযোগ পাইনি। তবে ঈদের সময় যেহেতু শ্রমিকদের কেউ কেউ ঈদ বোনাস নিয়ে থাকতে পারে। 

বিডিপ্রেস/আরজে