BDpress

মুক্তিযোদ্ধাদের ২টি করে স্মার্ট কার্ড দেয়া হবে

জেলা প্রতিবেদক

অ+ অ-
মুক্তিযোদ্ধাদের ২টি করে স্মার্ট কার্ড দেয়া হবে
মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স উদ্বোধন করলেন মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রী আ.ক.ম. মোজাম্মেল হক এমপি।

শনিবার বিকেল ৫টায় উদ্বোধন অনুষ্ঠান শেষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তবে মন্ত্রী আ.ক.ম. মোজাম্মেল হক এমপি বলেন, বাংলাদেশের যেখানে যেখানে মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে পাকবাহিনীর যুদ্ধ হয়েছে সেই স্থানগুলোতে স্মৃতিস্তম্ভ বানানো হবে। মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসা বিনামূল্যে দেয়া হবে। প্রতিটি মুক্তিযোদ্ধাকে ২টা করে স্মার্ট কার্ড দেয়া হবে। একটা বড় যা বাসায় থাকবে, আরেকটা ছোট যা সঙ্গে রাখবে এবং তার মধ্যে সুবিধা গুলো লেখা থাকবে। জীবিত মুক্তিযোদ্ধাদের বক্তব্য ২০ মিনিট করে রেকর্ড করা হবে যা আর্কাইভে রাখা হবে। পাঠ্য বইয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের পাশাপাশি পাকহানাদার ও রাজাকারদের ইতিহাস তুলে ধরতে হবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, বঙ্গবন্ধুকে যারা প্রত্যক্ষভাবে খুন করেছে তাদের বিচার হয়েছে। কিন্তু যারা পরোক্ষভাবে জড়িত তাদেরও বিচার করা দরকার।

মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রশাসক সায়লা ফারজানার সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন মুন্সীগঞ্জ-২ আসনের সাংসদ সাগুপ্তা ইয়াসমিন এমিলি।

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নজরুল ইসলামের সঞ্চালনায় অন্যান্য অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সিরাজদিখান উপজেলা চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন আহমেদ, সাবেক সচিব সামসুল হক, দুই উপজেলার (শ্রীনগর-সিরাজদিখান) যুদ্ধকালীন কমান্ডার আলী আহমেদ বাচ্চু, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানবীর মোহাম্মদ আজিম, সিরাজদিখান উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আবুল কাশেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম সোহরাব হোসেন, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য গিয়াস উদ্দিন, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সাবেক কমান্ডার আব্দুল মতিন হাওলাদার প্রমুখ।

বিডিপ্রেস/আরজে

এ সম্পর্কিত অন্যান্য খবর

BDpress

মুক্তিযোদ্ধাদের ২টি করে স্মার্ট কার্ড দেয়া হবে


মুক্তিযোদ্ধাদের ২টি করে স্মার্ট কার্ড দেয়া হবে

শনিবার বিকেল ৫টায় উদ্বোধন অনুষ্ঠান শেষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তবে মন্ত্রী আ.ক.ম. মোজাম্মেল হক এমপি বলেন, বাংলাদেশের যেখানে যেখানে মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে পাকবাহিনীর যুদ্ধ হয়েছে সেই স্থানগুলোতে স্মৃতিস্তম্ভ বানানো হবে। মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসা বিনামূল্যে দেয়া হবে। প্রতিটি মুক্তিযোদ্ধাকে ২টা করে স্মার্ট কার্ড দেয়া হবে। একটা বড় যা বাসায় থাকবে, আরেকটা ছোট যা সঙ্গে রাখবে এবং তার মধ্যে সুবিধা গুলো লেখা থাকবে। জীবিত মুক্তিযোদ্ধাদের বক্তব্য ২০ মিনিট করে রেকর্ড করা হবে যা আর্কাইভে রাখা হবে। পাঠ্য বইয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের পাশাপাশি পাকহানাদার ও রাজাকারদের ইতিহাস তুলে ধরতে হবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, বঙ্গবন্ধুকে যারা প্রত্যক্ষভাবে খুন করেছে তাদের বিচার হয়েছে। কিন্তু যারা পরোক্ষভাবে জড়িত তাদেরও বিচার করা দরকার।

মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রশাসক সায়লা ফারজানার সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন মুন্সীগঞ্জ-২ আসনের সাংসদ সাগুপ্তা ইয়াসমিন এমিলি।

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নজরুল ইসলামের সঞ্চালনায় অন্যান্য অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সিরাজদিখান উপজেলা চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন আহমেদ, সাবেক সচিব সামসুল হক, দুই উপজেলার (শ্রীনগর-সিরাজদিখান) যুদ্ধকালীন কমান্ডার আলী আহমেদ বাচ্চু, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানবীর মোহাম্মদ আজিম, সিরাজদিখান উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আবুল কাশেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম সোহরাব হোসেন, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য গিয়াস উদ্দিন, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সাবেক কমান্ডার আব্দুল মতিন হাওলাদার প্রমুখ।

বিডিপ্রেস/আরজে

স্পটলাইট