BDpress

ব্রাসেলসে বাংলাদেশ উন্নয়ন ও ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ শীর্ষক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

বিডিপ্রেস ডেস্ক

অ+ অ-
ব্রাসেলসে বাংলাদেশ উন্নয়ন ও ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ শীর্ষক সম্মেলন অনুষ্ঠিত
ব্রাসেলসে ইউরোপীয় পার্লামেন্টে বাংলাদেশ উন্নয়ন ও ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ শীর্ষক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২৯ জুন বেলজিয়ামের রাজধানীতে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সম্মেলনে সম্প্রতি বাংলাদেশ নিম্ন আয়ের দেশ থেকে মাধ্যম আয়ের দেশের স্বীকৃতি পাওয়া, সন্ত্রাস নির্মূল, দারিদ্র বিমোচন, আর্ট্ত সামাজিক উন্নয়ন, নারীর ক্ষমতায়ন অর্থনৈতিক মুক্তি ও বিশ্ব শান্তির পক্ষে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তার সরকারের ধারাবাহিক অভূতপূর্ব সাফল্যকথা বিশ্বময় ছড়িয়ে দেবার নিমিত্বে ধারাবাহিক কর্মসূচির অংশ হিসাবে বেলজিয়াম আওয়ামী লীগ এই কনফারেন্সের আয়োজন করে।

ইউরোপিয়ান পার্লামেন্টের সম্মানিত 'এমইপি' ও দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক প্রতিনিধি দলের ভাইস প্রেসিডেন্ট রিচার্ড কর্বেটের সভাপতিত্বে এবং উক্ত কনফারেন্সের আয়োজকদের অন্যতম সমন্বয়ক, বেলজিয়াম আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর চৌধুরী রতনের সঞ্চালনায় এতে পেনেলিস্ট ও বক্তা হিসাবে উপস্থিত ছিলেন সাজ্জাদ করিম, এমইপি, বেলজিয়াম, লুক্সম্বুর্গ, ও ইউরোপিয়ান ইউনিয়নে নিযুক্ত বাংলাদেশের সুযোগ্য রাষ্ট্রদূত সাহাদত হোসেন, বাংলাদেশের বন্ধু, দক্ষিণ এশীয়ান ডেমোক্রেটিক ফোরামের পরিচালক ও সাবেক পর্তুগিজ এম ইপিমি 'পাওলো কসাকা' সর্ব ইউরোপিয়ান আওয়ামী লীগের সভাপতি শ্রী অনিল দাস গুপ্ত, সাধারণ সম্পাদক এমএগনি, সম্মেলনের উদ্যোক্তা ও সমন্বয়ক ও সর্ব ইউরোপীয় আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক খোকন শরীফ।

সম্মেলনে ইউরোপের বিভিন্ন দেশ থেকে আগত অতিথিদের উক্ত সম্মেলনে আসা ও সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ প্রদান করে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সম্মেলনের উদ্যোক্তা ও বেলজিয়াম আওয়ামী লীগের সভাপতি সহিদুল হক।

তিনি বাংলাদেশের উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট সকলের আরো অধিক সহযোগীতার আহব্বান জানান এবং এই সম্মেলনের সাফল্য কামনা করেন। সম্মেলনের সভাপতি রিচার্ড কর্বেট তার মূল বক্তব্যের পূর্বে সম্মেলন উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রদত্ত বাণী পাঠ করে শোনান। এরপর তিনি তার মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন।

তিনি বিভিন্ন সেক্টরে বাংলাদেশের উন্নয়নের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং এই উন্নয়ন যাত্রাকে ধরে রাখার জন্য সবাইকে আরো বেশি সক্রিয় ভূমিকা পালনের উপর জোড় দেন।

আগামী নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য তারা সচেষ্ট থাকবেন এবং এজন্য সার্বিক ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন বাংলাদেশকে সহযোগিতা করবেন।

তিনি রোহিঙ্গা প্রসঙ্গে বলেন, যুগ যুগ ধরে রোহিঙ্গাদের এই সমস্যা জিইয়ে রাখা সম্ভব না। তাদের পরবর্তী প্রজন্মকেও এখানে বেড়ে উঠতে দেয়া যায় না। তারা রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে আরো বেশি সক্রিয় ভূমিকা রাখবেন।

তিন পর্বের সম্মেলনের দ্বিতীয় পর্বে বক্তব্য রাখেন ইউকে, লেভার পার্টি থেকে নির্বাচিত এমইপি সাজ্জাদ করিম। তার দীর্ঘ বক্তব্যের পুরাটাতে বাংলাদেশের প্রশংসার ছিলেন।

তিনি বাংলাদেশের সঙ্গে দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের সাথে বিভিন্ন উন্নয়ন সূচকের প্রশংসনীয় উর্ধ্বস্থানের তুলনামূলক ব্যাখ্যা করেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ এশিয়া ও ক্ষেত্রভেদে বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল। তিনি ইইউসহ বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগী দেশ ও সংস্থাকে বাংলাদেশের প্রতি সহযোগিতার হাতকে আরো প্রসারিত করার আহব্বান জানান।

সম্মেলনের নির্ধারিত দুজন এমইপি যারা বিশেষ কারণে আসতে পারেননি ওনাদের প্রেরিত বাণী পড়ে শোনানো হয়। বাণী দুটি পড়ে শোনান যথাক্রমে করবেট এবং জাহাঙ্গি চৌধুরী রতন।

সর্ব ইউরোপিয়ান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ সরকারের উন্নয়নের বিশদ ব্যাখ্যা তুলে ধরার পাশাপাশি ইইউসহ সকল উন্নয়ন সহযোগীকে বাংলাদেশ সরকারের সাথে থাকার অনুরোধ জানান।

তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়নের চাকা সচল রাখতে হলে আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে জঙ্গিবাদ যেন আর মাথা চাড়া নদীতে পারে সেদিকে সবার দৃষ্টি রাখা জরুরি।

তিনি ইউরোপিয় ইউনিয়নকে বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সন্ত্রাস দমনে বিশেষ ভাবে সহযোগিতার করার জন্য। এছাড়া আরো বক্তব্য রাখেন এম এম মোর্শেদ, ব্যারিস্টার নাদিয়া, ড. বিদ্যুৎ বড়ুয়া।

তারা বলেন, বাংলাদেশের আজকের এই উন্নয়ন মূল চাবি হিসাবে কাজ করেছে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার সাহসী ও বলিষ্ঠ নেতৃত্ব। গত দশ বৎসর যাবৎ দেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা।

তিনি বলেন, আগামীতে এদেশকে আরো এগিয়ে নিয়ে উন্নত বিশ্বের কাতারে দাঁড় করতে হলে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও সরকারের ধারাবাহিকতা ও যে জরুরি এদিকে সকল উন্নয়ন সহযোগীদের গুরুত্ব দেয়া জরুরী।

উক্ত সম্মেলনে যারা উপস্থিত ছিলেন তাদের মধ্যে বিশেষভাবে উল্লেখ্য যারা তারা হলেন ওআইসির পক্ষ থেকে নিযুক্ত ইইউ রাষ্ট্রদূত, মিসেস ইসমত জাহান।

বাসুগ সভাপতি বাবু বিকাশ বড়ুয়া, ইউরোপিয়ান বাংলাদেশ ফোরামের সম্মানিত সভাপতি আহমেদ আনছার উল্লাহ।

এছাড়া আরো উপস্থিত ছিলেন ইউরোপিয়ান আওয়ামী লীগের নেত্রী বৃন্দ, ইউরোপের বিভিন্ন দেশ থেকে তথা ফ্রাঞ্চ, জার্মানী, হল্যান্ড, স্পেন, পর্তুগাল, সুইডেন, ইউকে, ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড, ইতালি, সুইজারল্যান্ডসহ ইউরোপ ও বাংলাদেশ থেকে আগত আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের বিপুল সংখ্যাক নেতা কর্মী।

এছাড়া বেলজিয়াম আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, বঙ্গবন্ধু পরিষদ, ছাত্রলীগ ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঘঠনের বিপুল পরিমাণ নেতা কর্মীর উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মত।

সবশেষে ছিল সবার জন্য উন্মুক্ত প্রশ্ন উত্তর পর্ব এতে সবার প্রশ্নের উত্তর দেন রিচার্ড করবেট।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে বেলজিয়াম আওয়ামী লীগের নতুন কমিটি গঠিত হবার পর থেকে অত্র সংগঠনটি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দিক নির্দেশনায় গতানুগতিক রাজনীতির বাইরে এসেও দেশ ও দশের স্বার্থে বিভিন্ন গণমুখী ও দীর্ঘমেয়াদী কর্মসূচি হাতে নেয়। এই সম্মেলন তারই অংশ বলে উল্লেখ করেন সংশ্লিষ্টরা।

বিডিপ্রেস/আরজে

এ সম্পর্কিত অন্যান্য খবর

BDpress

ব্রাসেলসে বাংলাদেশ উন্নয়ন ও ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ শীর্ষক সম্মেলন অনুষ্ঠিত


ব্রাসেলসে বাংলাদেশ উন্নয়ন ও ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ শীর্ষক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

সম্মেলনে সম্প্রতি বাংলাদেশ নিম্ন আয়ের দেশ থেকে মাধ্যম আয়ের দেশের স্বীকৃতি পাওয়া, সন্ত্রাস নির্মূল, দারিদ্র বিমোচন, আর্ট্ত সামাজিক উন্নয়ন, নারীর ক্ষমতায়ন অর্থনৈতিক মুক্তি ও বিশ্ব শান্তির পক্ষে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তার সরকারের ধারাবাহিক অভূতপূর্ব সাফল্যকথা বিশ্বময় ছড়িয়ে দেবার নিমিত্বে ধারাবাহিক কর্মসূচির অংশ হিসাবে বেলজিয়াম আওয়ামী লীগ এই কনফারেন্সের আয়োজন করে।

ইউরোপিয়ান পার্লামেন্টের সম্মানিত 'এমইপি' ও দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক প্রতিনিধি দলের ভাইস প্রেসিডেন্ট রিচার্ড কর্বেটের সভাপতিত্বে এবং উক্ত কনফারেন্সের আয়োজকদের অন্যতম সমন্বয়ক, বেলজিয়াম আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর চৌধুরী রতনের সঞ্চালনায় এতে পেনেলিস্ট ও বক্তা হিসাবে উপস্থিত ছিলেন সাজ্জাদ করিম, এমইপি, বেলজিয়াম, লুক্সম্বুর্গ, ও ইউরোপিয়ান ইউনিয়নে নিযুক্ত বাংলাদেশের সুযোগ্য রাষ্ট্রদূত সাহাদত হোসেন, বাংলাদেশের বন্ধু, দক্ষিণ এশীয়ান ডেমোক্রেটিক ফোরামের পরিচালক ও সাবেক পর্তুগিজ এম ইপিমি 'পাওলো কসাকা' সর্ব ইউরোপিয়ান আওয়ামী লীগের সভাপতি শ্রী অনিল দাস গুপ্ত, সাধারণ সম্পাদক এমএগনি, সম্মেলনের উদ্যোক্তা ও সমন্বয়ক ও সর্ব ইউরোপীয় আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক খোকন শরীফ।

সম্মেলনে ইউরোপের বিভিন্ন দেশ থেকে আগত অতিথিদের উক্ত সম্মেলনে আসা ও সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ প্রদান করে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সম্মেলনের উদ্যোক্তা ও বেলজিয়াম আওয়ামী লীগের সভাপতি সহিদুল হক।

তিনি বাংলাদেশের উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট সকলের আরো অধিক সহযোগীতার আহব্বান জানান এবং এই সম্মেলনের সাফল্য কামনা করেন। সম্মেলনের সভাপতি রিচার্ড কর্বেট তার মূল বক্তব্যের পূর্বে সম্মেলন উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রদত্ত বাণী পাঠ করে শোনান। এরপর তিনি তার মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন।

তিনি বিভিন্ন সেক্টরে বাংলাদেশের উন্নয়নের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং এই উন্নয়ন যাত্রাকে ধরে রাখার জন্য সবাইকে আরো বেশি সক্রিয় ভূমিকা পালনের উপর জোড় দেন।

আগামী নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য তারা সচেষ্ট থাকবেন এবং এজন্য সার্বিক ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন বাংলাদেশকে সহযোগিতা করবেন।

তিনি রোহিঙ্গা প্রসঙ্গে বলেন, যুগ যুগ ধরে রোহিঙ্গাদের এই সমস্যা জিইয়ে রাখা সম্ভব না। তাদের পরবর্তী প্রজন্মকেও এখানে বেড়ে উঠতে দেয়া যায় না। তারা রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে আরো বেশি সক্রিয় ভূমিকা রাখবেন।

তিন পর্বের সম্মেলনের দ্বিতীয় পর্বে বক্তব্য রাখেন ইউকে, লেভার পার্টি থেকে নির্বাচিত এমইপি সাজ্জাদ করিম। তার দীর্ঘ বক্তব্যের পুরাটাতে বাংলাদেশের প্রশংসার ছিলেন।

তিনি বাংলাদেশের সঙ্গে দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের সাথে বিভিন্ন উন্নয়ন সূচকের প্রশংসনীয় উর্ধ্বস্থানের তুলনামূলক ব্যাখ্যা করেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ এশিয়া ও ক্ষেত্রভেদে বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল। তিনি ইইউসহ বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগী দেশ ও সংস্থাকে বাংলাদেশের প্রতি সহযোগিতার হাতকে আরো প্রসারিত করার আহব্বান জানান।

সম্মেলনের নির্ধারিত দুজন এমইপি যারা বিশেষ কারণে আসতে পারেননি ওনাদের প্রেরিত বাণী পড়ে শোনানো হয়। বাণী দুটি পড়ে শোনান যথাক্রমে করবেট এবং জাহাঙ্গি চৌধুরী রতন।

সর্ব ইউরোপিয়ান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ সরকারের উন্নয়নের বিশদ ব্যাখ্যা তুলে ধরার পাশাপাশি ইইউসহ সকল উন্নয়ন সহযোগীকে বাংলাদেশ সরকারের সাথে থাকার অনুরোধ জানান।

তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়নের চাকা সচল রাখতে হলে আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে জঙ্গিবাদ যেন আর মাথা চাড়া নদীতে পারে সেদিকে সবার দৃষ্টি রাখা জরুরি।

তিনি ইউরোপিয় ইউনিয়নকে বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সন্ত্রাস দমনে বিশেষ ভাবে সহযোগিতার করার জন্য। এছাড়া আরো বক্তব্য রাখেন এম এম মোর্শেদ, ব্যারিস্টার নাদিয়া, ড. বিদ্যুৎ বড়ুয়া।

তারা বলেন, বাংলাদেশের আজকের এই উন্নয়ন মূল চাবি হিসাবে কাজ করেছে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার সাহসী ও বলিষ্ঠ নেতৃত্ব। গত দশ বৎসর যাবৎ দেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা।

তিনি বলেন, আগামীতে এদেশকে আরো এগিয়ে নিয়ে উন্নত বিশ্বের কাতারে দাঁড় করতে হলে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও সরকারের ধারাবাহিকতা ও যে জরুরি এদিকে সকল উন্নয়ন সহযোগীদের গুরুত্ব দেয়া জরুরী।

উক্ত সম্মেলনে যারা উপস্থিত ছিলেন তাদের মধ্যে বিশেষভাবে উল্লেখ্য যারা তারা হলেন ওআইসির পক্ষ থেকে নিযুক্ত ইইউ রাষ্ট্রদূত, মিসেস ইসমত জাহান।

বাসুগ সভাপতি বাবু বিকাশ বড়ুয়া, ইউরোপিয়ান বাংলাদেশ ফোরামের সম্মানিত সভাপতি আহমেদ আনছার উল্লাহ।

এছাড়া আরো উপস্থিত ছিলেন ইউরোপিয়ান আওয়ামী লীগের নেত্রী বৃন্দ, ইউরোপের বিভিন্ন দেশ থেকে তথা ফ্রাঞ্চ, জার্মানী, হল্যান্ড, স্পেন, পর্তুগাল, সুইডেন, ইউকে, ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড, ইতালি, সুইজারল্যান্ডসহ ইউরোপ ও বাংলাদেশ থেকে আগত আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের বিপুল সংখ্যাক নেতা কর্মী।

এছাড়া বেলজিয়াম আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, বঙ্গবন্ধু পরিষদ, ছাত্রলীগ ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঘঠনের বিপুল পরিমাণ নেতা কর্মীর উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মত।

সবশেষে ছিল সবার জন্য উন্মুক্ত প্রশ্ন উত্তর পর্ব এতে সবার প্রশ্নের উত্তর দেন রিচার্ড করবেট।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে বেলজিয়াম আওয়ামী লীগের নতুন কমিটি গঠিত হবার পর থেকে অত্র সংগঠনটি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দিক নির্দেশনায় গতানুগতিক রাজনীতির বাইরে এসেও দেশ ও দশের স্বার্থে বিভিন্ন গণমুখী ও দীর্ঘমেয়াদী কর্মসূচি হাতে নেয়। এই সম্মেলন তারই অংশ বলে উল্লেখ করেন সংশ্লিষ্টরা।

বিডিপ্রেস/আরজে