BDpress

মাংস উৎপাদন বেড়েছে ৭ গুণ, তিন বছরে কোনো আমদানি হয়নি

নিজস্ব প্রতিবেদক

অ+ অ-
মাংস উৎপাদন বেড়েছে ৭ গুণ, তিন বছরে কোনো আমদানি হয়নি
গত ৯ বছরে দেশে মাংসের বার্ষিক উৎপাদন প্রায় ৭ গুণ বেড়েছে। এছাড়া গত তিনবছরে মাংসের চাহিদা পূরনের জন্য বিদেশ থেকে কোন গবাদি পশু আমদানি করতে হয়নি।

আজ সোমবার বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থাকে (বাসস) এসব তথ্য জানিয়েছেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. মো. আইনুল হক।

তিনি বলেন, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে দেশে মাংসের উৎপাদন বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭১ লাখ ৫৪ হাজার মেট্রিক টন, যা ২০০৮-০৯ অর্থবছরের তুলনায় ৬০ লাখ ৭৪ হাজার মেট্রিক টন বেশি। ২০০৮-০৯ অর্থবছরে মাংস উৎপাদনের পরিমান ছিল ১০ লাখ ৮০ হাজার মেট্রিক টন। ২০১৬-১৭ অর্থবছরে দেশে মাংস উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ হওয়ার পাশাপাশি ১৯ হাজার মেট্রিক টন মাংস উদ্ধৃত ছিল। এসময় দেশে দৈনিক মাথাপিছু মাংস প্রাপ্তির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১২১ দশমিক ৭৪ গ্রাম।

ডা. মো. আইনুল হক  আরও বলেন, বর্তমান সরকারের পৃষ্ঠপোষকতা ও সার্বিক সহযোগিতায় এ সাফল্য অর্জিত হয়েছে। একই সময়ে দুধ ও ডিম উৎপাদনেও সাফল্য অর্জিত হয়েছে। ক্রমবর্ধমান এই খাতে প্রতিবছর প্রায় ৫ লাখ মানুষের নতুন কর্মসংস্থান হচ্ছে।  

তিনি বলেন,  দেশের মোট কর্মসংস্থানে ২০ শতাংশ সরাসরি এবং ৫০ শতাংশ আংশিকভাবে প্রাণিসম্পদ খাতের উপর নির্ভরশীল। একই সঙ্গে বিগত প্রায় একদশকে সরকারি উদ্যোগে প্রাণিসম্পদ খাতে প্রযুক্তির সম্প্রসারণ হয়েছে। এক্ষেত্রে অর্জিত হয়েছে ব্যাপক সাফল্য। উৎপাদন বৃদ্ধির পেছনে প্রযুক্তির সম্প্রসারণ উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছে।

মহাপরিচালক বলেন, গত তিনবছর যাবৎ পবিত্র ঈদুল আজহায় দেশীয় চাহিদা পূরনের জন্য বিদেশ থেকে কোন কুরবানির পশু আমদানি করতে হয়নি।সরকারের বাস্তবসম্মত ও সময়োপযোগী নীতির কারণে এ সাফল্য অর্জিত হয়েছে।

বিডিপ্রেস/আরজে

এ সম্পর্কিত অন্যান্য খবর

BDpress

মাংস উৎপাদন বেড়েছে ৭ গুণ, তিন বছরে কোনো আমদানি হয়নি


মাংস উৎপাদন বেড়েছে ৭ গুণ, তিন বছরে কোনো আমদানি হয়নি

আজ সোমবার বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থাকে (বাসস) এসব তথ্য জানিয়েছেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. মো. আইনুল হক।

তিনি বলেন, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে দেশে মাংসের উৎপাদন বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭১ লাখ ৫৪ হাজার মেট্রিক টন, যা ২০০৮-০৯ অর্থবছরের তুলনায় ৬০ লাখ ৭৪ হাজার মেট্রিক টন বেশি। ২০০৮-০৯ অর্থবছরে মাংস উৎপাদনের পরিমান ছিল ১০ লাখ ৮০ হাজার মেট্রিক টন। ২০১৬-১৭ অর্থবছরে দেশে মাংস উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ হওয়ার পাশাপাশি ১৯ হাজার মেট্রিক টন মাংস উদ্ধৃত ছিল। এসময় দেশে দৈনিক মাথাপিছু মাংস প্রাপ্তির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১২১ দশমিক ৭৪ গ্রাম।

ডা. মো. আইনুল হক  আরও বলেন, বর্তমান সরকারের পৃষ্ঠপোষকতা ও সার্বিক সহযোগিতায় এ সাফল্য অর্জিত হয়েছে। একই সময়ে দুধ ও ডিম উৎপাদনেও সাফল্য অর্জিত হয়েছে। ক্রমবর্ধমান এই খাতে প্রতিবছর প্রায় ৫ লাখ মানুষের নতুন কর্মসংস্থান হচ্ছে।  

তিনি বলেন,  দেশের মোট কর্মসংস্থানে ২০ শতাংশ সরাসরি এবং ৫০ শতাংশ আংশিকভাবে প্রাণিসম্পদ খাতের উপর নির্ভরশীল। একই সঙ্গে বিগত প্রায় একদশকে সরকারি উদ্যোগে প্রাণিসম্পদ খাতে প্রযুক্তির সম্প্রসারণ হয়েছে। এক্ষেত্রে অর্জিত হয়েছে ব্যাপক সাফল্য। উৎপাদন বৃদ্ধির পেছনে প্রযুক্তির সম্প্রসারণ উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছে।

মহাপরিচালক বলেন, গত তিনবছর যাবৎ পবিত্র ঈদুল আজহায় দেশীয় চাহিদা পূরনের জন্য বিদেশ থেকে কোন কুরবানির পশু আমদানি করতে হয়নি।সরকারের বাস্তবসম্মত ও সময়োপযোগী নীতির কারণে এ সাফল্য অর্জিত হয়েছে।

বিডিপ্রেস/আরজে