BDpress

৭ মাসে হাসপাতালে সোয়া ৩ লাখ ডায়রিয়ার রোগী

নিজস্ব প্রতিবেদক

অ+ অ-
৭ মাসে হাসপাতালে সোয়া ৩ লাখ ডায়রিয়ার রোগী
চলতি বছরে গত সাত মাসে রাজধানীসহ সারাদেশে প্রায় সোয়া ৩ লাখ নারী, পুরুষ ও শিশু পানিবাহিত ডায়রিয়া রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। প্রতিরোধযোগ্য এ রোগে আক্রান্তদের মধ্যে সিলেট বিভাগে একজনের মৃত্যু হয়। মোট আক্রান্তদের মধ্যে সর্বোচ্চ সংখ্যক প্রায় ৯০ হাজার ডায়রিয়া রোগী রাজধানীর মহাখালী আন্তজার্তিক উদারাময় গবেষণা প্রতিষ্ঠান’বাংলাদেশ (আইসিডিডিআর’বি) হাসপাতালে ভর্তি হন। স্বাস্থ্য অধিদফতর সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অ্যান্ড অপারেশন সেন্টার অ্যান্ড কন্ট্রোল রুমের ইনচার্জ ডা. আয়েশা আক্তার জানান, তারা সারাদেশ থেকে নিয়মিত ডায়রিয়া ও ডেঙ্গুতে আক্রান্ত রোগীদের তথ্য সংগ্রহ করে থাকেন। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তারা অধিদফতরের নির্ধারিত ছকে নিয়মিত তথ্য পাঠায়।

তিনি বলেন, ‘চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ২ জুলাই পর্যন্ত রাজধানী ও দেশের ২৬টি জেলা ৮৫টি থানার মোট ৩ লাখ ২৩ হাজার ৫৮ জন নারী, পুরুষ ও শিশু ডায়রিয়ার আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে শয্যাশায়ী হন। ডায়রিয়া রোগীদের চিকিৎসায় সারাদেশে ২ হাজার ৫৭১টি মেডিকেল টিম কাজ করছে।‘

ডা. আয়েশা আক্তারের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, আক্রান্ত জেলাগুলোর মধ্যে নেত্রকোনা জেলায় সর্বোচ্চ ২১ হাজারেরও বেশি মানুষ ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হন। এছাড়া ফেনী, গাইবান্ধা, সুনামগঞ্জ, নওগাঁ, যশোর, জামালপুর, শরীয়তপুরে আক্রান্তের সংখ্যা তুলনামুলকভাবে বেশি ছিল।

আইসিডিডিআর’বির ডায়রিয়া বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিশুদ্ধ পানির অভাবে প্রতি বছর ডায়রিয়ায় বিপুল সংখ্যক মানুষ ডায়রিয়ায় অাক্রান্ত হচ্ছেন। গরমের কারণে পিপাসা মেটাতে নিম্নআয়ের মানুষ রাস্তাঘাটে খোলামেলা অবস্থায় বিক্রিত শরবত, ফলমূল ও খাবার গ্রহণ করে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়। এছাড়া পচাবাসি খাবার গ্রহণের কারণেও অনেকেই ডায়রিয়া আক্রান্ত হন।

তারা জানান, ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হলে শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দেয়। তাই কেউ ডায়রিয়া হলে তাকে দ্রুত ওরস্যালাইন খাওয়াতে হবে। বেশি পানিশূন্যতা দেখা দিলে রোগীকে হাসপাতালে পাঠাতে হবে।

বিডিপ্রেস/আরজে

এ সম্পর্কিত অন্যান্য খবর

BDpress

৭ মাসে হাসপাতালে সোয়া ৩ লাখ ডায়রিয়ার রোগী


৭ মাসে হাসপাতালে সোয়া ৩ লাখ ডায়রিয়ার রোগী

স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অ্যান্ড অপারেশন সেন্টার অ্যান্ড কন্ট্রোল রুমের ইনচার্জ ডা. আয়েশা আক্তার জানান, তারা সারাদেশ থেকে নিয়মিত ডায়রিয়া ও ডেঙ্গুতে আক্রান্ত রোগীদের তথ্য সংগ্রহ করে থাকেন। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তারা অধিদফতরের নির্ধারিত ছকে নিয়মিত তথ্য পাঠায়।

তিনি বলেন, ‘চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ২ জুলাই পর্যন্ত রাজধানী ও দেশের ২৬টি জেলা ৮৫টি থানার মোট ৩ লাখ ২৩ হাজার ৫৮ জন নারী, পুরুষ ও শিশু ডায়রিয়ার আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে শয্যাশায়ী হন। ডায়রিয়া রোগীদের চিকিৎসায় সারাদেশে ২ হাজার ৫৭১টি মেডিকেল টিম কাজ করছে।‘

ডা. আয়েশা আক্তারের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, আক্রান্ত জেলাগুলোর মধ্যে নেত্রকোনা জেলায় সর্বোচ্চ ২১ হাজারেরও বেশি মানুষ ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হন। এছাড়া ফেনী, গাইবান্ধা, সুনামগঞ্জ, নওগাঁ, যশোর, জামালপুর, শরীয়তপুরে আক্রান্তের সংখ্যা তুলনামুলকভাবে বেশি ছিল।

আইসিডিডিআর’বির ডায়রিয়া বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিশুদ্ধ পানির অভাবে প্রতি বছর ডায়রিয়ায় বিপুল সংখ্যক মানুষ ডায়রিয়ায় অাক্রান্ত হচ্ছেন। গরমের কারণে পিপাসা মেটাতে নিম্নআয়ের মানুষ রাস্তাঘাটে খোলামেলা অবস্থায় বিক্রিত শরবত, ফলমূল ও খাবার গ্রহণ করে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়। এছাড়া পচাবাসি খাবার গ্রহণের কারণেও অনেকেই ডায়রিয়া আক্রান্ত হন।

তারা জানান, ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হলে শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দেয়। তাই কেউ ডায়রিয়া হলে তাকে দ্রুত ওরস্যালাইন খাওয়াতে হবে। বেশি পানিশূন্যতা দেখা দিলে রোগীকে হাসপাতালে পাঠাতে হবে।

বিডিপ্রেস/আরজে