BDpress

‘আবেদনের এক মাসের মধ্যেই সহায়তা পাবে শ্রমিকরা’

নিজস্ব প্রতিবেদক

অ+ অ-
‘আবেদনের এক মাসের মধ্যেই সহায়তা পাবে শ্রমিকরা’
অনলাইন সিস্টেম চালু হলে ক্ষতিগ্রস্ত (দুর্ঘটনায় নিহত-আহত) শ্রমিকরা শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনে আবেদনের সর্বোচ্চ এক মাসের মধ্যে সহায়তার অর্থ পাবেন বলে জানিয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. মুজিবুল হক চুন্নু।

বুধবার রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে ইমারত নির্মাণ শ্রমিক ইউনিয়ন বাংলাদেশের (ইনসাব) জাতীয় প্রতিনিধি সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা জানান।

মো. মুজিবুল হক চুন্নু বলেন, সফটওয়্যারের কাজ সম্পন্ন হলে শ্রমিকদের কাছ থেকে শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনে সহায়তার আবেদন অনলাইনে নেয়া হবে। এতে আবেদন গ্রহণ ও বাছাই কার্যক্রম সহজ হবে। রূপালী ব্যাংকের শিওর ক্যাশের মাধ্যমে সর্বোচ্চ এক মাসের মধ্যে আবেদনকারীর হাতে সহায়তার অর্থ পৌঁছানো সম্ভব হবে।

তিনি বলেন, প্রতিদিন শতশত আবেদন জমা হচ্ছে, বাছাই করা, ভুল-ত্রুটি সংশোধন করে, আবার অনেক সময় নতুন করে আবেদন নিয়ে চেকের মাধ্যমে সহায়তা প্রদানে জটিলতা তৈরি হচ্ছে এবং সময় বেশি লাগছে। অনলাইন সিস্টেম চালু হলে এ কাজটি দ্রুত এবং আরও স্বচ্ছ হবে।

দুর্ঘটনায় মৃত্যুবরণকারী শ্রমিকের ক্ষতিপূরণের পরিমাণ এক লাখ টাকা অপ্রতুল উল্লেখ করে শ্রম প্রতিমন্ত্রী বলেন, শ্রম আইন সংশোধের কাজ চলছে। শ্রমিকের ক্ষতিপূরণের পরিমাণ অন্তত শতভাগ বাড়বে।

‘নির্মাণ শ্রমিকদের নিরাপত্তার বিষয়টি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তাদের নিরাপত্তার সরঞ্জাম ব্যবহারের অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। এতে দুর্ঘটনা কমবে, শ্রমিকের মৃত্যুর সংখ্যা কমবে। মালিকরাও নিরাপত্তা সরঞ্জাম সরবরাহে বাধ্য হবে’,- বলেন তিনি।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, সারাদেশে ইমারত নির্মাণ খাতে কর্মরত শ্রমিকের সংখ্যা প্রায় ৩৭ লাখ। পত্রিকার খবর অনুযায়ী, গতবছরই ১৩৪ জন নির্মাণ শ্রমিক কর্মস্থলে দুর্ঘটনায় মৃত্যুবরণ করে এবং ৯৪ জন স্থায়ী পঙ্গুত্ববরণ করেছেন।

ইনসাবের সভাপতি মো. রবিউল ইসলামের সভাপতিত্বে বাংলাদেশ ওয়াকার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা এমপি, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য মোজাফ্ফর হোসেন পল্টু, বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের সাধারণ সম্পাদক শ্রমিক নেতা ডা. ওয়াজেদুল ইসলাম খান, বাংলাদেশ লেবার স্টাডিজের (বিলস) নির্বাহী পরিচালক সৈয়দ সুলতান উদ্দিন আহমেদ ও ইনসাবের সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুর রাজ্জাক বক্তৃতা করেন।

এর আগে সকালে শ্রম প্রতিমন্ত্রী ‘কর্মস্থলে নিরাপত্তা চাই’ স্লোগানে পায়রা ও বেলুন উড়িয়ে ইনসাবের জাতীয় প্রতিনিধি সম্মেলনের উদ্বোধন করেন।

বিডিপ্রেস/আরজে

এ সম্পর্কিত অন্যান্য খবর

BDpress

‘আবেদনের এক মাসের মধ্যেই সহায়তা পাবে শ্রমিকরা’


‘আবেদনের এক মাসের মধ্যেই সহায়তা পাবে শ্রমিকরা’

বুধবার রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে ইমারত নির্মাণ শ্রমিক ইউনিয়ন বাংলাদেশের (ইনসাব) জাতীয় প্রতিনিধি সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা জানান।

মো. মুজিবুল হক চুন্নু বলেন, সফটওয়্যারের কাজ সম্পন্ন হলে শ্রমিকদের কাছ থেকে শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনে সহায়তার আবেদন অনলাইনে নেয়া হবে। এতে আবেদন গ্রহণ ও বাছাই কার্যক্রম সহজ হবে। রূপালী ব্যাংকের শিওর ক্যাশের মাধ্যমে সর্বোচ্চ এক মাসের মধ্যে আবেদনকারীর হাতে সহায়তার অর্থ পৌঁছানো সম্ভব হবে।

তিনি বলেন, প্রতিদিন শতশত আবেদন জমা হচ্ছে, বাছাই করা, ভুল-ত্রুটি সংশোধন করে, আবার অনেক সময় নতুন করে আবেদন নিয়ে চেকের মাধ্যমে সহায়তা প্রদানে জটিলতা তৈরি হচ্ছে এবং সময় বেশি লাগছে। অনলাইন সিস্টেম চালু হলে এ কাজটি দ্রুত এবং আরও স্বচ্ছ হবে।

দুর্ঘটনায় মৃত্যুবরণকারী শ্রমিকের ক্ষতিপূরণের পরিমাণ এক লাখ টাকা অপ্রতুল উল্লেখ করে শ্রম প্রতিমন্ত্রী বলেন, শ্রম আইন সংশোধের কাজ চলছে। শ্রমিকের ক্ষতিপূরণের পরিমাণ অন্তত শতভাগ বাড়বে।

‘নির্মাণ শ্রমিকদের নিরাপত্তার বিষয়টি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তাদের নিরাপত্তার সরঞ্জাম ব্যবহারের অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। এতে দুর্ঘটনা কমবে, শ্রমিকের মৃত্যুর সংখ্যা কমবে। মালিকরাও নিরাপত্তা সরঞ্জাম সরবরাহে বাধ্য হবে’,- বলেন তিনি।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, সারাদেশে ইমারত নির্মাণ খাতে কর্মরত শ্রমিকের সংখ্যা প্রায় ৩৭ লাখ। পত্রিকার খবর অনুযায়ী, গতবছরই ১৩৪ জন নির্মাণ শ্রমিক কর্মস্থলে দুর্ঘটনায় মৃত্যুবরণ করে এবং ৯৪ জন স্থায়ী পঙ্গুত্ববরণ করেছেন।

ইনসাবের সভাপতি মো. রবিউল ইসলামের সভাপতিত্বে বাংলাদেশ ওয়াকার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা এমপি, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য মোজাফ্ফর হোসেন পল্টু, বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের সাধারণ সম্পাদক শ্রমিক নেতা ডা. ওয়াজেদুল ইসলাম খান, বাংলাদেশ লেবার স্টাডিজের (বিলস) নির্বাহী পরিচালক সৈয়দ সুলতান উদ্দিন আহমেদ ও ইনসাবের সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুর রাজ্জাক বক্তৃতা করেন।

এর আগে সকালে শ্রম প্রতিমন্ত্রী ‘কর্মস্থলে নিরাপত্তা চাই’ স্লোগানে পায়রা ও বেলুন উড়িয়ে ইনসাবের জাতীয় প্রতিনিধি সম্মেলনের উদ্বোধন করেন।

বিডিপ্রেস/আরজে