BDpress

আদাবরে মাত্র ৫০০ টাকার জন্য খুন!

নিজস্ব প্রতিবেদক

অ+ অ-
আদাবরে মাত্র ৫০০ টাকার জন্য খুন!
মাত্র ৫০০ টাকার জন্য রাজধানীর আদাবরে বাসির তালুকদার (৫০) নামে এক ব্যক্তিকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করা হয়েছে।রোববার সকালে ৫০০ টাকা না পেয়ে আলমগীর (২০) নামে এক ব্যক্তি তাকে হত্যা করে। তারা দুজনেই ভাঙারি ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত।

আদাবরের শ্যামলী হাউজিং প্রথম প্রকল্প এলাকার একটি মেসের একই কক্ষে থাকতেন তারা। পুলিশ বাসিরের লাশ উদ্ধার করে সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে।

আদাবর থানার ওসি কাওসার আহমেদ বলেন, নিহত বাসির এবং খুনি আলমগীর একই কক্ষে থাকতেন। আলমগীরের বাবা আদাবরে ভাঙারি ব্যবসা করেন। বাসির ও আলমগীর খুচরা জিনিসপত্র সংগ্রহ করে ভাঙারির দোকানে বিক্রি করতেন। কিছুদিন আগে আলমগীরের বাবার কাছ থেকে বাসির দুই হাজার টাকা ধার নিয়েছিলেন।

তিনি বলেন, সকালে বাসিরের কাছে ৫০০ টাকা চান আলমগীর। বাসির টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানান। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে প্রথমে কথা কাটাকাটি এবং পরে হাতাহাতি হয়। এক পর্যায়ে আলমগীর ঘরের মধ্যে থাকা একটি ছুরি দিয়ে আলমগীরের পেটে আঘাত করে। ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান। আলমগীর এখন পলাতক।

পুলিশ জানায়, স্থানীয়দের দেয়া খবরের ভিত্তিতে বাসিরের লাশ উদ্ধার করা হয়। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বাসির হবিগঞ্জের লাখাই থানার মুড়িয়াউক ইউনিয়নের সুনেশ্বর গ্রামের আম্বর আলীর ছেলে। আলমগীরের গ্রামের বাড়িও সুনেশ্বর গ্রামে।

একই এলাকায় বাড়ি হওয়ার কারণে দুজনে একসঙ্গেই বিভিন্ন স্থান থেকে জিনিসপত্র সংগ্রহ করে ভাঙারির দোকানে বিক্রি করতেন। ঘটনার পর থেকে আলমগীর পলাতক রয়েছেন। তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

বিডিপ্রেস/আরজে

এ সম্পর্কিত অন্যান্য খবর

BDpress

আদাবরে মাত্র ৫০০ টাকার জন্য খুন!


আদাবরে মাত্র ৫০০ টাকার জন্য খুন!

আদাবরের শ্যামলী হাউজিং প্রথম প্রকল্প এলাকার একটি মেসের একই কক্ষে থাকতেন তারা। পুলিশ বাসিরের লাশ উদ্ধার করে সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে।

আদাবর থানার ওসি কাওসার আহমেদ বলেন, নিহত বাসির এবং খুনি আলমগীর একই কক্ষে থাকতেন। আলমগীরের বাবা আদাবরে ভাঙারি ব্যবসা করেন। বাসির ও আলমগীর খুচরা জিনিসপত্র সংগ্রহ করে ভাঙারির দোকানে বিক্রি করতেন। কিছুদিন আগে আলমগীরের বাবার কাছ থেকে বাসির দুই হাজার টাকা ধার নিয়েছিলেন।

তিনি বলেন, সকালে বাসিরের কাছে ৫০০ টাকা চান আলমগীর। বাসির টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানান। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে প্রথমে কথা কাটাকাটি এবং পরে হাতাহাতি হয়। এক পর্যায়ে আলমগীর ঘরের মধ্যে থাকা একটি ছুরি দিয়ে আলমগীরের পেটে আঘাত করে। ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান। আলমগীর এখন পলাতক।

পুলিশ জানায়, স্থানীয়দের দেয়া খবরের ভিত্তিতে বাসিরের লাশ উদ্ধার করা হয়। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বাসির হবিগঞ্জের লাখাই থানার মুড়িয়াউক ইউনিয়নের সুনেশ্বর গ্রামের আম্বর আলীর ছেলে। আলমগীরের গ্রামের বাড়িও সুনেশ্বর গ্রামে।

একই এলাকায় বাড়ি হওয়ার কারণে দুজনে একসঙ্গেই বিভিন্ন স্থান থেকে জিনিসপত্র সংগ্রহ করে ভাঙারির দোকানে বিক্রি করতেন। ঘটনার পর থেকে আলমগীর পলাতক রয়েছেন। তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

বিডিপ্রেস/আরজে