BDpress

কেন অতিরিক্ত ঘামে হাত-পা, জানুন প্রতিকার

বিডিপ্রেস ডেস্ক

অ+ অ-
কেন অতিরিক্ত ঘামে হাত-পা, জানুন প্রতিকার
অতিরিক্ত ঘাম কোনো জটিল সমস্যা নয়, সাধারণ একটি বিষয়। এটি সাধারণত হাতের তালু, পায়ের পাতা ও বগল থেকে হয়ে থাকে। কারও কারও শীতকালে, কারও শুধু পরীক্ষার হলে, কখনো অতিরিক্ত দুশ্চিন্তার সময় হাত-পা ঘামে। আবার পা ঘেমে যাওয়ার কারণে এ থেকে সৃষ্টি হতে পারে দুর্গন্ধ। এ নিয়েও অনেক সময় বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়তে হয়।

চিকিৎসকদের মতে, হাত-পা ঘামার সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো বের করা যায়নি। তবে বংশগতভাবে এ রোগ থাকা, শারীরিক কিছু সমস্যা, শরীরের ভেতরের ভারসাম্যহীনতা, মানসিক চাপ, দুশ্চিন্তা প্রভৃতি কারণে হতে পারে।

হাত-পা ঘামার কারণ:

হাত-পা ঘামার প্রাথমিক কারণ হিসেবে তেমন কিছু পাওয়া যায়নি। তবে অতিরিক্ত স্নায়ুবিক উত্তেজনার কারণে ঘাম হয়ে থাকে। এছাড়া আরও নানা কারণে হাত-পা ঘামতে পারে।

যেমন: পারকিনসন্স ডিজিজ, থাইরয়েডে সমস্যা, ডায়াবেটিস, জ্বর, শরীরে গ্লুকোজের স্বল্পতা, মেনোপজজনিত প্রভৃতি।

অনেক সময় শরীরে ভিটামিনের অভাব থাকলে হাত-পা অতিরিক্ত ঘামতে পারে। আবার মানসিক চাপ, দুশ্চিন্তা ও জেনেটিক কারণে হাত-পা ঘামে।

চিকিৎসা:

সঠিক কারণ বের না করে চিকিৎসা করা উচিত নয়। আগে অনুসন্ধান বা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে কারণ খুঁজতে হবে। তারপর সঠিক চিকিৎসা নিলে এ সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। সাধারণত বিভিন্নভাবে হাত-পা ঘামা কমানো যেতে পারে।

অ্যালুমিনিয়াম ক্লোরাইডযুক্ত এক ধরনের বিশেষ লোশন হাত-পায়ে ব্যবহার করলে হাত-পা ঘামা কমে যায়।

বিশেষ ধরনের বৈদ্যুতিক যন্ত্রে হাত-পা সেঁকে নিলে হাত-পা ঘামা কমে যাবে। পরবর্তী সময় এটি দেখা দিলে আবার একইভাবে সেই বৈদ্যুতিক যন্ত্রে হাত-পা সেঁকে নিতে হবে।

এসব পদ্ধতি ছাড়াও একটি বিশেষ ধরনের নার্ভের অস্ত্রোপচার করেও হাত-পা ঘামা কমানো যায়। তবে হাত-পায়ের ঘাম রোধে যা-ই করা হোক না কেন, এর আগে অবশ্যই বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে হবে।

ফার্মেসি বা কসমেটিকের দোকানগুলোতে আপনি কিছু অ্যান্টি পারস্পিরেন্ট পাওয়া যায় যাতে লো ডোজে অ্যালুমিনিয়াম থাকে। এসব অ্যান্টিপারস্পিরেন্ট ব্যবহার করেও এই সমস্যা থেকে সাময়িকভাবে পরিত্রাণ পেতে পারবেন।

পানির কলের নিচে কিছু সময় ধরে হাত ধুলে ঘামগ্রন্থি অল্প সময়ের জন্য বন্ধ হয়ে যাবে। এভাবে সাময়িকভাবে কিছুক্ষণের জন্য ঘামানো বন্ধ করা যাবে। এই পদ্ধতিতে আয়নটোফোরেসিস বলে। এটি মেশিনের সাহায্যেও করা যায়।

বোটক্স পদ্ধতি হচ্ছে এই ধরনের টক্সিনকে ক্ষতস্থানে পুশ করার মাধ্যমে ঘাম নিঃসরণ বন্ধ করে দেয়া যায়।

রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি মাইক্রো নিডলিং: এই পদ্ধতির মাধমেও চিকিৎসা করা সম্ভব। বাংলাদেশেও এই পদ্ধতি ব্যবহৃত হচ্ছে।

সার্জারি: এটা আসলে চূড়ান্ত উপায়। যদি কোনো উপায়ই কাজ না করে তখন সার্জারি করা হয়। এতে যে স্নায়ুর স্টিমুলেশনের কারণে ঘামের সৃষ্টি হয়, সেটাই বাদ দিয়ে দেয়া হয়।

বিডিপ্রেস/আরজে

এ সম্পর্কিত অন্যান্য খবর

BDpress

কেন অতিরিক্ত ঘামে হাত-পা, জানুন প্রতিকার


কেন অতিরিক্ত ঘামে হাত-পা, জানুন প্রতিকার

চিকিৎসকদের মতে, হাত-পা ঘামার সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো বের করা যায়নি। তবে বংশগতভাবে এ রোগ থাকা, শারীরিক কিছু সমস্যা, শরীরের ভেতরের ভারসাম্যহীনতা, মানসিক চাপ, দুশ্চিন্তা প্রভৃতি কারণে হতে পারে।

হাত-পা ঘামার কারণ:

হাত-পা ঘামার প্রাথমিক কারণ হিসেবে তেমন কিছু পাওয়া যায়নি। তবে অতিরিক্ত স্নায়ুবিক উত্তেজনার কারণে ঘাম হয়ে থাকে। এছাড়া আরও নানা কারণে হাত-পা ঘামতে পারে।

যেমন: পারকিনসন্স ডিজিজ, থাইরয়েডে সমস্যা, ডায়াবেটিস, জ্বর, শরীরে গ্লুকোজের স্বল্পতা, মেনোপজজনিত প্রভৃতি।

অনেক সময় শরীরে ভিটামিনের অভাব থাকলে হাত-পা অতিরিক্ত ঘামতে পারে। আবার মানসিক চাপ, দুশ্চিন্তা ও জেনেটিক কারণে হাত-পা ঘামে।

চিকিৎসা:

সঠিক কারণ বের না করে চিকিৎসা করা উচিত নয়। আগে অনুসন্ধান বা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে কারণ খুঁজতে হবে। তারপর সঠিক চিকিৎসা নিলে এ সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। সাধারণত বিভিন্নভাবে হাত-পা ঘামা কমানো যেতে পারে।

অ্যালুমিনিয়াম ক্লোরাইডযুক্ত এক ধরনের বিশেষ লোশন হাত-পায়ে ব্যবহার করলে হাত-পা ঘামা কমে যায়।

বিশেষ ধরনের বৈদ্যুতিক যন্ত্রে হাত-পা সেঁকে নিলে হাত-পা ঘামা কমে যাবে। পরবর্তী সময় এটি দেখা দিলে আবার একইভাবে সেই বৈদ্যুতিক যন্ত্রে হাত-পা সেঁকে নিতে হবে।

এসব পদ্ধতি ছাড়াও একটি বিশেষ ধরনের নার্ভের অস্ত্রোপচার করেও হাত-পা ঘামা কমানো যায়। তবে হাত-পায়ের ঘাম রোধে যা-ই করা হোক না কেন, এর আগে অবশ্যই বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে হবে।

ফার্মেসি বা কসমেটিকের দোকানগুলোতে আপনি কিছু অ্যান্টি পারস্পিরেন্ট পাওয়া যায় যাতে লো ডোজে অ্যালুমিনিয়াম থাকে। এসব অ্যান্টিপারস্পিরেন্ট ব্যবহার করেও এই সমস্যা থেকে সাময়িকভাবে পরিত্রাণ পেতে পারবেন।

পানির কলের নিচে কিছু সময় ধরে হাত ধুলে ঘামগ্রন্থি অল্প সময়ের জন্য বন্ধ হয়ে যাবে। এভাবে সাময়িকভাবে কিছুক্ষণের জন্য ঘামানো বন্ধ করা যাবে। এই পদ্ধতিতে আয়নটোফোরেসিস বলে। এটি মেশিনের সাহায্যেও করা যায়।

বোটক্স পদ্ধতি হচ্ছে এই ধরনের টক্সিনকে ক্ষতস্থানে পুশ করার মাধ্যমে ঘাম নিঃসরণ বন্ধ করে দেয়া যায়।

রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি মাইক্রো নিডলিং: এই পদ্ধতির মাধমেও চিকিৎসা করা সম্ভব। বাংলাদেশেও এই পদ্ধতি ব্যবহৃত হচ্ছে।

সার্জারি: এটা আসলে চূড়ান্ত উপায়। যদি কোনো উপায়ই কাজ না করে তখন সার্জারি করা হয়। এতে যে স্নায়ুর স্টিমুলেশনের কারণে ঘামের সৃষ্টি হয়, সেটাই বাদ দিয়ে দেয়া হয়।

বিডিপ্রেস/আরজে