BDpress

যশোরে কোরবানির জন্য প্রস্তুত দেশি জাতের গরু

জেলা প্রতিবেদক

অ+ অ-
যশোরে কোরবানির জন্য প্রস্তুত দেশি জাতের গরু
কোরবানি ঈদ সামনে রেখে দেশি জাতের গরু পালনে ব্যস্ত সময় পার করছে যশোরের খামারিরা। ইতোমধ্যে এ অঞ্চলের অধিকাংশ খামারে দেশি ও সম্পূর্ণ নিরাপদ পদ্ধতিতে গরু মোটাতাজাকরণ করা হয়েছে। এ বছরও ভারতীয় গরু আমদানি করা না হলেও কোরবানির বাজারে কোনো প্রভাব পড়বে না বলে করছেন ব্যবসায়ীরা।

প্রাণিসম্পদ বিভাগ জানিয়েছে, যশোরে কোরবানি ঈদ উপলক্ষে ৩০ হাজার পাঁচশ গরু ও ২৭ হাজার ছাগলের চাহিদা  রয়েছে। এর বিপরীতে খামারগুলোতে প্রায় ৪০ হাজার গরু ও ৩০ হাজার ছাগল পালনসহ ও সরবরাহ করার পরিকল্পনা রয়েছে। যে কারণে এ বছরও কোরবানি ঈদে পশুর সংকট হবে না বলে আশা করা হচ্ছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, যশোর জেলার আট উপজেলার বিভিন্ন অঞ্চলে প্রায় নয় হাজার ছোট বড় খামার গড়ে উঠেছে। সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত উদ্যোগে এসব খামারে পালন করা হচ্ছে বিভিন্ন জাতের গরু ও ছাগল। গ্রামের বেকার যুবকদের পাশাপাশি অনেক নারীও নিজ বাড়ির আঙিনায় গড়ে তুলেছেন গরু ও ছাগলের খামার। আর মাত্র দেড় মাস পরই মোটাতাজাকরণের পর তা কোরবানির বাজারে তোলা হবে।

শহরতলির চাঁচড়া এলাকার খামারি মাহমুদুল হাসান জানান, কোরবানি উপলক্ষে আমার খামারে গরু ও উন্নত জাতের ছাগল পালন করছি। এসব গরু ও ছাগল নিবিড় পরিচর্যা করছি। আর কয়েক মাস পরই তা বাজারে তোলা হবে। ইতোমধ্যে অনেকেই আমার সঙ্গে যোগাযোগ করছেন কোরবানি উপলক্ষে ছাগল কেনার জন্য।

গরু ব্যবসায়ী আমজাদ ফকির বলেন, প্রতিবছর কোরবানি উপলক্ষে ভারতীয় গরু আমদানি কমিয়ে দিয়ে চাহিদা সৃষ্টি করা হয়।

আর এ সুযোগে আমাদের দেশের খামারিরা যখন গরু পালন ও তা বাজারে তুলতে থাকেন তখন এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী চোরাইপথে ভারত থেকে গরু এনে বাজারে তোলেন। এতে কোরবানির আগমুহূর্তে বাজার ফের ভারতীয় গরুর দখলে চলে যায়। এ বছর যেন এ ধরনের কর্মকাণ্ড না হয় সে জন্য সীমান্তে নজরদারি বাড়াতে হবে।

সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. তপনেশ্বর রায় বলেন, ‘সদর উপজেলায় ১১ হাজার গরু ও প্রায় পাঁচ হাজার ছাগল রয়েছে। কোরবানির সময় জেলার চাহিদা পূরণ করে বাইরের জেলায় পাঠানো যাবে। ভারত থেকে কোনো পশু না আসায় খামারিরা পশু পালনে বেশ আগ্রহী হয়ে উঠেছেন।’

বিডিপ্রেস/আরজে

এ সম্পর্কিত অন্যান্য খবর

BDpress

যশোরে কোরবানির জন্য প্রস্তুত দেশি জাতের গরু


যশোরে কোরবানির জন্য প্রস্তুত দেশি জাতের গরু

প্রাণিসম্পদ বিভাগ জানিয়েছে, যশোরে কোরবানি ঈদ উপলক্ষে ৩০ হাজার পাঁচশ গরু ও ২৭ হাজার ছাগলের চাহিদা  রয়েছে। এর বিপরীতে খামারগুলোতে প্রায় ৪০ হাজার গরু ও ৩০ হাজার ছাগল পালনসহ ও সরবরাহ করার পরিকল্পনা রয়েছে। যে কারণে এ বছরও কোরবানি ঈদে পশুর সংকট হবে না বলে আশা করা হচ্ছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, যশোর জেলার আট উপজেলার বিভিন্ন অঞ্চলে প্রায় নয় হাজার ছোট বড় খামার গড়ে উঠেছে। সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত উদ্যোগে এসব খামারে পালন করা হচ্ছে বিভিন্ন জাতের গরু ও ছাগল। গ্রামের বেকার যুবকদের পাশাপাশি অনেক নারীও নিজ বাড়ির আঙিনায় গড়ে তুলেছেন গরু ও ছাগলের খামার। আর মাত্র দেড় মাস পরই মোটাতাজাকরণের পর তা কোরবানির বাজারে তোলা হবে।

শহরতলির চাঁচড়া এলাকার খামারি মাহমুদুল হাসান জানান, কোরবানি উপলক্ষে আমার খামারে গরু ও উন্নত জাতের ছাগল পালন করছি। এসব গরু ও ছাগল নিবিড় পরিচর্যা করছি। আর কয়েক মাস পরই তা বাজারে তোলা হবে। ইতোমধ্যে অনেকেই আমার সঙ্গে যোগাযোগ করছেন কোরবানি উপলক্ষে ছাগল কেনার জন্য।

গরু ব্যবসায়ী আমজাদ ফকির বলেন, প্রতিবছর কোরবানি উপলক্ষে ভারতীয় গরু আমদানি কমিয়ে দিয়ে চাহিদা সৃষ্টি করা হয়।

আর এ সুযোগে আমাদের দেশের খামারিরা যখন গরু পালন ও তা বাজারে তুলতে থাকেন তখন এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী চোরাইপথে ভারত থেকে গরু এনে বাজারে তোলেন। এতে কোরবানির আগমুহূর্তে বাজার ফের ভারতীয় গরুর দখলে চলে যায়। এ বছর যেন এ ধরনের কর্মকাণ্ড না হয় সে জন্য সীমান্তে নজরদারি বাড়াতে হবে।

সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. তপনেশ্বর রায় বলেন, ‘সদর উপজেলায় ১১ হাজার গরু ও প্রায় পাঁচ হাজার ছাগল রয়েছে। কোরবানির সময় জেলার চাহিদা পূরণ করে বাইরের জেলায় পাঠানো যাবে। ভারত থেকে কোনো পশু না আসায় খামারিরা পশু পালনে বেশ আগ্রহী হয়ে উঠেছেন।’

বিডিপ্রেস/আরজে