BDpress

মাকে গলা কেটে হত্যার পর বাবা-ভাইকে কুপিয়ে জখম

জেলা প্রতিবেদক

অ+ অ-
মাকে গলা কেটে হত্যার পর বাবা-ভাইকে কুপিয়ে জখম
ঢাকার ধামরাইয়ে নিজের ঘুমন্ত মাকে গলা কেটে হত্যা করার পর বাবা ও ভাইকেও কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা করেছে এক যুবক। সোমবার ভোররাতে ধামরাইয়ের রোয়াইল ইউনিয়নের খরারচর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

মুমূর্ষু অবস্থায় বৃদ্ধ বাছের মিয়া (৬৫) ও তার ছেলে রতন মিয়াকে (২৪) সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এ ঘটনার পরই স্থানীয়রা হত্যাকারী ছেলে রায়হানকে (১৮) আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, ধামরাইয়ের রোয়াইল ইউনিয়নের খরারচর গ্রামের আব্দুল বাছের মিয়ার ছেলে রায়হান বছর দুই আগে স্থানীয় খরারচর আলিয়া মাদ্রাসায় লেখাপড়া করার সময় হঠাৎ মানসিক ভারসাম্যহীন হয়ে পড়ে। মাঝে মধ্যে আবার স্বাভাবিক আচরণও করে। সোমবার ভোররাত ৪টার দিকে ঘুমন্ত অবস্থায় রায়হান প্রথমে তার মা জামিনা বেগমকে (৫৫) দা দিয়ে গলা কেটে হত্যা করে। এ সময় চিৎকার শুনে তার বৃদ্ধ বাবা বাছের মিয়া ও বড় ভাই রতন মিয়া ঘুম থেকে উঠে রায়হানকে থামাতে গেলে তাদেরকেও কুপিয়ে জখম করা হয়। পরে আশপাশের লোকজন মুমূর্ষু অবস্থায় বৃদ্ধ বাছের মিয়া ও তার ছেলে রতন মিয়াকে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। এ সময় ছেলে রায়হানকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

রোয়াইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল কালাম সামসুদ্দিন মিন্টু জানান, রায়হান মাদ্রাসায় লেখাপড়া করার সময় দুই বছর আগে মানসিক ভারসাম্যহীন হয়ে পড়ে। তার মা-বাবা ও ভাইয়ের সঙ্গে জমিজমা বা অন্য কিছু নিয়ে তার কোনো দ্বন্দ্ব ছিল না।

ধামরাই থানার উপপরিদর্শক (এসআই) কামাল হোসেন জানান, ছেলে রায়হান মানসিক ভারসাম্যহীন হওয়ার কারণেই এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটিয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে হত্যাকাণ্ডের পেছনে অন্য কোনো কারণ আছে কি-না তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
বিডিপ্রেস/আলী

এ সম্পর্কিত অন্যান্য খবর

BDpress

মাকে গলা কেটে হত্যার পর বাবা-ভাইকে কুপিয়ে জখম


মাকে গলা কেটে হত্যার পর বাবা-ভাইকে কুপিয়ে জখম

মুমূর্ষু অবস্থায় বৃদ্ধ বাছের মিয়া (৬৫) ও তার ছেলে রতন মিয়াকে (২৪) সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এ ঘটনার পরই স্থানীয়রা হত্যাকারী ছেলে রায়হানকে (১৮) আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, ধামরাইয়ের রোয়াইল ইউনিয়নের খরারচর গ্রামের আব্দুল বাছের মিয়ার ছেলে রায়হান বছর দুই আগে স্থানীয় খরারচর আলিয়া মাদ্রাসায় লেখাপড়া করার সময় হঠাৎ মানসিক ভারসাম্যহীন হয়ে পড়ে। মাঝে মধ্যে আবার স্বাভাবিক আচরণও করে। সোমবার ভোররাত ৪টার দিকে ঘুমন্ত অবস্থায় রায়হান প্রথমে তার মা জামিনা বেগমকে (৫৫) দা দিয়ে গলা কেটে হত্যা করে। এ সময় চিৎকার শুনে তার বৃদ্ধ বাবা বাছের মিয়া ও বড় ভাই রতন মিয়া ঘুম থেকে উঠে রায়হানকে থামাতে গেলে তাদেরকেও কুপিয়ে জখম করা হয়। পরে আশপাশের লোকজন মুমূর্ষু অবস্থায় বৃদ্ধ বাছের মিয়া ও তার ছেলে রতন মিয়াকে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। এ সময় ছেলে রায়হানকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

রোয়াইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল কালাম সামসুদ্দিন মিন্টু জানান, রায়হান মাদ্রাসায় লেখাপড়া করার সময় দুই বছর আগে মানসিক ভারসাম্যহীন হয়ে পড়ে। তার মা-বাবা ও ভাইয়ের সঙ্গে জমিজমা বা অন্য কিছু নিয়ে তার কোনো দ্বন্দ্ব ছিল না।

ধামরাই থানার উপপরিদর্শক (এসআই) কামাল হোসেন জানান, ছেলে রায়হান মানসিক ভারসাম্যহীন হওয়ার কারণেই এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটিয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে হত্যাকাণ্ডের পেছনে অন্য কোনো কারণ আছে কি-না তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
বিডিপ্রেস/আলী