BDpress

এবারও আয় বেশি বিএনপির

বিডিপ্রেস ডেস্ক

অ+ অ-
এবারও আয় বেশি বিএনপির
এবারও ব্যয়ের চেয়ে আয় বেশি বিএনপির। একাদশ সংসদের আগে ২০১৭ সালে দলটির ব্যয় মিটিয়ে এখন উদ্বৃত্ত রয়েছে প্রায় সোয়া ৫ কোটি টাকা। গতকাল বিকালে বিএনপির বার্ষিক আর্থিক লেনদেনের প্রতিবেদন নির্বাচন কমিশন সচিবের কাছে জমা দিয়েছেন যুগ্ম মহাসচিব মাহবুব উদ্দিন খোকন।

দশম সংসদ নির্বাচন বর্জনকারী দলটি ২০১৪ ও ২০১৫ সালে টানা ব্যয় বেশি দেখিয়েছিল। তবে পরবর্তীতে কাউন্সিলের পর (বিভিন্ন ডোনেশন) থেকে আয় বাড়ে; তাতে ঘাটতি মিটিয়ে উদ্বৃত্ত থাকছে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে। এদিকে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগসহ ৭টি দল বার্ষিক প্রতিবেদন দিতে না পেরে সময় বাড়ানোর আবেদন জানিয়েছে। নিবন্ধিত দলকে প্রতি পঞ্জিকা বছরের আয়-ব্যয়ের হিসাব নিবন্ধিত নিরীক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে নিরীক্ষা করিয়ে পরের বছরের ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে জমা দিতে ৩৯টি নিবন্ধিত দলকে চিঠি দেয় নির্বাচন কমিশন। অডিট রিপোর্ট রেজিস্টার্ড চার্টার্ড অ্যাকাউন্টিং ফার্মের মাধ্যমে নিরীক্ষা করার আইনি বাধ্যবাধকতা রয়েছে। পরপর তিন বছর কমিশনে এ প্রতিবেদন দিতে ব্যর্থ হলে নিবন্ধন বাতিলের এখতিয়ার রয়েছে ইসির। আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য এ বি এম রিয়াজুল কবির কাওছার জানান, দলটির পক্ষ থেকে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার সময় ১৫ দিন বাড়ানোরে আবেদন জানানো হয়েছে। ইসির সহকারী সচিব রওশন আরা সাংবাদিকদের জানান, নির্ধারিত সময়ে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগসহ ৭টি দল প্রতিবেদন দিতে না পেরে সময় বাড়ানোর আবেদন জানিয়েছে। তবে বিএনপি-জাতীয় পার্টিসহ বাকি দলগুলোর অডিট রিপোর্ট পাওয়া গেছে। প্রতিবেদন পর্যালোচনার জন্য কমিশনের শিগগির উপস্থাপন করা হবে। মঙ্গলবার নির্বাচন কমিশন সচিবের কাছে দলের আয়-ব্যয়ের হিসাব জমা দেওয়ার সময় যুগ্ম মহাসচিব মাহবুব উদ্দিন, বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সাবেক এমপি আবুল খায়ের ভূইয়া ও বিএনপির আইন বিষয়ক সম্পাদক সানাউল্লাহ মিয়া উপস্থিত ছিলেন।

পরে খোকন সাংবাদিকদের জানান, আইন অনুযায়ী প্রত্যেকটি রাজনৈতিক দলের বার্ষিক আয়-ব্যয়ের হিসাব দিতে হয়। ২০১৭ সালের পয়লা জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত আয়-ব্যয়ের হিসাব দেওয়া হয়েছে। ‘এই বছরে বিএনপির মোট আয় ৯ কোটি ৪৬ লাখ ২৪ হাজার ৯০২ টাকা হয়েছে। মোট ব্যয় হয়েছে ৪ কোটি ১৯ লাখ ৪১ হাজার ৯৫৪ টাকা। ৫ কোটি ২৬ লাখ ৫২ হাজার ৯৪৮ টাকা হাতে বা ব্যাংকে রয়েছে।’ ২০১৬ সালের দলটির আয় বেশি ছিল। সে বছর আয় হয়েছিল ৪ কোটি ১৩ লাখ ৬৮ হাজার ৭৩০ টাকা। আর ব্যয় হয়েছিল ৩ কোটি ৯৯ লাখ ৬৩ হাজার ৭৫২ টাকা। এর আগে তিন পঞ্জিকা বছরে দলটির আয়ের থেকে ব্যয় বেশি ছিল। ২০১৫ সালের দাখিল করা আয়-ব্যয়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিএনপি ১৪ লাখ ২৬ হাজার ২৮৪ টাকা ঘাটতিতে ছিল। ২০১৪ সালে আয়ের চেয়ে ৬৫ লাখ ৫৪ হাজার ৪২৬ টাকা বেশি ব্যয় হয়েছে দলটির। দশম সংসদ নির্বাচনের আগে বছরে ২০১৩ সালে (পঞ্জিকা বছর) দলটি ৭৬ লাখ ৫ হাজার ৭৬২ টাকা আয়ের বিপরীতে ২ কোটি ২৭ লাখ ২৫ হাজার ৩২৬ টাকা ব্যয় দেখিয়েছিল। সে সময় ঘাটতি ছিল প্রায় দেড় কোটি টাকা।
বিডিপ্রেস/আলী

এ সম্পর্কিত অন্যান্য খবর

BDpress

এবারও আয় বেশি বিএনপির


এবারও আয় বেশি বিএনপির

দশম সংসদ নির্বাচন বর্জনকারী দলটি ২০১৪ ও ২০১৫ সালে টানা ব্যয় বেশি দেখিয়েছিল। তবে পরবর্তীতে কাউন্সিলের পর (বিভিন্ন ডোনেশন) থেকে আয় বাড়ে; তাতে ঘাটতি মিটিয়ে উদ্বৃত্ত থাকছে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে। এদিকে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগসহ ৭টি দল বার্ষিক প্রতিবেদন দিতে না পেরে সময় বাড়ানোর আবেদন জানিয়েছে। নিবন্ধিত দলকে প্রতি পঞ্জিকা বছরের আয়-ব্যয়ের হিসাব নিবন্ধিত নিরীক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে নিরীক্ষা করিয়ে পরের বছরের ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে জমা দিতে ৩৯টি নিবন্ধিত দলকে চিঠি দেয় নির্বাচন কমিশন। অডিট রিপোর্ট রেজিস্টার্ড চার্টার্ড অ্যাকাউন্টিং ফার্মের মাধ্যমে নিরীক্ষা করার আইনি বাধ্যবাধকতা রয়েছে। পরপর তিন বছর কমিশনে এ প্রতিবেদন দিতে ব্যর্থ হলে নিবন্ধন বাতিলের এখতিয়ার রয়েছে ইসির। আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য এ বি এম রিয়াজুল কবির কাওছার জানান, দলটির পক্ষ থেকে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার সময় ১৫ দিন বাড়ানোরে আবেদন জানানো হয়েছে। ইসির সহকারী সচিব রওশন আরা সাংবাদিকদের জানান, নির্ধারিত সময়ে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগসহ ৭টি দল প্রতিবেদন দিতে না পেরে সময় বাড়ানোর আবেদন জানিয়েছে। তবে বিএনপি-জাতীয় পার্টিসহ বাকি দলগুলোর অডিট রিপোর্ট পাওয়া গেছে। প্রতিবেদন পর্যালোচনার জন্য কমিশনের শিগগির উপস্থাপন করা হবে। মঙ্গলবার নির্বাচন কমিশন সচিবের কাছে দলের আয়-ব্যয়ের হিসাব জমা দেওয়ার সময় যুগ্ম মহাসচিব মাহবুব উদ্দিন, বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সাবেক এমপি আবুল খায়ের ভূইয়া ও বিএনপির আইন বিষয়ক সম্পাদক সানাউল্লাহ মিয়া উপস্থিত ছিলেন।

পরে খোকন সাংবাদিকদের জানান, আইন অনুযায়ী প্রত্যেকটি রাজনৈতিক দলের বার্ষিক আয়-ব্যয়ের হিসাব দিতে হয়। ২০১৭ সালের পয়লা জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত আয়-ব্যয়ের হিসাব দেওয়া হয়েছে। ‘এই বছরে বিএনপির মোট আয় ৯ কোটি ৪৬ লাখ ২৪ হাজার ৯০২ টাকা হয়েছে। মোট ব্যয় হয়েছে ৪ কোটি ১৯ লাখ ৪১ হাজার ৯৫৪ টাকা। ৫ কোটি ২৬ লাখ ৫২ হাজার ৯৪৮ টাকা হাতে বা ব্যাংকে রয়েছে।’ ২০১৬ সালের দলটির আয় বেশি ছিল। সে বছর আয় হয়েছিল ৪ কোটি ১৩ লাখ ৬৮ হাজার ৭৩০ টাকা। আর ব্যয় হয়েছিল ৩ কোটি ৯৯ লাখ ৬৩ হাজার ৭৫২ টাকা। এর আগে তিন পঞ্জিকা বছরে দলটির আয়ের থেকে ব্যয় বেশি ছিল। ২০১৫ সালের দাখিল করা আয়-ব্যয়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিএনপি ১৪ লাখ ২৬ হাজার ২৮৪ টাকা ঘাটতিতে ছিল। ২০১৪ সালে আয়ের চেয়ে ৬৫ লাখ ৫৪ হাজার ৪২৬ টাকা বেশি ব্যয় হয়েছে দলটির। দশম সংসদ নির্বাচনের আগে বছরে ২০১৩ সালে (পঞ্জিকা বছর) দলটি ৭৬ লাখ ৫ হাজার ৭৬২ টাকা আয়ের বিপরীতে ২ কোটি ২৭ লাখ ২৫ হাজার ৩২৬ টাকা ব্যয় দেখিয়েছিল। সে সময় ঘাটতি ছিল প্রায় দেড় কোটি টাকা।
বিডিপ্রেস/আলী