BDpress

দেশের জন্য কী করতে হবে আঙুল তুলে দেখিয়েছেন শিক্ষার্থীরা: ঢাবি ভিসি

নিজস্ব প্রতিবেদক

অ+ অ-
দেশের জন্য কী করতে হবে আঙুল তুলে দেখিয়েছেন শিক্ষার্থীরা: ঢাবি ভিসি
সড়ক ব্যবস্থাপনাসহ দেশের জন্য আর কী কী করতে হবে শিক্ষার্থীরা তা আঙুল তুলে দেখিয়ে দিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান।

তিনি বলেন, সততা, নীতি-নৈতিকতার দায়িত্ব থেকেই শিক্ষার্থীরা রাস্তায় নামতে সক্ষম হয়েছে। অসাধারণ দক্ষতা, মেধা মননের স্বাক্ষর রেখেছে রোড ম্যানেজম্যান্টের (সড়ক ব্যবস্থাপনা) ক্ষেত্রে।

শুক্রবার সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) মিলনায়তনে বাংলাদেশ কিশোর-কিশোরী সম্মেলন ২০১৮-এর উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

পল্লী কর্মসহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এতে ঢাকা মহানগরীর ৪০টি স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করে। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন এথিক্স ক্লাব বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এম ই চৌধুরী শামীম। অতিথি ছিলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম।

উপাচার্য আখতারুজ্জামান বলেন, এ অনুষ্ঠানটি মেধা ও মনন বিকাশের অনুষ্ঠান। বর্তমানে যাদের নেতৃত্ব গুণ, সুন্দর মানসিকতা আছে, তারাই জাতির ভবিষ্যৎ বিনির্মাণ করবে। সৎ, দক্ষ, নৈতিকতাসমৃদ্ধ শিক্ষার্থীরাই আগামীর সমাজ পরিবর্তন করবে।

এ সময় প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম বলেন, কোমলমতি শিক্ষার্থীদের এ আন্দোলন যৌক্তিক। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছাত্রদের সবকটি দাবি মেনে নিয়েছেন এবং খুব দ্রুত সময়ে এটি কার্যকর করা হবে।

পল্লী কর্মসহায়ক ফাউন্ডেশনের উপ-মহাব্যবস্থাপক আব্দুল কাইয়ুম বলেন, কিশোর-কিশোরী সম্মেলনের মাধ্যমে নানা প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে সারা দেশ থেকে ৭০০ শিক্ষার্থী নির্বাচিত করা হবে। তারা সৎ থেকে মেধা মননের মাধ্যমে সুন্দর সমাজ বিনির্মাণ করবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে অনুষ্ঠিত হয় রচনা লিখন, কুইজ ও উপস্থিত বক্তৃতা প্রতিযোগিতা। রচনার বিষয় ছিল: ‘বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ’, ‘ফেসবুক ব্যবহারের সুফল কুফল’। পরীক্ষায় ১৬৪ শিক্ষার্থী দ্বিতীয় পর্বে উত্তীর্ণ হয়। তাদের সবাইকে সনদ ও ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।

বিডিপ্রেস/আরজে

এ সম্পর্কিত অন্যান্য খবর

BDpress

দেশের জন্য কী করতে হবে আঙুল তুলে দেখিয়েছেন শিক্ষার্থীরা: ঢাবি ভিসি


দেশের জন্য কী করতে হবে আঙুল তুলে দেখিয়েছেন শিক্ষার্থীরা: ঢাবি ভিসি

তিনি বলেন, সততা, নীতি-নৈতিকতার দায়িত্ব থেকেই শিক্ষার্থীরা রাস্তায় নামতে সক্ষম হয়েছে। অসাধারণ দক্ষতা, মেধা মননের স্বাক্ষর রেখেছে রোড ম্যানেজম্যান্টের (সড়ক ব্যবস্থাপনা) ক্ষেত্রে।

শুক্রবার সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) মিলনায়তনে বাংলাদেশ কিশোর-কিশোরী সম্মেলন ২০১৮-এর উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

পল্লী কর্মসহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এতে ঢাকা মহানগরীর ৪০টি স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করে। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন এথিক্স ক্লাব বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এম ই চৌধুরী শামীম। অতিথি ছিলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম।

উপাচার্য আখতারুজ্জামান বলেন, এ অনুষ্ঠানটি মেধা ও মনন বিকাশের অনুষ্ঠান। বর্তমানে যাদের নেতৃত্ব গুণ, সুন্দর মানসিকতা আছে, তারাই জাতির ভবিষ্যৎ বিনির্মাণ করবে। সৎ, দক্ষ, নৈতিকতাসমৃদ্ধ শিক্ষার্থীরাই আগামীর সমাজ পরিবর্তন করবে।

এ সময় প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম বলেন, কোমলমতি শিক্ষার্থীদের এ আন্দোলন যৌক্তিক। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছাত্রদের সবকটি দাবি মেনে নিয়েছেন এবং খুব দ্রুত সময়ে এটি কার্যকর করা হবে।

পল্লী কর্মসহায়ক ফাউন্ডেশনের উপ-মহাব্যবস্থাপক আব্দুল কাইয়ুম বলেন, কিশোর-কিশোরী সম্মেলনের মাধ্যমে নানা প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে সারা দেশ থেকে ৭০০ শিক্ষার্থী নির্বাচিত করা হবে। তারা সৎ থেকে মেধা মননের মাধ্যমে সুন্দর সমাজ বিনির্মাণ করবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে অনুষ্ঠিত হয় রচনা লিখন, কুইজ ও উপস্থিত বক্তৃতা প্রতিযোগিতা। রচনার বিষয় ছিল: ‘বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ’, ‘ফেসবুক ব্যবহারের সুফল কুফল’। পরীক্ষায় ১৬৪ শিক্ষার্থী দ্বিতীয় পর্বে উত্তীর্ণ হয়। তাদের সবাইকে সনদ ও ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।

বিডিপ্রেস/আরজে