BDpress

সৌদি-কানাডা বিরোধে ঝুঁকিতে সৌদি শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অ+ অ-
সৌদি-কানাডা বিরোধে ঝুঁকিতে সৌদি শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ
মানবাধিকার ইস্যুতে একটি বিবৃতির কারণে সম্প্রতি কূটনৈতিক দ্বন্দ্বে জড়িয়েছে কানাডা ও সৌদি আরব। এই কারণে কানাডায় পড়তে যাওয়া ৭ হাজারের বেশি শিক্ষার্থীকে দেশটি ছাড়তে বলেছে সৌদি সরকার।

আগামী সেমিস্টার শুরুর আই কানাডা ছাড়তে হবে সৌদি শিক্ষার্থীদের। এক্ষেত্রে তাদের হাতে রয়েছে এক মাসেরও কম সময়। একইসঙ্গে শিক্ষার্থীদের জন্য কানাডায় সব ধরনের স্কলারশিপ বন্ধ করার ঘোষণা দিয়েছে সৌদি আরব। এতে ঝুঁকিতে পড়েছে সৌদি শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ। খবর দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল, গ্লোবাল নিউজ।

এ নিয়ে কানাডার ভ্যানকুভার এলাকায় পাঁচ বছরেরও বেশি সময় ধরে বসবাসরত এক  সৌদি শিক্ষার্থী বলেন,  ‘আমরা এখানে বাড়ি ফিরে যেতে আসিনি, পড়াশোনা করতে এসেছি। এখানে আমার সম্পূর্ণ সজ্জিত একটি দু-বেডরুমের অ্যাপার্টমেন্ট আছে। আমি দীর্ঘদিন ধরে থাকার পরিকল্পনা করছিলাম।

তিনি আরও বলেন, আমার চার বছরের গ্র্যাজুয়েশনের মাত্র এক ক্রেডিট বাকি আছে। এখন মনে হচ্ছে তা আমি শেষ করতে পারবো না। কারণ আমাদের কানাডা ছেড়ে দেশে চলে আসতে বলা হয়েছে।

এ নিয়ে সৌদি আরবের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মুবারাক আল ওসামি বলেন, মন্ত্রণালয় ফিরিয়ে আনা শিক্ষার্থীদের জরুরি ভিত্তিতে অন্য কোনও দেশে লেখাপড়ার জন্য পাঠানোর পরিকল্পনা করছে।

সম্প্রতি সৌদি কর্তৃপক্ষ বেশ কয়েকজন নারী অধিকার কর্মীকে আটক করেছে, যাদের মুক্তির আবেদন জানিয়েছে কানাডা। এ ঘটনায় সৌদি কর্তৃপক্ষ অভ্যন্তরীণ হস্তক্ষেপের অভিযোগ এনে কানাডার বিরুদ্ধে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করে।

উল্লেখ্য, সৌদি আরব থেকে অধিকাংশ শিক্ষার্থীই কানাডায় ডাক্তারি পড়তে যান। আট হাজার ৭৬ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ছয় হাজার ৫০৮ জন মেডিকেলের শিক্ষার্থী।

বিডিপ্রেস/আরজে

এ সম্পর্কিত অন্যান্য খবর

BDpress

সৌদি-কানাডা বিরোধে ঝুঁকিতে সৌদি শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ


সৌদি-কানাডা বিরোধে ঝুঁকিতে সৌদি শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ

আগামী সেমিস্টার শুরুর আই কানাডা ছাড়তে হবে সৌদি শিক্ষার্থীদের। এক্ষেত্রে তাদের হাতে রয়েছে এক মাসেরও কম সময়। একইসঙ্গে শিক্ষার্থীদের জন্য কানাডায় সব ধরনের স্কলারশিপ বন্ধ করার ঘোষণা দিয়েছে সৌদি আরব। এতে ঝুঁকিতে পড়েছে সৌদি শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ। খবর দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল, গ্লোবাল নিউজ।

এ নিয়ে কানাডার ভ্যানকুভার এলাকায় পাঁচ বছরেরও বেশি সময় ধরে বসবাসরত এক  সৌদি শিক্ষার্থী বলেন,  ‘আমরা এখানে বাড়ি ফিরে যেতে আসিনি, পড়াশোনা করতে এসেছি। এখানে আমার সম্পূর্ণ সজ্জিত একটি দু-বেডরুমের অ্যাপার্টমেন্ট আছে। আমি দীর্ঘদিন ধরে থাকার পরিকল্পনা করছিলাম।

তিনি আরও বলেন, আমার চার বছরের গ্র্যাজুয়েশনের মাত্র এক ক্রেডিট বাকি আছে। এখন মনে হচ্ছে তা আমি শেষ করতে পারবো না। কারণ আমাদের কানাডা ছেড়ে দেশে চলে আসতে বলা হয়েছে।

এ নিয়ে সৌদি আরবের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মুবারাক আল ওসামি বলেন, মন্ত্রণালয় ফিরিয়ে আনা শিক্ষার্থীদের জরুরি ভিত্তিতে অন্য কোনও দেশে লেখাপড়ার জন্য পাঠানোর পরিকল্পনা করছে।

সম্প্রতি সৌদি কর্তৃপক্ষ বেশ কয়েকজন নারী অধিকার কর্মীকে আটক করেছে, যাদের মুক্তির আবেদন জানিয়েছে কানাডা। এ ঘটনায় সৌদি কর্তৃপক্ষ অভ্যন্তরীণ হস্তক্ষেপের অভিযোগ এনে কানাডার বিরুদ্ধে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করে।

উল্লেখ্য, সৌদি আরব থেকে অধিকাংশ শিক্ষার্থীই কানাডায় ডাক্তারি পড়তে যান। আট হাজার ৭৬ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ছয় হাজার ৫০৮ জন মেডিকেলের শিক্ষার্থী।

বিডিপ্রেস/আরজে