BDpress

হত্যার পর মরদেহ রেখে পলাতক স্বামী ও পরিবার

জেলা প্রতিবেদক

অ+ অ-
হত্যার পর মরদেহ রেখে পলাতক স্বামী ও পরিবার
লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলায় মিনা বেগম (২৫) নামে এক গৃহবধূকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর থেকে নিহতের স্বামী মোস্তফসহ তার পরিবারের লোকজন আত্মগোপনে রয়েছে।

শুক্রবার সকালে পুলিশ ওই গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করে লালমনিরহাট সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। নিহত মিনা বেগম উপজেলার ভাদাই ইউনিয়নের সজিব বাজার এলাকার মোস্তফা আলীর স্ত্রী।

পুলিশ জানায়, মোস্তফা আলীর প্রথম স্ত্রী মায়া বেগম ও তার দ্বিতীয় স্ত্রী মিনা বেগমের মধ্যে ঝগড়া লেগেই থাকতো। এ জন্য মোস্তফা ও তার প্রথম স্ত্রী মায়া মিনাকে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দিতে নির্যাতন করতেন। এ নিয়ে মিনা স্থানীয় মাতব্বর সাবেক ইউপি সদস্য শফিকুল ও স্থানীয় সজিব বাজারের ব্যবসায়ীদের কাছে নালিশ করলে শুক্রবার বৈঠকের দিন ধার্য করেন। নালিশের বিষয়টি জানার পর মোস্তফা ও মায়া আরো ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন।

বৃহস্পতিবার রাতে মিনাকে মারধর করে শ্বাসরোধে হত্যা করে বাড়ির বাইরে ফেলে রেখে মোস্তফাসহ তার পরিবারের লোকজন পালিয়ে যায়। সকালে স্থানীয়রা মিনার মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য লালমনিরহাট সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।

আদিতমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুদ রানা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, নিহতের স্বামীকে গ্রেফতারে কাজ করছে পুলিশ।

বিডিপ্রেস/আরজে

এ সম্পর্কিত অন্যান্য খবর

BDpress

হত্যার পর মরদেহ রেখে পলাতক স্বামী ও পরিবার


হত্যার পর মরদেহ রেখে পলাতক স্বামী ও পরিবার

শুক্রবার সকালে পুলিশ ওই গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করে লালমনিরহাট সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। নিহত মিনা বেগম উপজেলার ভাদাই ইউনিয়নের সজিব বাজার এলাকার মোস্তফা আলীর স্ত্রী।

পুলিশ জানায়, মোস্তফা আলীর প্রথম স্ত্রী মায়া বেগম ও তার দ্বিতীয় স্ত্রী মিনা বেগমের মধ্যে ঝগড়া লেগেই থাকতো। এ জন্য মোস্তফা ও তার প্রথম স্ত্রী মায়া মিনাকে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দিতে নির্যাতন করতেন। এ নিয়ে মিনা স্থানীয় মাতব্বর সাবেক ইউপি সদস্য শফিকুল ও স্থানীয় সজিব বাজারের ব্যবসায়ীদের কাছে নালিশ করলে শুক্রবার বৈঠকের দিন ধার্য করেন। নালিশের বিষয়টি জানার পর মোস্তফা ও মায়া আরো ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন।

বৃহস্পতিবার রাতে মিনাকে মারধর করে শ্বাসরোধে হত্যা করে বাড়ির বাইরে ফেলে রেখে মোস্তফাসহ তার পরিবারের লোকজন পালিয়ে যায়। সকালে স্থানীয়রা মিনার মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য লালমনিরহাট সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।

আদিতমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুদ রানা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, নিহতের স্বামীকে গ্রেফতারে কাজ করছে পুলিশ।

বিডিপ্রেস/আরজে